স্ক্যাবিস রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার
স্ক্যাবিস কি ?
স্ক্যাবিস (Scabies ) একটি ল্যাটিন শব্দ যার বাংলা অর্থ খোস পাচঁড়া। একটি ত্বকজনিত একটি মারাত্মক ছোঁয়াচে রোগ। এটির জন্য তীব্র চুলকানি হয় এবং ত্বকে ছোট ছোট দাগ হতে পারে। এটি সারকপটিস স্ক্যাবিয়াই একধরনের অতি ক্ষুদ্র মাইটের কারন হয়, এটি ত্বকের নিচে গর্ত করে ডিম পারে এবং দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
প্রাথমিক লক্ষণ সমূহঃ এর কিছু লক্ষণ রয়েছেঃ-
1. ফুসকুড়ি (লালচে ) -স্ক্যাবিস হলে প্রথমে সংক্রমণের স্থানে লালচে ফুসকুড়ি দেখা যায়।
2.চুলকানিঃ এটিতে তীব্র চুলকানি হয় । এই চুলকানি রাতযত গভীর হয় তত বাড়তে থাকে।
3. পুজ যুক্ত ফুসকুড়িঃ সংক্রমন স্থনে পুঁজ যুক্ত ফুসকুড়ি হতে পারে।
4. ত্বকে ক্ষতঃ চুলকানির জন্য ত্বকে ক্ষত সৃষ্টি হতে পারে।
5. আঙ্গুলের ফাঁকে লালচে দাগঃ এটির কারনে আঙ্গুলের ফাঁকে লালচে দাগ হতে পারে।
6. কোমরের আশেপাশে লালেচে দাগঃ কোমরের আশে পাশে লালচে দাগ
7. পায়ের পাতায় লালাচে দাগঃ এটির জন্য পায়ের পাতায় লালচে দাগ হতে পারে।
8. যৌনাঙ্গে সংক্রামনঃ এটি যৌনাঙ্গের আশে পাশে বেশি আক্রমন হয়
9. শিশুদের ক্ষেত্রেঃ এটি শিশুদের ক্ষেত্রে শিশুর হাত পা ও মাথার ত্বকে র্যাশ হতে পারে।
10. ছোট ছোট ফুসকুড়িঃ এটির কারনে ত্বকে ছোট ছোট ফুসকুড়ি হতে পারে।
স্ক্যাবিসের কারণঃ
1.অস্বাস্থ্যকর পরিবেশঃ অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ যেমন অতিরিক্ত জনসমাগম, কারাগার, আশ্রয় কেন্দ্র যেখানে পরিবেশ খুব অস্বাস্থ্যকর সেখানে এই রোগ হতে পারে।
2.ত্বক-থেকে-ত্বকেঃ এটির শারীরিক সংস্পর্শের মাধ্যমে ছড়ায় যেমন হাতের সাথে হাতের স্পর্শ এবং যৌণ সম্পর্কের মাধ্যমে।
3. পোশাক পরিচ্ছেদঃ আক্রান্ত ব্যক্তির পোশাক ব্যবহার করলে । তাহার বিছানা ব্যবহার করলে এই রোগ হতে পারে।
4. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকা ব্যক্তিরঃ যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম বৃদ্ধ ও শিশুরা এই রোগে বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারে।
স্ক্যাবিসের প্রতিরোধের উপায়ঃ
1.আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শ যাওয়া যাবে না ।
2. আক্রান্ত ব্যক্তি ব্যবহৃত জিনিসপত্র যেমন বিছানা, কাপড় ও তোয়ালে ব্যবহার করা যাবে না। যদি ব্যবহার করতে হয় তাহলে গরম পানিতে ধুয়ে রোদে ভালোভাবে শুকিয়ে নিতে হবে।
3. আক্রান্ত ব্যক্তির পরিবারে সকল সদস্য ও সংস্পর্শে থাকা ব্যক্তিদের চিকিৎসা একসাথে হতে হবে।
4. পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে।
চিকিৎসাঃ এর চিকিৎসা একমাত্র বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের মাধ্যমেই করানো উচিত।


No comments