Header Ads

Header ADS

হিন্দু আইনের উৎস আলোচনা করুন। এল এল বি পরীক্ষা -২০২৫

 

হিন্দু আইনের উৎস আলোচনা করুন


হিন্দু আইনের উৎস

হিন্দু আইন যে সব উৎস থেকে সৃষ্টি বিকাশ লাভ করেছে, সেগুলোকে হিন্দু আইনের উৎস বলা হয়। এগুলো প্রধানত দুই ভাগে বিভক্তপ্রাচীন উৎস আধুনিক উৎস

 

. প্রাচীন উৎস

() শ্রুতি

শ্রুতি হিন্দু আইনের প্রাচীনতম সর্বোচ্চ উৎস। এর অন্তর্ভুক্ত চারটি বেদঋগ্বেদ, যজুর্বেদ, সামবেদ অথর্ববেদ। শ্রুতিতে ধর্ম নৈতিকতার মৌলিক ধারণা পাওয়া যায়, যা হিন্দু আইনের ভিত্তি গঠন করেছে।

() স্মৃতি

স্মৃতি হলো শ্রুতির ব্যাখ্যা ব্যবহারিক রূপ। মনুস্মৃতি, যাজ্ঞবল্ক্য স্মৃতি নারদ স্মৃতি হিন্দু আইনের গুরুত্বপূর্ণ স্মৃতি গ্রন্থ। এতে বিবাহ, উত্তরাধিকার, দত্তক সম্পত্তি সংক্রান্ত বিধান রয়েছে।

() ভাষ্য নিবন্ধ

স্মৃতি গ্রন্থের ব্যাখ্যা সংকলনকে ভাষ্য নিবন্ধ বলা হয়। মিতাক্ষরা দায়ভাগ হিন্দু উত্তরাধিকার আইনে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।

() প্রথা বা ব্যবহার

দীর্ঘদিন ধরে সমাজে প্রচলিত আইনসম্মত আচরণকে প্রথা বলা হয়। প্রথা যুক্তিসঙ্গত আইনবিরোধী না হলে তা হিন্দু আইনের উৎস হিসেবে স্বীকৃত।

 

. আধুনিক উৎস

() আইন প্রণয়ন

সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইনসমূহ আধুনিক হিন্দু আইনের প্রধান উৎস। যেমনহিন্দু বিবাহ আইন, ১৯৫৫; হিন্দু উত্তরাধিকার আইন, ১৯৫৬ প্রভৃতি।

() বিচারিক সিদ্ধান্ত

সুপ্রিম কোর্ট উচ্চ আদালতের রায় হিন্দু আইনের আধুনিক ব্যাখ্যা প্রয়োগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

() ন্যায়, সমতা সুবিবেচনা

যেখানে নির্দিষ্ট আইন বা প্রথা নেই, সেখানে বিচারক ন্যায় সুবিবেচনার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত প্রদান করেন।

 

উপসংহার

অতএব বলা যায় যে, শ্রুতি, স্মৃতি, ভাষ্য, প্রথা এবং আধুনিক আইন বিচারিক সিদ্ধান্ত মিলিয়েই হিন্দু আইনের উৎস গঠিত।

 

No comments

Powered by Blogger.