Header Ads

Header ADS

সাংবিধানিক আইনের- যুক্তরাষ্ট্রীয় সংবিধান অংশ। এল এল বি পরীক্ষা ১ম বর্ষ-২০২৫- পার্ট-১

 

1 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের বৈশিষ্ট্যসমূহ ব্যাখ্যা কর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রীম কোর্টকে কেন সংবিধানের অভিভাবক বলা হয়? তোমার মতামত দাও ] তুমি কি মনে কর যে, মার্কিন সংবিধানে একটি সঠিক নিয়ন্ত্রণ ভারসাম্য করার জন্য ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে?

. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের বৈশিষ্ট্যসমূহ

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান বিশ্বের প্রাচীনতম লিখিত সংবিধানগুলোর একটি। এর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো

) লিখিত সংক্ষিপ্ত সংবিধান

মার্কিন সংবিধান একটি লিখিত সংবিধান এবং তুলনামূলকভাবে সংক্ষিপ্ত। মূল সংবিধানে মাত্র ৭টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।

) কঠোর সংবিধান

এই সংবিধান সংশোধন করা সহজ নয়। সংশোধনের জন্য কংগ্রেসের বিশেষ সংখ্যাগরিষ্ঠতা এবং অঙ্গরাজ্যগুলোর অনুমোদন প্রয়োজন।

) ফেডারেল শাসনব্যবস্থা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ফেডারেল ব্যবস্থা চালু আছে। কেন্দ্রীয় সরকার অঙ্গরাজ্য সরকারের মধ্যে ক্ষমতা ভাগ করা হয়েছে।

) ক্ষমতার বিভাজন

সরকারি ক্ষমতা তিনটি শাখায় বিভক্ত

  • আইনসভা (কংগ্রেস)
  • শাসন বিভাগ (রাষ্ট্রপতি)
  • বিচার বিভাগ (সুপ্রিম কোর্ট)

) নিয়ন্ত্রণ ভারসাম্য (Checks and Balances)

একটি শাখা যেন অতিরিক্ত ক্ষমতাবান না হয়, সে জন্য প্রতিটি শাখার ওপর অন্য শাখার কিছু নিয়ন্ত্রণ রাখা হয়েছে।

) মৌলিক অধিকার

সংবিধানের সংশোধনীগুলোর মাধ্যমে নাগরিকদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে, যেমনবাকস্বাধীনতা, ধর্মীয় স্বাধীনতা ইত্যাদি।


. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টকে কেন সংবিধানের অভিভাবক বলা হয়?

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টকে সংবিধানের অভিভাবক বলা হয় কারণ

  • সুপ্রিম কোর্ট সংবিধানের ব্যাখ্যা প্রদান করে।
  • কোনো আইন বা সরকারি সিদ্ধান্ত সংবিধানবিরোধী হলে তা বাতিল করার ক্ষমতা সুপ্রিম কোর্টের রয়েছে (Judicial Review)
  • কেন্দ্র অঙ্গরাজ্যের মধ্যে ক্ষমতার বিরোধ নিষ্পত্তি করে।
  • নাগরিকদের মৌলিক অধিকার রক্ষা করে।

মতামত

আমার মতে, সুপ্রিম কোর্টকে সংবিধানের অভিভাবক বলা সম্পূর্ণ যুক্তিসংগত। কারণ, এটি সংবিধানের মর্যাদা রক্ষা করে এবং সরকারের অন্য দুই শাখাকে সংবিধানের সীমার মধ্যে রাখে।


. মার্কিন সংবিধানে কি সঠিক নিয়ন্ত্রণ ভারসাম্যের জন্য ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে?

হ্যাঁ, আমি মনে করি মার্কিন সংবিধানে সঠিক নিয়ন্ত্রণ ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

কারণ

  • ক্ষমতা তিনটি শাখার মধ্যে ভাগ করে দেওয়ায় কোনো শাখা এককভাবে স্বৈরাচারী হতে পারে না।
  • ফেডারেল ব্যবস্থার মাধ্যমে কেন্দ্র অঙ্গরাজ্যের মধ্যে ক্ষমতা বিভক্ত করা হয়েছে।
  • এক শাখা অন্য শাখাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, যেমনসুপ্রিম কোর্ট আইনসভা শাসন বিভাগের সিদ্ধান্ত বাতিল করতে পারে।

উপসংহার

ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ মার্কিন গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করেছে এবং একটি কার্যকর নিয়ন্ত্রণ ভারসাম্য ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে।

 

2. ক্ষমতা পৃথকীকরণ নীতি ব্যাখ্যা কর। ইহা কতখানি কাম্য বাস্তবায়নযোগ্য? যুক্তরাজ্য, আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে ইহা কিভাবে বলবৎ করা হয় আলোচনা কর ) মার্কিন সংবিধানের সংশোধনের পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা কর।


. ক্ষমতা পৃথকীকরণ নীতি কী? (Separation of Powers)

ক্ষমতা পৃথকীকরণ নীতি বলতে রাষ্ট্রের শাসনক্ষমতাকে তিনটি স্বতন্ত্র বিভাগে ভাগ করাকে বোঝায়, যথা

  1. আইনসভাআইন প্রণয়ন
  2. শাসন বিভাগআইন বাস্তবায়ন
  3. বিচার বিভাগআইন ব্যাখ্যা বিচার কার্য পরিচালনা

এই নীতির মূল উদ্দেশ্য হলো
 
একক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের হাতে ক্ষমতার কেন্দ্রীভবন রোধ করা
 
স্বৈরশাসন প্রতিরোধ করা
 
নাগরিক স্বাধীনতা রক্ষা করা

এই তত্ত্বের প্রধান প্রবক্তা ছিলেন মঁতেস্কু (Montesquieu)

 

. ক্ষমতা পৃথকীকরণ নীতি কতখানি কাম্য বাস্তবায়নযোগ্য?

() কাম্য কেন?

ক্ষমতা পৃথকীকরণ নীতি অত্যন্ত কাম্য, কারণ

  • ক্ষমতার অপব্যবহার কমে
  • শাসন ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা জবাবদিহিতা বাড়ে
  • গণতন্ত্র সুদৃঢ় হয়
  • নাগরিক অধিকার সুরক্ষিত থাকে

() বাস্তবায়নযোগ্য কতখানি?

সম্পূর্ণভাবে ক্ষমতা পৃথকীকরণ বাস্তবে সম্ভব নয় কারণ

  • আধুনিক রাষ্ট্র পরিচালনায় বিভাগগুলোর মধ্যে সহযোগিতা অপরিহার্য
  • এক বিভাগকে অন্য বিভাগের ওপর কিছু নিয়ন্ত্রণ রাখতে হয়

তাই আধুনিক রাষ্ট্রে কঠোর নয়, বরং আংশিক ক্ষমতা পৃথকীকরণ বাস্তবায়িত হয়, যা “Checks and Balances”-এর মাধ্যমে কার্যকর থাকে।

 

. যুক্তরাজ্য, আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে ক্ষমতা পৃথকীকরণ

) যুক্তরাজ্যে

  • যুক্তরাজ্যে ক্ষমতা পৃথকীকরণ নীতি স্পষ্টভাবে বলবৎ নয়
  • মন্ত্রিসভার সদস্যরা আইনসভার সদস্য
  • লর্ড চ্যান্সেলর একসময় আইনসভা, শাসন বিচারতিন বিভাগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন
    তাই যুক্তরাজ্যে ক্ষমতার সংমিশ্রণ (Fusion of Powers) বিদ্যমান

 

) আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে

  • এখানে ক্ষমতা পৃথকীকরণ নীতি সবচেয়ে কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে
  • রাষ্ট্রপতি আইনসভার সদস্য নন
  • বিচার বিভাগ সম্পূর্ণ স্বাধীন
  • তবে Checks and Balances আছে
    • রাষ্ট্রপতি ভেটো দিতে পারেন
    • কংগ্রেস অভিশংসন করতে পারে
    • সুপ্রিম কোর্ট আইন বাতিল করতে পারে

এটি আদর্শ ক্ষমতা পৃথকীকরণের উৎকৃষ্ট উদাহরণ

 

) বাংলাদেশে

  • সংবিধানে ক্ষমতা পৃথকীকরণের কথা বলা হয়েছে
  • আইনসভা, শাসন বিভাগ বিচার বিভাগ পৃথক
  • ২০০৭ সালের পর বিচার বিভাগ প্রশাসন থেকে আলাদা করা হয়েছে

তবে বাস্তবে

  • শাসন বিভাগের প্রভাব এখনো অনেক ক্ষেত্রে দৃশ্যমান
    তাই বাংলাদেশে আংশিকভাবে ক্ষমতা পৃথকীকরণ কার্যকর

 

. মার্কিন সংবিধানের সংশোধনের পদ্ধতি

মার্কিন সংবিধান একটি কঠোর সংবিধান সংশোধনের পদ্ধতি নিচে দেওয়া হলো

() সংশোধনী প্রস্তাবের উপায়

  1. কংগ্রেসের উভয় কক্ষে / সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে
    অথবা
  2. অঙ্গরাজ্যগুলোর / অংশের অনুরোধে জাতীয় কনভেনশন

() অনুমোদনের উপায়

  • অঙ্গরাজ্যগুলোর / অংশের আইনসভা দ্বারা অনুমোদন
    অথবা
  • / অংশ অঙ্গরাজ্যের বিশেষ কনভেনশন দ্বারা অনুমোদন

👉 এই কঠোর পদ্ধতির কারণে অল্প সংখ্যক সংশোধনী গৃহীত হয়েছে।

উপসংহার

ক্ষমতা পৃথকীকরণ নীতি আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। যদিও এটি সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়নযোগ্য নয়, তবু আংশিক বাস্তবায়নের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশে গণতন্ত্র সংবিধানের ভারসাম্য রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে।

 

3. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুযায়ী বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা বলতে কী বুঝ? তুমি কী মনে কর বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতিকে লঙ্ঘন করে?]

. বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা (Judicial Review) বলতে কী বোঝ?

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুযায়ী বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা বলতে বোঝায়
সুপ্রিম কোর্ট অধস্তন আদালতের সেই ক্ষমতা, যার মাধ্যমে তারা

·         কংগ্রেস প্রণীত কোনো আইন

·         রাষ্ট্রপতির কোনো নির্বাহী আদেশ

·         কেন্দ্র বা অঙ্গরাজ্যের কোনো আইন

 যদি সংবিধানের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, তবে তা সংবিধানবিরোধী ঘোষণা করে বাতিল করতে পারে।

এই ক্ষমতা প্রথম সুস্পষ্টভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় Marbury v. Madison (1803) মামলার মাধ্যমে।

গুরুত্ব

·         সংবিধানের সর্বোচ্চতা রক্ষা করে

·         নাগরিকদের মৌলিক অধিকার সুরক্ষা দেয়

·         সরকারকে সংবিধানের সীমার মধ্যে রাখে

 

. বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা কি ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতিকে লঙ্ঘন করে?

মতামতভিত্তিক আলোচনা

আমার মতে, বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতিকে লঙ্ঘন করে না, বরং তা নীতিটিকে কার্যকর করে তোলে।

যুক্তিসমূহ

) পরিপূরক ভূমিকা পালন করে

·         বিচার বিভাগ আইন প্রণয়ন করে না

·         কেবল সংবিধানের আলোকে আইন যাচাই করে
তাই তারা আইনসভার কাজ দখল করছে না

) Checks and Balances-এর অংশ

·         বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ ভারসাম্য ব্যবস্থার অন্যতম স্তম্ভ

·         এটি ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করে

) নাগরিক অধিকার রক্ষায় সহায়ক

·         আইনসভা বা শাসন বিভাগ ভুল বা স্বেচ্ছাচারী সিদ্ধান্ত নিলে বিচার বিভাগ তা সংশোধন করতে পারে

) সম্পূর্ণ পৃথকীকরণ বাস্তবসম্মত নয়

·         আধুনিক রাষ্ট্রে বিভাগগুলোর মধ্যে কিছু পারস্পরিক নিয়ন্ত্রণ অপরিহার্য

·         বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা এই বাস্তবতার প্রতিফলন

 

. বিপরীত মত (সংক্ষেপে)

কিছু সমালোচকের মতে

·         এটি বিচার বিভাগকে অতিরিক্ত ক্ষমতাবান করে

·         নির্বাচিত আইনসভা -নির্বাচিত বিচারকদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়

তবে এই মতামত গণতান্ত্রিক ভারসাম্যের চেয়ে দুর্বল বলে বিবেচিত।

উপসংহার

বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা ক্ষমতা ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতির পরিপন্থী নয়; বরং এটি সংবিধানের সর্বোচ্চতা, গণতন্ত্র নাগরিক স্বাধীনতা রক্ষার জন্য অপরিহার্য

 

4 () বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা কী?

() মারবারী বনাম মেসিডন মামলায় এটা কীভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়?

() বাংলাদেশ সংবিধান কি বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা স্বীকৃতি দেয়? -

 

() বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা কী?

বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা (Judicial Review) হলো
আদালতের সেই সাংবিধানিক ক্ষমতা, যার মাধ্যমে

·         আইনসভা প্রণীত কোনো আইন

·         শাসন বিভাগের কোনো আদেশ বা কার্যক্রম

 যদি সংবিধানের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, তবে তা সংবিধানবিরোধী ঘোষণা করে বাতিল করা যায়।

এটি সংবিধানের সর্বোচ্চতা রক্ষা নাগরিক অধিকার সুরক্ষার অন্যতম প্রধান উপায়।

 

() মারবারী বনাম মেসিডন (Marbury v. Madison) মামলায় এটি কীভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়?

Marbury v. Madison (১৮০৩) মামলায় মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট প্রথমবারের মতো বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা ক্ষমতা সুস্পষ্টভাবে প্রতিষ্ঠা করে।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ

·         উইলিয়াম মারবারীকে বিচারক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল

·         পরবর্তী সরকার তার নিয়োগপত্র (commission) প্রদান করতে অস্বীকৃতি জানায়

·         মারবারী সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করেন

প্রধান রায়

·         সুপ্রিম কোর্ট ঘোষণা করে যে

o    কংগ্রেস প্রণীত Judiciary Act, 1789এর একটি ধারা সংবিধানের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ

o    তাই ওই ধারা অকার্যকর বাতিল

 এর মাধ্যমে আদালত প্রমাণ করে যে,
সংবিধানবিরোধী আইন বাতিল করার ক্ষমতা আদালতের রয়েছে

 

() বাংলাদেশ সংবিধান কি বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা স্বীকৃতি দেয়?

হ্যাঁ, বাংলাদেশ সংবিধান বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা স্বীকৃতি দেয়।

সাংবিধানিক ভিত্তি

·         সংবিধানের () অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংবিধান সর্বোচ্চ আইন

·         ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগ

o    সংবিধানবিরোধী আইন বা আদেশ বাতিল করতে পারে

o    মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হলে প্রতিকার দিতে পারে

এর ফলে বাংলাদেশে বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা সংবিধানস্বীকৃত কার্যকর

 

উপসংহার

বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের একটি অপরিহার্য উপাদান। যুক্তরাষ্ট্রে Marbury v. Madison মামলার মাধ্যমে এর সূচনা হলেও বাংলাদেশ সংবিধানেও এই ক্ষমতা সুস্পষ্টভাবে স্বীকৃত।

 

No comments

Powered by Blogger.