Header Ads

Header ADS

 

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম (Maxims of Equity) —সংজ্ঞা

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম বলতে সেই সুপ্রতিষ্ঠিত মৌলিক নীতিসমূহকে বোঝায়, যেগুলো ন্যায়পরায়ণ বিচারকার্যে আদালতের জন্য দিকনির্দেশক নিয়ম হিসেবে কাজ করে এবং যেগুলোর আলোকে আদালত ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রদান বা প্রত্যাখ্যান করে।

অন্যভাবে বলা যায়,
ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম হলো ন্যায়, সুবিচার বিবেকভিত্তিক সাধারণ নীতিমালা, যা ন্যায়পরায়ণতার প্রয়োগকে নিয়ন্ত্রিত, সুশৃঙ্খল নির্ভরযোগ্য করে তোলে এবং বিচারিক স্বেচ্ছাচার রোধ করে।

 

সংক্ষিপ্ত সংজ্ঞা

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম হলো ন্যায়পরায়ণতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে আদালত কর্তৃক অনুসৃত মৌলিক দিকনির্দেশক নীতিসমূহ।

 

Maxims of Equity are the fundamental guiding principles on which equitable jurisdiction is exercised.

 

ম্যাক্সিমগুলো ন্যায়পরায়ণতাকে সীমাবদ্ধ করেছে”—সমর্থনের পক্ষে যুক্তি

() বিচারিক স্বেচ্ছাচার রোধ করে

ম্যাক্সিম ছাড়া বিচারক সম্পূর্ণ বিবেকের ওপর নির্ভর করলে বিচার অনিশ্চিত হতো। ম্যাক্সিম ন্যায়পরায়ণতাকে একটি নিয়ন্ত্রিত কাঠামো দিয়েছে।

() আইনের নিশ্চয়তা নিশ্চিত করে

ম্যাক্সিমের কারণে ন্যায়পরায়ণতা নির্দেশনামূলক পূর্বানুমেয় হয়েছে।

() আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখে

ম্যাক্সিম ন্যায়পরায়ণতাকে আইনের অধীন রাখে।


. সমর্থনের বিপক্ষে যুক্তি (আংশিক দ্বিমত)

() অতিরিক্ত কঠোরতা ন্যায়পরায়ণতার উদ্দেশ্য ক্ষুণ্ন করতে পারে

ম্যাক্সিম অত্যন্ত যান্ত্রিকভাবে প্রয়োগ করলে প্রকৃত ন্যায় ব্যাহত হতে পারে।

() ন্যায়পরায়ণতার নমনীয়তা কিছুটা কমে

ন্যায়পরায়ণতা মূলত নমনীয়; ম্যাক্সিম কখনো কখনো সেই নমনীয়তা সীমিত করে।


. মূল্যায়ন নিজস্ব মতামত

আমি আংশিকভাবে সমর্থন করি যে ম্যাক্সিমগুলো ন্যায়পরায়ণতাকে সীমাবদ্ধ করেছে, তবে

  • এই সীমাবদ্ধতা নেতিবাচক নয়, বরং প্রয়োজনীয়
  • এটি ন্যায়পরায়ণতাকে স্বেচ্ছাচার থেকে রক্ষা করেছে
  • ন্যায়পরায়ণতাকে একটি সুসংগঠিত বিচারব্যবস্থায় রূপ দিয়েছে

উপসংহার

সর্বোপরি বলা যায়, ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমসমূহ ন্যায়পরায়ণতাকে সীমিত করলেও তা ন্যায়বিচারের স্বার্থেই। এগুলো ন্যায়পরায়ণতাকে ধ্বংস করেনি; বরং নিয়ন্ত্রিত, নির্ভরযোগ্য কার্যকর করেছে।

 

ম্যাক্সিম  ব্যাখ্যা

 

ন্যায়পরায়ণতার প্রার্থীকে অবশ্যই পরিষ্কার হাতে আসতে হবেএই ম্যাক্সিমটির পরীক্ষায় লেখার উপযোগী ব্যাখ্যা দেওয়া হলো।

 

 ন্যায়পরায়ণতার প্রার্থীকে অবশ্যই পরিষ্কার হয়ে আসতে হবে

ম্যাক্সিমটির অর্থ

এই ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমের অর্থ হলো
যে ব্যক্তি ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রার্থনা করবে, তাকে অবশ্যই সৎ এবং ন্যায়পরায়ণ সদাচরণসম্পন্ন হতে হবে। যে ব্যক্তি নিজেই অন্যায়, প্রতারণা, যে ব্যক্তি অসৎ উদ্দেশ্য বা বেআইনি কাজে লিপ্ত, সে ব্যক্তি ন্যায়পরায়ণতার আশ্রয় নিতে পারে না।


ব্যাখ্যা

ন্যায়পরায়ণতা বিবেকভিত্তিক বিচারব্যবস্থা। আদালত এমন ব্যক্তিকে ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার দেয় না, যে ব্যক্তি নিজেই অন্যায় করেছে। অর্থাৎ, মামলার বিষয়বস্তুর সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো অসৎ আচরণ, প্রতারণা, গোপনীয়তা ভঙ্গ বা অন্যায় কার্য থাকলে আদালত ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রত্যাখ্যান করতে পারে।


ম্যাক্সিমটির উদ্দেশ্যে

  • অসৎ দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে প্রতিকার থেকে বঞ্চিত করা
  • ন্যায়পরায়ণ বিচারব্যবস্থার পবিত্রতা রক্ষা করা
  • ন্যায় সুবিচার নিশ্চিত করা

উদাহরণ

যদি কোনো ব্যক্তি প্রতারণার মাধ্যমে চুক্তি সম্পাদন করে পরে সেই চুক্তির Specific Performance দাবি করে, তাহলে আদালত তার আবেদন প্রত্যাখ্যান করবে; কারণ সে ব্যক্তি পরিষ্কার হাতে আদালতে আসেনি।


সীমাবদ্ধতা

  • অসৎ আচরণটি অবশ্যই মামলার বিষয়বস্তুর সঙ্গে সম্পর্কিত হতে হবে
  • অতীতের সম্পূর্ণ ভিন্ন কোনো অন্যায় কাজ এই ম্যাক্সিমের আওতায় পড়বে না

উপসংহার

অতএব, “ম্যাক্সিমটি ন্যায়পরায়ণতার একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি, যা নিশ্চিত করে যে ন্যায়পরায়ণতা কেবল সৎ ন্যায্য ব্যক্তির পক্ষেই কার্যকর হবে

 

 

ন্যায়পরায়ণতা ব্যক্তি-কেন্দ্রিকভাবে কাজ করে”—ব্যাখ্যা

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমসমূহ মূলত ব্যক্তির আচরণ, সদিচ্ছা বিবেকের ওপর ভিত্তি করে প্রয়োগ করা হয়। ন্যায়পরায়ণতা কোনো কাজ বা বস্তুর চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির আচরণ নৈতিক অবস্থানকে

ফলে বলা যায়, ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমসমূহ ব্যক্তি-কেন্দ্রিকভাবে কাজ করে এবং কেবল সৎ ন্যায্য ব্যক্তিকেই ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রদান করে।

 

ন্যায়পরায়ণতা প্রতিকারবিহীন কোনো অন্যায় সহ্য করে না

 

এই ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমের অর্থ হলোযেখানে কোনো আইনগত অন্যায় সংঘটিত হয়েছে, সেখানে ন্যায়পরায়ণতা অবশ্যই উপযুক্ত প্রতিকার প্রদান করবে, যদিও সাধারণ আইন সেই প্রতিকার দিতে ব্যর্থ হয়।

এই নীতি অনুযায়ী, ন্যায়পরায়ণতা অন্যায়কে উপেক্ষা করে না; বরং ন্যায়, সুবিচার বিবেকের আলোকে প্রতিকার নিশ্চিত করে ফলে সাধারণ আইন যেখানে অপর্যাপ্ত বা নীরব, সেখানে ন্যায়পরায়ণতা কার্যকর হয়।

তবে এই ম্যাক্সিমের অর্থ এই নয় যে প্রতিটি নৈতিক অন্যায়ের জন্য প্রতিকার দেওয়া হবে; বরং কেবল আইনস্বীকৃত অন্যায়ের ক্ষেত্রেই ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রযোজ্য।

 

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম (Maxims of Equity) —সংজ্ঞা

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম বলতে সেই সুপ্রতিষ্ঠিত মৌলিক নীতিসমূহকে বোঝায়, যেগুলো ন্যায়পরায়ণ বিচারকার্যে আদালতের জন্য দিকনির্দেশক নিয়ম হিসেবে কাজ করে এবং যেগুলোর আলোকে আদালত ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রদান বা প্রত্যাখ্যান করে।

অন্যভাবে বলা যায়,
ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম হলো ন্যায়, সুবিচার বিবেকভিত্তিক সাধারণ নীতিমালা, যা ন্যায়পরায়ণতার প্রয়োগকে নিয়ন্ত্রিত, সুশৃঙ্খল নির্ভরযোগ্য করে তোলে এবং বিচারিক স্বেচ্ছাচার রোধ করে।

 

সংক্ষিপ্ত সংজ্ঞা

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম হলো ন্যায়পরায়ণতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে আদালত কর্তৃক অনুসৃত মৌলিক দিকনির্দেশক নীতিসমূহ।

 

Maxims of Equity are the fundamental guiding principles on which equitable jurisdiction is exercised.

 

ম্যাক্সিমগুলো ন্যায়পরায়ণতাকে সীমাবদ্ধ করেছে”—সমর্থনের পক্ষে যুক্তি

() বিচারিক স্বেচ্ছাচার রোধ করে

ম্যাক্সিম ছাড়া বিচারক সম্পূর্ণ বিবেকের ওপর নির্ভর করলে বিচার অনিশ্চিত হতো। ম্যাক্সিম ন্যায়পরায়ণতাকে একটি নিয়ন্ত্রিত কাঠামো দিয়েছে।

() আইনের নিশ্চয়তা নিশ্চিত করে

ম্যাক্সিমের কারণে ন্যায়পরায়ণতা নির্দেশনামূলক পূর্বানুমেয় হয়েছে।

() আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখে

ম্যাক্সিম ন্যায়পরায়ণতাকে আইনের অধীন রাখে।


. সমর্থনের বিপক্ষে যুক্তি (আংশিক দ্বিমত)

() অতিরিক্ত কঠোরতা ন্যায়পরায়ণতার উদ্দেশ্য ক্ষুণ্ন করতে পারে

ম্যাক্সিম অত্যন্ত যান্ত্রিকভাবে প্রয়োগ করলে প্রকৃত ন্যায় ব্যাহত হতে পারে।

() ন্যায়পরায়ণতার নমনীয়তা কিছুটা কমে

ন্যায়পরায়ণতা মূলত নমনীয়; ম্যাক্সিম কখনো কখনো সেই নমনীয়তা সীমিত করে।


. মূল্যায়ন নিজস্ব মতামত

আমি আংশিকভাবে সমর্থন করি যে ম্যাক্সিমগুলো ন্যায়পরায়ণতাকে সীমাবদ্ধ করেছে, তবে

  • এই সীমাবদ্ধতা নেতিবাচক নয়, বরং প্রয়োজনীয়
  • এটি ন্যায়পরায়ণতাকে স্বেচ্ছাচার থেকে রক্ষা করেছে
  • ন্যায়পরায়ণতাকে একটি সুসংগঠিত বিচারব্যবস্থায় রূপ দিয়েছে

উপসংহার

সর্বোপরি বলা যায়, ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমসমূহ ন্যায়পরায়ণতাকে সীমিত করলেও তা ন্যায়বিচারের স্বার্থেই। এগুলো ন্যায়পরায়ণতাকে ধ্বংস করেনি; বরং নিয়ন্ত্রিত, নির্ভরযোগ্য কার্যকর করেছে।

 

ম্যাক্সিম  ব্যাখ্যা

 

ন্যায়পরায়ণতার প্রার্থীকে অবশ্যই পরিষ্কার হাতে আসতে হবেএই ম্যাক্সিমটির পরীক্ষায় লেখার উপযোগী ব্যাখ্যা দেওয়া হলো।

 

 ন্যায়পরায়ণতার প্রার্থীকে অবশ্যই পরিষ্কার হয়ে আসতে হবে

ম্যাক্সিমটির অর্থ

এই ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমের অর্থ হলো
যে ব্যক্তি ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রার্থনা করবে, তাকে অবশ্যই সৎ এবং ন্যায়পরায়ণ সদাচরণসম্পন্ন হতে হবে। যে ব্যক্তি নিজেই অন্যায়, প্রতারণা, যে ব্যক্তি অসৎ উদ্দেশ্য বা বেআইনি কাজে লিপ্ত, সে ব্যক্তি ন্যায়পরায়ণতার আশ্রয় নিতে পারে না।


ব্যাখ্যা

ন্যায়পরায়ণতা বিবেকভিত্তিক বিচারব্যবস্থা। আদালত এমন ব্যক্তিকে ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার দেয় না, যে ব্যক্তি নিজেই অন্যায় করেছে। অর্থাৎ, মামলার বিষয়বস্তুর সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো অসৎ আচরণ, প্রতারণা, গোপনীয়তা ভঙ্গ বা অন্যায় কার্য থাকলে আদালত ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রত্যাখ্যান করতে পারে।


ম্যাক্সিমটির উদ্দেশ্যে

  • অসৎ দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে প্রতিকার থেকে বঞ্চিত করা
  • ন্যায়পরায়ণ বিচারব্যবস্থার পবিত্রতা রক্ষা করা
  • ন্যায় সুবিচার নিশ্চিত করা

উদাহরণ

যদি কোনো ব্যক্তি প্রতারণার মাধ্যমে চুক্তি সম্পাদন করে পরে সেই চুক্তির Specific Performance দাবি করে, তাহলে আদালত তার আবেদন প্রত্যাখ্যান করবে; কারণ সে ব্যক্তি পরিষ্কার হাতে আদালতে আসেনি।


সীমাবদ্ধতা

  • অসৎ আচরণটি অবশ্যই মামলার বিষয়বস্তুর সঙ্গে সম্পর্কিত হতে হবে
  • অতীতের সম্পূর্ণ ভিন্ন কোনো অন্যায় কাজ এই ম্যাক্সিমের আওতায় পড়বে না

উপসংহার

অতএব, “ম্যাক্সিমটি ন্যায়পরায়ণতার একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি, যা নিশ্চিত করে যে ন্যায়পরায়ণতা কেবল সৎ ন্যায্য ব্যক্তির পক্ষেই কার্যকর হবে

 

 

ন্যায়পরায়ণতা ব্যক্তি-কেন্দ্রিকভাবে কাজ করে”—ব্যাখ্যা

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমসমূহ মূলত ব্যক্তির আচরণ, সদিচ্ছা বিবেকের ওপর ভিত্তি করে প্রয়োগ করা হয়। ন্যায়পরায়ণতা কোনো কাজ বা বস্তুর চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির আচরণ নৈতিক অবস্থানকে

ফলে বলা যায়, ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমসমূহ ব্যক্তি-কেন্দ্রিকভাবে কাজ করে এবং কেবল সৎ ন্যায্য ব্যক্তিকেই ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রদান করে।

 

ন্যায়পরায়ণতা প্রতিকারবিহীন কোনো অন্যায় সহ্য করে না

 

এই ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমের অর্থ হলোযেখানে কোনো আইনগত অন্যায় সংঘটিত হয়েছে, সেখানে ন্যায়পরায়ণতা অবশ্যই উপযুক্ত প্রতিকার প্রদান করবে, যদিও সাধারণ আইন সেই প্রতিকার দিতে ব্যর্থ হয়।

এই নীতি অনুযায়ী, ন্যায়পরায়ণতা অন্যায়কে উপেক্ষা করে না; বরং ন্যায়, সুবিচার বিবেকের আলোকে প্রতিকার নিশ্চিত করে ফলে সাধারণ আইন যেখানে অপর্যাপ্ত বা নীরব, সেখানে ন্যায়পরায়ণতা কার্যকর হয়।

তবে এই ম্যাক্সিমের অর্থ এই নয় যে প্রতিটি নৈতিক অন্যায়ের জন্য প্রতিকার দেওয়া হবে; বরং কেবল আইনস্বীকৃত অন্যায়ের ক্ষেত্রেই ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রযোজ্য।

 

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম (Maxims of Equity) —সংজ্ঞা

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম বলতে সেই সুপ্রতিষ্ঠিত মৌলিক নীতিসমূহকে বোঝায়, যেগুলো ন্যায়পরায়ণ বিচারকার্যে আদালতের জন্য দিকনির্দেশক নিয়ম হিসেবে কাজ করে এবং যেগুলোর আলোকে আদালত ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রদান বা প্রত্যাখ্যান করে।

অন্যভাবে বলা যায়,
ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম হলো ন্যায়, সুবিচার বিবেকভিত্তিক সাধারণ নীতিমালা, যা ন্যায়পরায়ণতার প্রয়োগকে নিয়ন্ত্রিত, সুশৃঙ্খল নির্ভরযোগ্য করে তোলে এবং বিচারিক স্বেচ্ছাচার রোধ করে।

 

সংক্ষিপ্ত সংজ্ঞা

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম হলো ন্যায়পরায়ণতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে আদালত কর্তৃক অনুসৃত মৌলিক দিকনির্দেশক নীতিসমূহ।

 

Maxims of Equity are the fundamental guiding principles on which equitable jurisdiction is exercised.

 

ম্যাক্সিমগুলো ন্যায়পরায়ণতাকে সীমাবদ্ধ করেছে”—সমর্থনের পক্ষে যুক্তি

() বিচারিক স্বেচ্ছাচার রোধ করে

ম্যাক্সিম ছাড়া বিচারক সম্পূর্ণ বিবেকের ওপর নির্ভর করলে বিচার অনিশ্চিত হতো। ম্যাক্সিম ন্যায়পরায়ণতাকে একটি নিয়ন্ত্রিত কাঠামো দিয়েছে।

() আইনের নিশ্চয়তা নিশ্চিত করে

ম্যাক্সিমের কারণে ন্যায়পরায়ণতা নির্দেশনামূলক পূর্বানুমেয় হয়েছে।

() আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখে

ম্যাক্সিম ন্যায়পরায়ণতাকে আইনের অধীন রাখে।


. সমর্থনের বিপক্ষে যুক্তি (আংশিক দ্বিমত)

() অতিরিক্ত কঠোরতা ন্যায়পরায়ণতার উদ্দেশ্য ক্ষুণ্ন করতে পারে

ম্যাক্সিম অত্যন্ত যান্ত্রিকভাবে প্রয়োগ করলে প্রকৃত ন্যায় ব্যাহত হতে পারে।

() ন্যায়পরায়ণতার নমনীয়তা কিছুটা কমে

ন্যায়পরায়ণতা মূলত নমনীয়; ম্যাক্সিম কখনো কখনো সেই নমনীয়তা সীমিত করে।


. মূল্যায়ন নিজস্ব মতামত

আমি আংশিকভাবে সমর্থন করি যে ম্যাক্সিমগুলো ন্যায়পরায়ণতাকে সীমাবদ্ধ করেছে, তবে

  • এই সীমাবদ্ধতা নেতিবাচক নয়, বরং প্রয়োজনীয়
  • এটি ন্যায়পরায়ণতাকে স্বেচ্ছাচার থেকে রক্ষা করেছে
  • ন্যায়পরায়ণতাকে একটি সুসংগঠিত বিচারব্যবস্থায় রূপ দিয়েছে

উপসংহার

সর্বোপরি বলা যায়, ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমসমূহ ন্যায়পরায়ণতাকে সীমিত করলেও তা ন্যায়বিচারের স্বার্থেই। এগুলো ন্যায়পরায়ণতাকে ধ্বংস করেনি; বরং নিয়ন্ত্রিত, নির্ভরযোগ্য কার্যকর করেছে।

 

ম্যাক্সিম  ব্যাখ্যা

 

ন্যায়পরায়ণতার প্রার্থীকে অবশ্যই পরিষ্কার হাতে আসতে হবেএই ম্যাক্সিমটির পরীক্ষায় লেখার উপযোগী ব্যাখ্যা দেওয়া হলো।

 

 ন্যায়পরায়ণতার প্রার্থীকে অবশ্যই পরিষ্কার হয়ে আসতে হবে

ম্যাক্সিমটির অর্থ

এই ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমের অর্থ হলো
যে ব্যক্তি ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রার্থনা করবে, তাকে অবশ্যই সৎ এবং ন্যায়পরায়ণ সদাচরণসম্পন্ন হতে হবে। যে ব্যক্তি নিজেই অন্যায়, প্রতারণা, যে ব্যক্তি অসৎ উদ্দেশ্য বা বেআইনি কাজে লিপ্ত, সে ব্যক্তি ন্যায়পরায়ণতার আশ্রয় নিতে পারে না।


ব্যাখ্যা

ন্যায়পরায়ণতা বিবেকভিত্তিক বিচারব্যবস্থা। আদালত এমন ব্যক্তিকে ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার দেয় না, যে ব্যক্তি নিজেই অন্যায় করেছে। অর্থাৎ, মামলার বিষয়বস্তুর সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো অসৎ আচরণ, প্রতারণা, গোপনীয়তা ভঙ্গ বা অন্যায় কার্য থাকলে আদালত ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রত্যাখ্যান করতে পারে।


ম্যাক্সিমটির উদ্দেশ্যে

  • অসৎ দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে প্রতিকার থেকে বঞ্চিত করা
  • ন্যায়পরায়ণ বিচারব্যবস্থার পবিত্রতা রক্ষা করা
  • ন্যায় সুবিচার নিশ্চিত করা

উদাহরণ

যদি কোনো ব্যক্তি প্রতারণার মাধ্যমে চুক্তি সম্পাদন করে পরে সেই চুক্তির Specific Performance দাবি করে, তাহলে আদালত তার আবেদন প্রত্যাখ্যান করবে; কারণ সে ব্যক্তি পরিষ্কার হাতে আদালতে আসেনি।


সীমাবদ্ধতা

  • অসৎ আচরণটি অবশ্যই মামলার বিষয়বস্তুর সঙ্গে সম্পর্কিত হতে হবে
  • অতীতের সম্পূর্ণ ভিন্ন কোনো অন্যায় কাজ এই ম্যাক্সিমের আওতায় পড়বে না

উপসংহার

অতএব, “ম্যাক্সিমটি ন্যায়পরায়ণতার একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি, যা নিশ্চিত করে যে ন্যায়পরায়ণতা কেবল সৎ ন্যায্য ব্যক্তির পক্ষেই কার্যকর হবে

 

 

ন্যায়পরায়ণতা ব্যক্তি-কেন্দ্রিকভাবে কাজ করে”—ব্যাখ্যা

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমসমূহ মূলত ব্যক্তির আচরণ, সদিচ্ছা বিবেকের ওপর ভিত্তি করে প্রয়োগ করা হয়। ন্যায়পরায়ণতা কোনো কাজ বা বস্তুর চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির আচরণ নৈতিক অবস্থানকে

ফলে বলা যায়, ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমসমূহ ব্যক্তি-কেন্দ্রিকভাবে কাজ করে এবং কেবল সৎ ন্যায্য ব্যক্তিকেই ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রদান করে।

 

ন্যায়পরায়ণতা প্রতিকারবিহীন কোনো অন্যায় সহ্য করে না

 

এই ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমের অর্থ হলোযেখানে কোনো আইনগত অন্যায় সংঘটিত হয়েছে, সেখানে ন্যায়পরায়ণতা অবশ্যই উপযুক্ত প্রতিকার প্রদান করবে, যদিও সাধারণ আইন সেই প্রতিকার দিতে ব্যর্থ হয়।

এই নীতি অনুযায়ী, ন্যায়পরায়ণতা অন্যায়কে উপেক্ষা করে না; বরং ন্যায়, সুবিচার বিবেকের আলোকে প্রতিকার নিশ্চিত করে ফলে সাধারণ আইন যেখানে অপর্যাপ্ত বা নীরব, সেখানে ন্যায়পরায়ণতা কার্যকর হয়।

তবে এই ম্যাক্সিমের অর্থ এই নয় যে প্রতিটি নৈতিক অন্যায়ের জন্য প্রতিকার দেওয়া হবে; বরং কেবল আইনস্বীকৃত অন্যায়ের ক্ষেত্রেই ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রযোজ্য।

 

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম (Maxims of Equity) —সংজ্ঞা

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম বলতে সেই সুপ্রতিষ্ঠিত মৌলিক নীতিসমূহকে বোঝায়, যেগুলো ন্যায়পরায়ণ বিচারকার্যে আদালতের জন্য দিকনির্দেশক নিয়ম হিসেবে কাজ করে এবং যেগুলোর আলোকে আদালত ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রদান বা প্রত্যাখ্যান করে।

অন্যভাবে বলা যায়,
ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম হলো ন্যায়, সুবিচার বিবেকভিত্তিক সাধারণ নীতিমালা, যা ন্যায়পরায়ণতার প্রয়োগকে নিয়ন্ত্রিত, সুশৃঙ্খল নির্ভরযোগ্য করে তোলে এবং বিচারিক স্বেচ্ছাচার রোধ করে।

 

সংক্ষিপ্ত সংজ্ঞা

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম হলো ন্যায়পরায়ণতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে আদালত কর্তৃক অনুসৃত মৌলিক দিকনির্দেশক নীতিসমূহ।

 

Maxims of Equity are the fundamental guiding principles on which equitable jurisdiction is exercised.

 

ম্যাক্সিমগুলো ন্যায়পরায়ণতাকে সীমাবদ্ধ করেছে”—সমর্থনের পক্ষে যুক্তি

() বিচারিক স্বেচ্ছাচার রোধ করে

ম্যাক্সিম ছাড়া বিচারক সম্পূর্ণ বিবেকের ওপর নির্ভর করলে বিচার অনিশ্চিত হতো। ম্যাক্সিম ন্যায়পরায়ণতাকে একটি নিয়ন্ত্রিত কাঠামো দিয়েছে।

() আইনের নিশ্চয়তা নিশ্চিত করে

ম্যাক্সিমের কারণে ন্যায়পরায়ণতা নির্দেশনামূলক পূর্বানুমেয় হয়েছে।

() আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখে

ম্যাক্সিম ন্যায়পরায়ণতাকে আইনের অধীন রাখে।


. সমর্থনের বিপক্ষে যুক্তি (আংশিক দ্বিমত)

() অতিরিক্ত কঠোরতা ন্যায়পরায়ণতার উদ্দেশ্য ক্ষুণ্ন করতে পারে

ম্যাক্সিম অত্যন্ত যান্ত্রিকভাবে প্রয়োগ করলে প্রকৃত ন্যায় ব্যাহত হতে পারে।

() ন্যায়পরায়ণতার নমনীয়তা কিছুটা কমে

ন্যায়পরায়ণতা মূলত নমনীয়; ম্যাক্সিম কখনো কখনো সেই নমনীয়তা সীমিত করে।


. মূল্যায়ন নিজস্ব মতামত

আমি আংশিকভাবে সমর্থন করি যে ম্যাক্সিমগুলো ন্যায়পরায়ণতাকে সীমাবদ্ধ করেছে, তবে

  • এই সীমাবদ্ধতা নেতিবাচক নয়, বরং প্রয়োজনীয়
  • এটি ন্যায়পরায়ণতাকে স্বেচ্ছাচার থেকে রক্ষা করেছে
  • ন্যায়পরায়ণতাকে একটি সুসংগঠিত বিচারব্যবস্থায় রূপ দিয়েছে

উপসংহার

সর্বোপরি বলা যায়, ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমসমূহ ন্যায়পরায়ণতাকে সীমিত করলেও তা ন্যায়বিচারের স্বার্থেই। এগুলো ন্যায়পরায়ণতাকে ধ্বংস করেনি; বরং নিয়ন্ত্রিত, নির্ভরযোগ্য কার্যকর করেছে।

 

ম্যাক্সিম  ব্যাখ্যা

 

ন্যায়পরায়ণতার প্রার্থীকে অবশ্যই পরিষ্কার হাতে আসতে হবেএই ম্যাক্সিমটির পরীক্ষায় লেখার উপযোগী ব্যাখ্যা দেওয়া হলো।

 

 ন্যায়পরায়ণতার প্রার্থীকে অবশ্যই পরিষ্কার হয়ে আসতে হবে

ম্যাক্সিমটির অর্থ

এই ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমের অর্থ হলো
যে ব্যক্তি ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রার্থনা করবে, তাকে অবশ্যই সৎ এবং ন্যায়পরায়ণ সদাচরণসম্পন্ন হতে হবে। যে ব্যক্তি নিজেই অন্যায়, প্রতারণা, যে ব্যক্তি অসৎ উদ্দেশ্য বা বেআইনি কাজে লিপ্ত, সে ব্যক্তি ন্যায়পরায়ণতার আশ্রয় নিতে পারে না।


ব্যাখ্যা

ন্যায়পরায়ণতা বিবেকভিত্তিক বিচারব্যবস্থা। আদালত এমন ব্যক্তিকে ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার দেয় না, যে ব্যক্তি নিজেই অন্যায় করেছে। অর্থাৎ, মামলার বিষয়বস্তুর সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো অসৎ আচরণ, প্রতারণা, গোপনীয়তা ভঙ্গ বা অন্যায় কার্য থাকলে আদালত ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রত্যাখ্যান করতে পারে।


ম্যাক্সিমটির উদ্দেশ্যে

  • অসৎ দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে প্রতিকার থেকে বঞ্চিত করা
  • ন্যায়পরায়ণ বিচারব্যবস্থার পবিত্রতা রক্ষা করা
  • ন্যায় সুবিচার নিশ্চিত করা

উদাহরণ

যদি কোনো ব্যক্তি প্রতারণার মাধ্যমে চুক্তি সম্পাদন করে পরে সেই চুক্তির Specific Performance দাবি করে, তাহলে আদালত তার আবেদন প্রত্যাখ্যান করবে; কারণ সে ব্যক্তি পরিষ্কার হাতে আদালতে আসেনি।


সীমাবদ্ধতা

  • অসৎ আচরণটি অবশ্যই মামলার বিষয়বস্তুর সঙ্গে সম্পর্কিত হতে হবে
  • অতীতের সম্পূর্ণ ভিন্ন কোনো অন্যায় কাজ এই ম্যাক্সিমের আওতায় পড়বে না

উপসংহার

অতএব, “ম্যাক্সিমটি ন্যায়পরায়ণতার একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি, যা নিশ্চিত করে যে ন্যায়পরায়ণতা কেবল সৎ ন্যায্য ব্যক্তির পক্ষেই কার্যকর হবে

 

 

ন্যায়পরায়ণতা ব্যক্তি-কেন্দ্রিকভাবে কাজ করে”—ব্যাখ্যা

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমসমূহ মূলত ব্যক্তির আচরণ, সদিচ্ছা বিবেকের ওপর ভিত্তি করে প্রয়োগ করা হয়। ন্যায়পরায়ণতা কোনো কাজ বা বস্তুর চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির আচরণ নৈতিক অবস্থানকে

ফলে বলা যায়, ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমসমূহ ব্যক্তি-কেন্দ্রিকভাবে কাজ করে এবং কেবল সৎ ন্যায্য ব্যক্তিকেই ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রদান করে।

 

ন্যায়পরায়ণতা প্রতিকারবিহীন কোনো অন্যায় সহ্য করে না

 

এই ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমের অর্থ হলোযেখানে কোনো আইনগত অন্যায় সংঘটিত হয়েছে, সেখানে ন্যায়পরায়ণতা অবশ্যই উপযুক্ত প্রতিকার প্রদান করবে, যদিও সাধারণ আইন সেই প্রতিকার দিতে ব্যর্থ হয়।

এই নীতি অনুযায়ী, ন্যায়পরায়ণতা অন্যায়কে উপেক্ষা করে না; বরং ন্যায়, সুবিচার বিবেকের আলোকে প্রতিকার নিশ্চিত করে ফলে সাধারণ আইন যেখানে অপর্যাপ্ত বা নীরব, সেখানে ন্যায়পরায়ণতা কার্যকর হয়।

তবে এই ম্যাক্সিমের অর্থ এই নয় যে প্রতিটি নৈতিক অন্যায়ের জন্য প্রতিকার দেওয়া হবে; বরং কেবল আইনস্বীকৃত অন্যায়ের ক্ষেত্রেই ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রযোজ্য।

 

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম (Maxims of Equity) —সংজ্ঞা

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম বলতে সেই সুপ্রতিষ্ঠিত মৌলিক নীতিসমূহকে বোঝায়, যেগুলো ন্যায়পরায়ণ বিচারকার্যে আদালতের জন্য দিকনির্দেশক নিয়ম হিসেবে কাজ করে এবং যেগুলোর আলোকে আদালত ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রদান বা প্রত্যাখ্যান করে।

অন্যভাবে বলা যায়,
ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম হলো ন্যায়, সুবিচার বিবেকভিত্তিক সাধারণ নীতিমালা, যা ন্যায়পরায়ণতার প্রয়োগকে নিয়ন্ত্রিত, সুশৃঙ্খল নির্ভরযোগ্য করে তোলে এবং বিচারিক স্বেচ্ছাচার রোধ করে।

 

সংক্ষিপ্ত সংজ্ঞা

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম হলো ন্যায়পরায়ণতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে আদালত কর্তৃক অনুসৃত মৌলিক দিকনির্দেশক নীতিসমূহ।

 

Maxims of Equity are the fundamental guiding principles on which equitable jurisdiction is exercised.

 

ম্যাক্সিমগুলো ন্যায়পরায়ণতাকে সীমাবদ্ধ করেছে”—সমর্থনের পক্ষে যুক্তি

() বিচারিক স্বেচ্ছাচার রোধ করে

ম্যাক্সিম ছাড়া বিচারক সম্পূর্ণ বিবেকের ওপর নির্ভর করলে বিচার অনিশ্চিত হতো। ম্যাক্সিম ন্যায়পরায়ণতাকে একটি নিয়ন্ত্রিত কাঠামো দিয়েছে।

() আইনের নিশ্চয়তা নিশ্চিত করে

ম্যাক্সিমের কারণে ন্যায়পরায়ণতা নির্দেশনামূলক পূর্বানুমেয় হয়েছে।

() আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখে

ম্যাক্সিম ন্যায়পরায়ণতাকে আইনের অধীন রাখে।


. সমর্থনের বিপক্ষে যুক্তি (আংশিক দ্বিমত)

() অতিরিক্ত কঠোরতা ন্যায়পরায়ণতার উদ্দেশ্য ক্ষুণ্ন করতে পারে

ম্যাক্সিম অত্যন্ত যান্ত্রিকভাবে প্রয়োগ করলে প্রকৃত ন্যায় ব্যাহত হতে পারে।

() ন্যায়পরায়ণতার নমনীয়তা কিছুটা কমে

ন্যায়পরায়ণতা মূলত নমনীয়; ম্যাক্সিম কখনো কখনো সেই নমনীয়তা সীমিত করে।


. মূল্যায়ন নিজস্ব মতামত

আমি আংশিকভাবে সমর্থন করি যে ম্যাক্সিমগুলো ন্যায়পরায়ণতাকে সীমাবদ্ধ করেছে, তবে

  • এই সীমাবদ্ধতা নেতিবাচক নয়, বরং প্রয়োজনীয়
  • এটি ন্যায়পরায়ণতাকে স্বেচ্ছাচার থেকে রক্ষা করেছে
  • ন্যায়পরায়ণতাকে একটি সুসংগঠিত বিচারব্যবস্থায় রূপ দিয়েছে

উপসংহার

সর্বোপরি বলা যায়, ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমসমূহ ন্যায়পরায়ণতাকে সীমিত করলেও তা ন্যায়বিচারের স্বার্থেই। এগুলো ন্যায়পরায়ণতাকে ধ্বংস করেনি; বরং নিয়ন্ত্রিত, নির্ভরযোগ্য কার্যকর করেছে।

 

ম্যাক্সিম  ব্যাখ্যা

 

ন্যায়পরায়ণতার প্রার্থীকে অবশ্যই পরিষ্কার হাতে আসতে হবেএই ম্যাক্সিমটির পরীক্ষায় লেখার উপযোগী ব্যাখ্যা দেওয়া হলো।

 

 ন্যায়পরায়ণতার প্রার্থীকে অবশ্যই পরিষ্কার হয়ে আসতে হবে

ম্যাক্সিমটির অর্থ

এই ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমের অর্থ হলো
যে ব্যক্তি ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রার্থনা করবে, তাকে অবশ্যই সৎ এবং ন্যায়পরায়ণ সদাচরণসম্পন্ন হতে হবে। যে ব্যক্তি নিজেই অন্যায়, প্রতারণা, যে ব্যক্তি অসৎ উদ্দেশ্য বা বেআইনি কাজে লিপ্ত, সে ব্যক্তি ন্যায়পরায়ণতার আশ্রয় নিতে পারে না।


ব্যাখ্যা

ন্যায়পরায়ণতা বিবেকভিত্তিক বিচারব্যবস্থা। আদালত এমন ব্যক্তিকে ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার দেয় না, যে ব্যক্তি নিজেই অন্যায় করেছে। অর্থাৎ, মামলার বিষয়বস্তুর সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো অসৎ আচরণ, প্রতারণা, গোপনীয়তা ভঙ্গ বা অন্যায় কার্য থাকলে আদালত ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রত্যাখ্যান করতে পারে।


ম্যাক্সিমটির উদ্দেশ্যে

  • অসৎ দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে প্রতিকার থেকে বঞ্চিত করা
  • ন্যায়পরায়ণ বিচারব্যবস্থার পবিত্রতা রক্ষা করা
  • ন্যায় সুবিচার নিশ্চিত করা

উদাহরণ

যদি কোনো ব্যক্তি প্রতারণার মাধ্যমে চুক্তি সম্পাদন করে পরে সেই চুক্তির Specific Performance দাবি করে, তাহলে আদালত তার আবেদন প্রত্যাখ্যান করবে; কারণ সে ব্যক্তি পরিষ্কার হাতে আদালতে আসেনি।


সীমাবদ্ধতা

  • অসৎ আচরণটি অবশ্যই মামলার বিষয়বস্তুর সঙ্গে সম্পর্কিত হতে হবে
  • অতীতের সম্পূর্ণ ভিন্ন কোনো অন্যায় কাজ এই ম্যাক্সিমের আওতায় পড়বে না

উপসংহার

অতএব, “ম্যাক্সিমটি ন্যায়পরায়ণতার একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি, যা নিশ্চিত করে যে ন্যায়পরায়ণতা কেবল সৎ ন্যায্য ব্যক্তির পক্ষেই কার্যকর হবে

 

 

ন্যায়পরায়ণতা ব্যক্তি-কেন্দ্রিকভাবে কাজ করে”—ব্যাখ্যা

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমসমূহ মূলত ব্যক্তির আচরণ, সদিচ্ছা বিবেকের ওপর ভিত্তি করে প্রয়োগ করা হয়। ন্যায়পরায়ণতা কোনো কাজ বা বস্তুর চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির আচরণ নৈতিক অবস্থানকে

ফলে বলা যায়, ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমসমূহ ব্যক্তি-কেন্দ্রিকভাবে কাজ করে এবং কেবল সৎ ন্যায্য ব্যক্তিকেই ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রদান করে।

 

ন্যায়পরায়ণতা প্রতিকারবিহীন কোনো অন্যায় সহ্য করে না

 

এই ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমের অর্থ হলোযেখানে কোনো আইনগত অন্যায় সংঘটিত হয়েছে, সেখানে ন্যায়পরায়ণতা অবশ্যই উপযুক্ত প্রতিকার প্রদান করবে, যদিও সাধারণ আইন সেই প্রতিকার দিতে ব্যর্থ হয়।

এই নীতি অনুযায়ী, ন্যায়পরায়ণতা অন্যায়কে উপেক্ষা করে না; বরং ন্যায়, সুবিচার বিবেকের আলোকে প্রতিকার নিশ্চিত করে ফলে সাধারণ আইন যেখানে অপর্যাপ্ত বা নীরব, সেখানে ন্যায়পরায়ণতা কার্যকর হয়।

তবে এই ম্যাক্সিমের অর্থ এই নয় যে প্রতিটি নৈতিক অন্যায়ের জন্য প্রতিকার দেওয়া হবে; বরং কেবল আইনস্বীকৃত অন্যায়ের ক্ষেত্রেই ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রযোজ্য।

 

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম (Maxims of Equity) —সংজ্ঞা

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম বলতে সেই সুপ্রতিষ্ঠিত মৌলিক নীতিসমূহকে বোঝায়, যেগুলো ন্যায়পরায়ণ বিচারকার্যে আদালতের জন্য দিকনির্দেশক নিয়ম হিসেবে কাজ করে এবং যেগুলোর আলোকে আদালত ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রদান বা প্রত্যাখ্যান করে।

অন্যভাবে বলা যায়,
ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম হলো ন্যায়, সুবিচার বিবেকভিত্তিক সাধারণ নীতিমালা, যা ন্যায়পরায়ণতার প্রয়োগকে নিয়ন্ত্রিত, সুশৃঙ্খল নির্ভরযোগ্য করে তোলে এবং বিচারিক স্বেচ্ছাচার রোধ করে।

 

সংক্ষিপ্ত সংজ্ঞা

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম হলো ন্যায়পরায়ণতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে আদালত কর্তৃক অনুসৃত মৌলিক দিকনির্দেশক নীতিসমূহ।

 

Maxims of Equity are the fundamental guiding principles on which equitable jurisdiction is exercised.

 

ম্যাক্সিমগুলো ন্যায়পরায়ণতাকে সীমাবদ্ধ করেছে”—সমর্থনের পক্ষে যুক্তি

() বিচারিক স্বেচ্ছাচার রোধ করে

ম্যাক্সিম ছাড়া বিচারক সম্পূর্ণ বিবেকের ওপর নির্ভর করলে বিচার অনিশ্চিত হতো। ম্যাক্সিম ন্যায়পরায়ণতাকে একটি নিয়ন্ত্রিত কাঠামো দিয়েছে।

() আইনের নিশ্চয়তা নিশ্চিত করে

ম্যাক্সিমের কারণে ন্যায়পরায়ণতা নির্দেশনামূলক পূর্বানুমেয় হয়েছে।

() আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখে

ম্যাক্সিম ন্যায়পরায়ণতাকে আইনের অধীন রাখে।


. সমর্থনের বিপক্ষে যুক্তি (আংশিক দ্বিমত)

() অতিরিক্ত কঠোরতা ন্যায়পরায়ণতার উদ্দেশ্য ক্ষুণ্ন করতে পারে

ম্যাক্সিম অত্যন্ত যান্ত্রিকভাবে প্রয়োগ করলে প্রকৃত ন্যায় ব্যাহত হতে পারে।

() ন্যায়পরায়ণতার নমনীয়তা কিছুটা কমে

ন্যায়পরায়ণতা মূলত নমনীয়; ম্যাক্সিম কখনো কখনো সেই নমনীয়তা সীমিত করে।


. মূল্যায়ন নিজস্ব মতামত

আমি আংশিকভাবে সমর্থন করি যে ম্যাক্সিমগুলো ন্যায়পরায়ণতাকে সীমাবদ্ধ করেছে, তবে

  • এই সীমাবদ্ধতা নেতিবাচক নয়, বরং প্রয়োজনীয়
  • এটি ন্যায়পরায়ণতাকে স্বেচ্ছাচার থেকে রক্ষা করেছে
  • ন্যায়পরায়ণতাকে একটি সুসংগঠিত বিচারব্যবস্থায় রূপ দিয়েছে

উপসংহার

সর্বোপরি বলা যায়, ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমসমূহ ন্যায়পরায়ণতাকে সীমিত করলেও তা ন্যায়বিচারের স্বার্থেই। এগুলো ন্যায়পরায়ণতাকে ধ্বংস করেনি; বরং নিয়ন্ত্রিত, নির্ভরযোগ্য কার্যকর করেছে।

 

ম্যাক্সিম  ব্যাখ্যা

 

ন্যায়পরায়ণতার প্রার্থীকে অবশ্যই পরিষ্কার হাতে আসতে হবেএই ম্যাক্সিমটির পরীক্ষায় লেখার উপযোগী ব্যাখ্যা দেওয়া হলো।

 

 ন্যায়পরায়ণতার প্রার্থীকে অবশ্যই পরিষ্কার হয়ে আসতে হবে

ম্যাক্সিমটির অর্থ

এই ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমের অর্থ হলো
যে ব্যক্তি ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রার্থনা করবে, তাকে অবশ্যই সৎ এবং ন্যায়পরায়ণ সদাচরণসম্পন্ন হতে হবে। যে ব্যক্তি নিজেই অন্যায়, প্রতারণা, যে ব্যক্তি অসৎ উদ্দেশ্য বা বেআইনি কাজে লিপ্ত, সে ব্যক্তি ন্যায়পরায়ণতার আশ্রয় নিতে পারে না।


ব্যাখ্যা

ন্যায়পরায়ণতা বিবেকভিত্তিক বিচারব্যবস্থা। আদালত এমন ব্যক্তিকে ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার দেয় না, যে ব্যক্তি নিজেই অন্যায় করেছে। অর্থাৎ, মামলার বিষয়বস্তুর সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো অসৎ আচরণ, প্রতারণা, গোপনীয়তা ভঙ্গ বা অন্যায় কার্য থাকলে আদালত ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রত্যাখ্যান করতে পারে।


ম্যাক্সিমটির উদ্দেশ্যে

  • অসৎ দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে প্রতিকার থেকে বঞ্চিত করা
  • ন্যায়পরায়ণ বিচারব্যবস্থার পবিত্রতা রক্ষা করা
  • ন্যায় সুবিচার নিশ্চিত করা

উদাহরণ

যদি কোনো ব্যক্তি প্রতারণার মাধ্যমে চুক্তি সম্পাদন করে পরে সেই চুক্তির Specific Performance দাবি করে, তাহলে আদালত তার আবেদন প্রত্যাখ্যান করবে; কারণ সে ব্যক্তি পরিষ্কার হাতে আদালতে আসেনি।


সীমাবদ্ধতা

  • অসৎ আচরণটি অবশ্যই মামলার বিষয়বস্তুর সঙ্গে সম্পর্কিত হতে হবে
  • অতীতের সম্পূর্ণ ভিন্ন কোনো অন্যায় কাজ এই ম্যাক্সিমের আওতায় পড়বে না

উপসংহার

অতএব, “ম্যাক্সিমটি ন্যায়পরায়ণতার একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি, যা নিশ্চিত করে যে ন্যায়পরায়ণতা কেবল সৎ ন্যায্য ব্যক্তির পক্ষেই কার্যকর হবে

 

 

ন্যায়পরায়ণতা ব্যক্তি-কেন্দ্রিকভাবে কাজ করে”—ব্যাখ্যা

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমসমূহ মূলত ব্যক্তির আচরণ, সদিচ্ছা বিবেকের ওপর ভিত্তি করে প্রয়োগ করা হয়। ন্যায়পরায়ণতা কোনো কাজ বা বস্তুর চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির আচরণ নৈতিক অবস্থানকে

ফলে বলা যায়, ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমসমূহ ব্যক্তি-কেন্দ্রিকভাবে কাজ করে এবং কেবল সৎ ন্যায্য ব্যক্তিকেই ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রদান করে।

 

ন্যায়পরায়ণতা প্রতিকারবিহীন কোনো অন্যায় সহ্য করে না

 

এই ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমের অর্থ হলোযেখানে কোনো আইনগত অন্যায় সংঘটিত হয়েছে, সেখানে ন্যায়পরায়ণতা অবশ্যই উপযুক্ত প্রতিকার প্রদান করবে, যদিও সাধারণ আইন সেই প্রতিকার দিতে ব্যর্থ হয়।

এই নীতি অনুযায়ী, ন্যায়পরায়ণতা অন্যায়কে উপেক্ষা করে না; বরং ন্যায়, সুবিচার বিবেকের আলোকে প্রতিকার নিশ্চিত করে ফলে সাধারণ আইন যেখানে অপর্যাপ্ত বা নীরব, সেখানে ন্যায়পরায়ণতা কার্যকর হয়।

তবে এই ম্যাক্সিমের অর্থ এই নয় যে প্রতিটি নৈতিক অন্যায়ের জন্য প্রতিকার দেওয়া হবে; বরং কেবল আইনস্বীকৃত অন্যায়ের ক্ষেত্রেই ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রযোজ্য।

 

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম (Maxims of Equity) —সংজ্ঞা

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম বলতে সেই সুপ্রতিষ্ঠিত মৌলিক নীতিসমূহকে বোঝায়, যেগুলো ন্যায়পরায়ণ বিচারকার্যে আদালতের জন্য দিকনির্দেশক নিয়ম হিসেবে কাজ করে এবং যেগুলোর আলোকে আদালত ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রদান বা প্রত্যাখ্যান করে।

অন্যভাবে বলা যায়,
ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম হলো ন্যায়, সুবিচার বিবেকভিত্তিক সাধারণ নীতিমালা, যা ন্যায়পরায়ণতার প্রয়োগকে নিয়ন্ত্রিত, সুশৃঙ্খল নির্ভরযোগ্য করে তোলে এবং বিচারিক স্বেচ্ছাচার রোধ করে।

 

সংক্ষিপ্ত সংজ্ঞা

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম হলো ন্যায়পরায়ণতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে আদালত কর্তৃক অনুসৃত মৌলিক দিকনির্দেশক নীতিসমূহ।

 

Maxims of Equity are the fundamental guiding principles on which equitable jurisdiction is exercised.

 

ম্যাক্সিমগুলো ন্যায়পরায়ণতাকে সীমাবদ্ধ করেছে”—সমর্থনের পক্ষে যুক্তি

() বিচারিক স্বেচ্ছাচার রোধ করে

ম্যাক্সিম ছাড়া বিচারক সম্পূর্ণ বিবেকের ওপর নির্ভর করলে বিচার অনিশ্চিত হতো। ম্যাক্সিম ন্যায়পরায়ণতাকে একটি নিয়ন্ত্রিত কাঠামো দিয়েছে।

() আইনের নিশ্চয়তা নিশ্চিত করে

ম্যাক্সিমের কারণে ন্যায়পরায়ণতা নির্দেশনামূলক পূর্বানুমেয় হয়েছে।

() আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখে

ম্যাক্সিম ন্যায়পরায়ণতাকে আইনের অধীন রাখে।


. সমর্থনের বিপক্ষে যুক্তি (আংশিক দ্বিমত)

() অতিরিক্ত কঠোরতা ন্যায়পরায়ণতার উদ্দেশ্য ক্ষুণ্ন করতে পারে

ম্যাক্সিম অত্যন্ত যান্ত্রিকভাবে প্রয়োগ করলে প্রকৃত ন্যায় ব্যাহত হতে পারে।

() ন্যায়পরায়ণতার নমনীয়তা কিছুটা কমে

ন্যায়পরায়ণতা মূলত নমনীয়; ম্যাক্সিম কখনো কখনো সেই নমনীয়তা সীমিত করে।


. মূল্যায়ন নিজস্ব মতামত

আমি আংশিকভাবে সমর্থন করি যে ম্যাক্সিমগুলো ন্যায়পরায়ণতাকে সীমাবদ্ধ করেছে, তবে

  • এই সীমাবদ্ধতা নেতিবাচক নয়, বরং প্রয়োজনীয়
  • এটি ন্যায়পরায়ণতাকে স্বেচ্ছাচার থেকে রক্ষা করেছে
  • ন্যায়পরায়ণতাকে একটি সুসংগঠিত বিচারব্যবস্থায় রূপ দিয়েছে

উপসংহার

সর্বোপরি বলা যায়, ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমসমূহ ন্যায়পরায়ণতাকে সীমিত করলেও তা ন্যায়বিচারের স্বার্থেই। এগুলো ন্যায়পরায়ণতাকে ধ্বংস করেনি; বরং নিয়ন্ত্রিত, নির্ভরযোগ্য কার্যকর করেছে।

 

ম্যাক্সিম  ব্যাখ্যা

 

ন্যায়পরায়ণতার প্রার্থীকে অবশ্যই পরিষ্কার হাতে আসতে হবেএই ম্যাক্সিমটির পরীক্ষায় লেখার উপযোগী ব্যাখ্যা দেওয়া হলো।

 

 ন্যায়পরায়ণতার প্রার্থীকে অবশ্যই পরিষ্কার হয়ে আসতে হবে

ম্যাক্সিমটির অর্থ

এই ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমের অর্থ হলো
যে ব্যক্তি ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রার্থনা করবে, তাকে অবশ্যই সৎ এবং ন্যায়পরায়ণ সদাচরণসম্পন্ন হতে হবে। যে ব্যক্তি নিজেই অন্যায়, প্রতারণা, যে ব্যক্তি অসৎ উদ্দেশ্য বা বেআইনি কাজে লিপ্ত, সে ব্যক্তি ন্যায়পরায়ণতার আশ্রয় নিতে পারে না।


ব্যাখ্যা

ন্যায়পরায়ণতা বিবেকভিত্তিক বিচারব্যবস্থা। আদালত এমন ব্যক্তিকে ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার দেয় না, যে ব্যক্তি নিজেই অন্যায় করেছে। অর্থাৎ, মামলার বিষয়বস্তুর সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো অসৎ আচরণ, প্রতারণা, গোপনীয়তা ভঙ্গ বা অন্যায় কার্য থাকলে আদালত ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রত্যাখ্যান করতে পারে।


ম্যাক্সিমটির উদ্দেশ্যে

  • অসৎ দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে প্রতিকার থেকে বঞ্চিত করা
  • ন্যায়পরায়ণ বিচারব্যবস্থার পবিত্রতা রক্ষা করা
  • ন্যায় সুবিচার নিশ্চিত করা

উদাহরণ

যদি কোনো ব্যক্তি প্রতারণার মাধ্যমে চুক্তি সম্পাদন করে পরে সেই চুক্তির Specific Performance দাবি করে, তাহলে আদালত তার আবেদন প্রত্যাখ্যান করবে; কারণ সে ব্যক্তি পরিষ্কার হাতে আদালতে আসেনি।


সীমাবদ্ধতা

  • অসৎ আচরণটি অবশ্যই মামলার বিষয়বস্তুর সঙ্গে সম্পর্কিত হতে হবে
  • অতীতের সম্পূর্ণ ভিন্ন কোনো অন্যায় কাজ এই ম্যাক্সিমের আওতায় পড়বে না

উপসংহার

অতএব, “ম্যাক্সিমটি ন্যায়পরায়ণতার একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি, যা নিশ্চিত করে যে ন্যায়পরায়ণতা কেবল সৎ ন্যায্য ব্যক্তির পক্ষেই কার্যকর হবে

 

 

ন্যায়পরায়ণতা ব্যক্তি-কেন্দ্রিকভাবে কাজ করে”—ব্যাখ্যা

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমসমূহ মূলত ব্যক্তির আচরণ, সদিচ্ছা বিবেকের ওপর ভিত্তি করে প্রয়োগ করা হয়। ন্যায়পরায়ণতা কোনো কাজ বা বস্তুর চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির আচরণ নৈতিক অবস্থানকে

ফলে বলা যায়, ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমসমূহ ব্যক্তি-কেন্দ্রিকভাবে কাজ করে এবং কেবল সৎ ন্যায্য ব্যক্তিকেই ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রদান করে।

 

ন্যায়পরায়ণতা প্রতিকারবিহীন কোনো অন্যায় সহ্য করে না

 

এই ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমের অর্থ হলোযেখানে কোনো আইনগত অন্যায় সংঘটিত হয়েছে, সেখানে ন্যায়পরায়ণতা অবশ্যই উপযুক্ত প্রতিকার প্রদান করবে, যদিও সাধারণ আইন সেই প্রতিকার দিতে ব্যর্থ হয়।

এই নীতি অনুযায়ী, ন্যায়পরায়ণতা অন্যায়কে উপেক্ষা করে না; বরং ন্যায়, সুবিচার বিবেকের আলোকে প্রতিকার নিশ্চিত করে ফলে সাধারণ আইন যেখানে অপর্যাপ্ত বা নীরব, সেখানে ন্যায়পরায়ণতা কার্যকর হয়।

তবে এই ম্যাক্সিমের অর্থ এই নয় যে প্রতিটি নৈতিক অন্যায়ের জন্য প্রতিকার দেওয়া হবে; বরং কেবল আইনস্বীকৃত অন্যায়ের ক্ষেত্রেই ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রযোজ্য।

 

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম (Maxims of Equity) —সংজ্ঞা

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম বলতে সেই সুপ্রতিষ্ঠিত মৌলিক নীতিসমূহকে বোঝায়, যেগুলো ন্যায়পরায়ণ বিচারকার্যে আদালতের জন্য দিকনির্দেশক নিয়ম হিসেবে কাজ করে এবং যেগুলোর আলোকে আদালত ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রদান বা প্রত্যাখ্যান করে।

অন্যভাবে বলা যায়,
ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম হলো ন্যায়, সুবিচার বিবেকভিত্তিক সাধারণ নীতিমালা, যা ন্যায়পরায়ণতার প্রয়োগকে নিয়ন্ত্রিত, সুশৃঙ্খল নির্ভরযোগ্য করে তোলে এবং বিচারিক স্বেচ্ছাচার রোধ করে।

 

সংক্ষিপ্ত সংজ্ঞা

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম হলো ন্যায়পরায়ণতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে আদালত কর্তৃক অনুসৃত মৌলিক দিকনির্দেশক নীতিসমূহ।

 

Maxims of Equity are the fundamental guiding principles on which equitable jurisdiction is exercised.

 

ম্যাক্সিমগুলো ন্যায়পরায়ণতাকে সীমাবদ্ধ করেছে”—সমর্থনের পক্ষে যুক্তি

() বিচারিক স্বেচ্ছাচার রোধ করে

ম্যাক্সিম ছাড়া বিচারক সম্পূর্ণ বিবেকের ওপর নির্ভর করলে বিচার অনিশ্চিত হতো। ম্যাক্সিম ন্যায়পরায়ণতাকে একটি নিয়ন্ত্রিত কাঠামো দিয়েছে।

() আইনের নিশ্চয়তা নিশ্চিত করে

ম্যাক্সিমের কারণে ন্যায়পরায়ণতা নির্দেশনামূলক পূর্বানুমেয় হয়েছে।

() আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখে

ম্যাক্সিম ন্যায়পরায়ণতাকে আইনের অধীন রাখে।


. সমর্থনের বিপক্ষে যুক্তি (আংশিক দ্বিমত)

() অতিরিক্ত কঠোরতা ন্যায়পরায়ণতার উদ্দেশ্য ক্ষুণ্ন করতে পারে

ম্যাক্সিম অত্যন্ত যান্ত্রিকভাবে প্রয়োগ করলে প্রকৃত ন্যায় ব্যাহত হতে পারে।

() ন্যায়পরায়ণতার নমনীয়তা কিছুটা কমে

ন্যায়পরায়ণতা মূলত নমনীয়; ম্যাক্সিম কখনো কখনো সেই নমনীয়তা সীমিত করে।


. মূল্যায়ন নিজস্ব মতামত

আমি আংশিকভাবে সমর্থন করি যে ম্যাক্সিমগুলো ন্যায়পরায়ণতাকে সীমাবদ্ধ করেছে, তবে

  • এই সীমাবদ্ধতা নেতিবাচক নয়, বরং প্রয়োজনীয়
  • এটি ন্যায়পরায়ণতাকে স্বেচ্ছাচার থেকে রক্ষা করেছে
  • ন্যায়পরায়ণতাকে একটি সুসংগঠিত বিচারব্যবস্থায় রূপ দিয়েছে

উপসংহার

সর্বোপরি বলা যায়, ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমসমূহ ন্যায়পরায়ণতাকে সীমিত করলেও তা ন্যায়বিচারের স্বার্থেই। এগুলো ন্যায়পরায়ণতাকে ধ্বংস করেনি; বরং নিয়ন্ত্রিত, নির্ভরযোগ্য কার্যকর করেছে।

 

ম্যাক্সিম  ব্যাখ্যা

 

ন্যায়পরায়ণতার প্রার্থীকে অবশ্যই পরিষ্কার হাতে আসতে হবেএই ম্যাক্সিমটির পরীক্ষায় লেখার উপযোগী ব্যাখ্যা দেওয়া হলো।

 

 ন্যায়পরায়ণতার প্রার্থীকে অবশ্যই পরিষ্কার হয়ে আসতে হবে

ম্যাক্সিমটির অর্থ

এই ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমের অর্থ হলো
যে ব্যক্তি ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রার্থনা করবে, তাকে অবশ্যই সৎ এবং ন্যায়পরায়ণ সদাচরণসম্পন্ন হতে হবে। যে ব্যক্তি নিজেই অন্যায়, প্রতারণা, যে ব্যক্তি অসৎ উদ্দেশ্য বা বেআইনি কাজে লিপ্ত, সে ব্যক্তি ন্যায়পরায়ণতার আশ্রয় নিতে পারে না।


ব্যাখ্যা

ন্যায়পরায়ণতা বিবেকভিত্তিক বিচারব্যবস্থা। আদালত এমন ব্যক্তিকে ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার দেয় না, যে ব্যক্তি নিজেই অন্যায় করেছে। অর্থাৎ, মামলার বিষয়বস্তুর সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো অসৎ আচরণ, প্রতারণা, গোপনীয়তা ভঙ্গ বা অন্যায় কার্য থাকলে আদালত ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রত্যাখ্যান করতে পারে।


ম্যাক্সিমটির উদ্দেশ্যে

  • অসৎ দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে প্রতিকার থেকে বঞ্চিত করা
  • ন্যায়পরায়ণ বিচারব্যবস্থার পবিত্রতা রক্ষা করা
  • ন্যায় সুবিচার নিশ্চিত করা

উদাহরণ

যদি কোনো ব্যক্তি প্রতারণার মাধ্যমে চুক্তি সম্পাদন করে পরে সেই চুক্তির Specific Performance দাবি করে, তাহলে আদালত তার আবেদন প্রত্যাখ্যান করবে; কারণ সে ব্যক্তি পরিষ্কার হাতে আদালতে আসেনি।


সীমাবদ্ধতা

  • অসৎ আচরণটি অবশ্যই মামলার বিষয়বস্তুর সঙ্গে সম্পর্কিত হতে হবে
  • অতীতের সম্পূর্ণ ভিন্ন কোনো অন্যায় কাজ এই ম্যাক্সিমের আওতায় পড়বে না

উপসংহার

অতএব, “ম্যাক্সিমটি ন্যায়পরায়ণতার একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি, যা নিশ্চিত করে যে ন্যায়পরায়ণতা কেবল সৎ ন্যায্য ব্যক্তির পক্ষেই কার্যকর হবে

 

 

ন্যায়পরায়ণতা ব্যক্তি-কেন্দ্রিকভাবে কাজ করে”—ব্যাখ্যা

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমসমূহ মূলত ব্যক্তির আচরণ, সদিচ্ছা বিবেকের ওপর ভিত্তি করে প্রয়োগ করা হয়। ন্যায়পরায়ণতা কোনো কাজ বা বস্তুর চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির আচরণ নৈতিক অবস্থানকে

ফলে বলা যায়, ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমসমূহ ব্যক্তি-কেন্দ্রিকভাবে কাজ করে এবং কেবল সৎ ন্যায্য ব্যক্তিকেই ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রদান করে।

 

ন্যায়পরায়ণতা প্রতিকারবিহীন কোনো অন্যায় সহ্য করে না

 

এই ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমের অর্থ হলোযেখানে কোনো আইনগত অন্যায় সংঘটিত হয়েছে, সেখানে ন্যায়পরায়ণতা অবশ্যই উপযুক্ত প্রতিকার প্রদান করবে, যদিও সাধারণ আইন সেই প্রতিকার দিতে ব্যর্থ হয়।

এই নীতি অনুযায়ী, ন্যায়পরায়ণতা অন্যায়কে উপেক্ষা করে না; বরং ন্যায়, সুবিচার বিবেকের আলোকে প্রতিকার নিশ্চিত করে ফলে সাধারণ আইন যেখানে অপর্যাপ্ত বা নীরব, সেখানে ন্যায়পরায়ণতা কার্যকর হয়।

তবে এই ম্যাক্সিমের অর্থ এই নয় যে প্রতিটি নৈতিক অন্যায়ের জন্য প্রতিকার দেওয়া হবে; বরং কেবল আইনস্বীকৃত অন্যায়ের ক্ষেত্রেই ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রযোজ্য।

 

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম (Maxims of Equity) —সংজ্ঞা

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম বলতে সেই সুপ্রতিষ্ঠিত মৌলিক নীতিসমূহকে বোঝায়, যেগুলো ন্যায়পরায়ণ বিচারকার্যে আদালতের জন্য দিকনির্দেশক নিয়ম হিসেবে কাজ করে এবং যেগুলোর আলোকে আদালত ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রদান বা প্রত্যাখ্যান করে।

অন্যভাবে বলা যায়,
ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম হলো ন্যায়, সুবিচার বিবেকভিত্তিক সাধারণ নীতিমালা, যা ন্যায়পরায়ণতার প্রয়োগকে নিয়ন্ত্রিত, সুশৃঙ্খল নির্ভরযোগ্য করে তোলে এবং বিচারিক স্বেচ্ছাচার রোধ করে।

 

সংক্ষিপ্ত সংজ্ঞা

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম হলো ন্যায়পরায়ণতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে আদালত কর্তৃক অনুসৃত মৌলিক দিকনির্দেশক নীতিসমূহ।

 

Maxims of Equity are the fundamental guiding principles on which equitable jurisdiction is exercised.

 

ম্যাক্সিমগুলো ন্যায়পরায়ণতাকে সীমাবদ্ধ করেছে”—সমর্থনের পক্ষে যুক্তি

() বিচারিক স্বেচ্ছাচার রোধ করে

ম্যাক্সিম ছাড়া বিচারক সম্পূর্ণ বিবেকের ওপর নির্ভর করলে বিচার অনিশ্চিত হতো। ম্যাক্সিম ন্যায়পরায়ণতাকে একটি নিয়ন্ত্রিত কাঠামো দিয়েছে।

() আইনের নিশ্চয়তা নিশ্চিত করে

ম্যাক্সিমের কারণে ন্যায়পরায়ণতা নির্দেশনামূলক পূর্বানুমেয় হয়েছে।

() আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখে

ম্যাক্সিম ন্যায়পরায়ণতাকে আইনের অধীন রাখে।


. সমর্থনের বিপক্ষে যুক্তি (আংশিক দ্বিমত)

() অতিরিক্ত কঠোরতা ন্যায়পরায়ণতার উদ্দেশ্য ক্ষুণ্ন করতে পারে

ম্যাক্সিম অত্যন্ত যান্ত্রিকভাবে প্রয়োগ করলে প্রকৃত ন্যায় ব্যাহত হতে পারে।

() ন্যায়পরায়ণতার নমনীয়তা কিছুটা কমে

ন্যায়পরায়ণতা মূলত নমনীয়; ম্যাক্সিম কখনো কখনো সেই নমনীয়তা সীমিত করে।


. মূল্যায়ন নিজস্ব মতামত

আমি আংশিকভাবে সমর্থন করি যে ম্যাক্সিমগুলো ন্যায়পরায়ণতাকে সীমাবদ্ধ করেছে, তবে

  • এই সীমাবদ্ধতা নেতিবাচক নয়, বরং প্রয়োজনীয়
  • এটি ন্যায়পরায়ণতাকে স্বেচ্ছাচার থেকে রক্ষা করেছে
  • ন্যায়পরায়ণতাকে একটি সুসংগঠিত বিচারব্যবস্থায় রূপ দিয়েছে

উপসংহার

সর্বোপরি বলা যায়, ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমসমূহ ন্যায়পরায়ণতাকে সীমিত করলেও তা ন্যায়বিচারের স্বার্থেই। এগুলো ন্যায়পরায়ণতাকে ধ্বংস করেনি; বরং নিয়ন্ত্রিত, নির্ভরযোগ্য কার্যকর করেছে।

 

ম্যাক্সিম  ব্যাখ্যা

 

ন্যায়পরায়ণতার প্রার্থীকে অবশ্যই পরিষ্কার হাতে আসতে হবেএই ম্যাক্সিমটির পরীক্ষায় লেখার উপযোগী ব্যাখ্যা দেওয়া হলো।

 

 ন্যায়পরায়ণতার প্রার্থীকে অবশ্যই পরিষ্কার হয়ে আসতে হবে

ম্যাক্সিমটির অর্থ

এই ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমের অর্থ হলো
যে ব্যক্তি ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রার্থনা করবে, তাকে অবশ্যই সৎ এবং ন্যায়পরায়ণ সদাচরণসম্পন্ন হতে হবে। যে ব্যক্তি নিজেই অন্যায়, প্রতারণা, যে ব্যক্তি অসৎ উদ্দেশ্য বা বেআইনি কাজে লিপ্ত, সে ব্যক্তি ন্যায়পরায়ণতার আশ্রয় নিতে পারে না।


ব্যাখ্যা

ন্যায়পরায়ণতা বিবেকভিত্তিক বিচারব্যবস্থা। আদালত এমন ব্যক্তিকে ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার দেয় না, যে ব্যক্তি নিজেই অন্যায় করেছে। অর্থাৎ, মামলার বিষয়বস্তুর সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো অসৎ আচরণ, প্রতারণা, গোপনীয়তা ভঙ্গ বা অন্যায় কার্য থাকলে আদালত ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রত্যাখ্যান করতে পারে।


ম্যাক্সিমটির উদ্দেশ্যে

  • অসৎ দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে প্রতিকার থেকে বঞ্চিত করা
  • ন্যায়পরায়ণ বিচারব্যবস্থার পবিত্রতা রক্ষা করা
  • ন্যায় সুবিচার নিশ্চিত করা

উদাহরণ

যদি কোনো ব্যক্তি প্রতারণার মাধ্যমে চুক্তি সম্পাদন করে পরে সেই চুক্তির Specific Performance দাবি করে, তাহলে আদালত তার আবেদন প্রত্যাখ্যান করবে; কারণ সে ব্যক্তি পরিষ্কার হাতে আদালতে আসেনি।


সীমাবদ্ধতা

  • অসৎ আচরণটি অবশ্যই মামলার বিষয়বস্তুর সঙ্গে সম্পর্কিত হতে হবে
  • অতীতের সম্পূর্ণ ভিন্ন কোনো অন্যায় কাজ এই ম্যাক্সিমের আওতায় পড়বে না

উপসংহার

অতএব, “ম্যাক্সিমটি ন্যায়পরায়ণতার একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি, যা নিশ্চিত করে যে ন্যায়পরায়ণতা কেবল সৎ ন্যায্য ব্যক্তির পক্ষেই কার্যকর হবে

 

 

ন্যায়পরায়ণতা ব্যক্তি-কেন্দ্রিকভাবে কাজ করে”—ব্যাখ্যা

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমসমূহ মূলত ব্যক্তির আচরণ, সদিচ্ছা বিবেকের ওপর ভিত্তি করে প্রয়োগ করা হয়। ন্যায়পরায়ণতা কোনো কাজ বা বস্তুর চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির আচরণ নৈতিক অবস্থানকে

ফলে বলা যায়, ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমসমূহ ব্যক্তি-কেন্দ্রিকভাবে কাজ করে এবং কেবল সৎ ন্যায্য ব্যক্তিকেই ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রদান করে।

 

ন্যায়পরায়ণতা প্রতিকারবিহীন কোনো অন্যায় সহ্য করে না

 

এই ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমের অর্থ হলোযেখানে কোনো আইনগত অন্যায় সংঘটিত হয়েছে, সেখানে ন্যায়পরায়ণতা অবশ্যই উপযুক্ত প্রতিকার প্রদান করবে, যদিও সাধারণ আইন সেই প্রতিকার দিতে ব্যর্থ হয়।

এই নীতি অনুযায়ী, ন্যায়পরায়ণতা অন্যায়কে উপেক্ষা করে না; বরং ন্যায়, সুবিচার বিবেকের আলোকে প্রতিকার নিশ্চিত করে ফলে সাধারণ আইন যেখানে অপর্যাপ্ত বা নীরব, সেখানে ন্যায়পরায়ণতা কার্যকর হয়।

তবে এই ম্যাক্সিমের অর্থ এই নয় যে প্রতিটি নৈতিক অন্যায়ের জন্য প্রতিকার দেওয়া হবে; বরং কেবল আইনস্বীকৃত অন্যায়ের ক্ষেত্রেই ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রযোজ্য।

 

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম (Maxims of Equity) —সংজ্ঞা

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম বলতে সেই সুপ্রতিষ্ঠিত মৌলিক নীতিসমূহকে বোঝায়, যেগুলো ন্যায়পরায়ণ বিচারকার্যে আদালতের জন্য দিকনির্দেশক নিয়ম হিসেবে কাজ করে এবং যেগুলোর আলোকে আদালত ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রদান বা প্রত্যাখ্যান করে।

অন্যভাবে বলা যায়,
ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম হলো ন্যায়, সুবিচার বিবেকভিত্তিক সাধারণ নীতিমালা, যা ন্যায়পরায়ণতার প্রয়োগকে নিয়ন্ত্রিত, সুশৃঙ্খল নির্ভরযোগ্য করে তোলে এবং বিচারিক স্বেচ্ছাচার রোধ করে।

 

সংক্ষিপ্ত সংজ্ঞা

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম হলো ন্যায়পরায়ণতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে আদালত কর্তৃক অনুসৃত মৌলিক দিকনির্দেশক নীতিসমূহ।

 

Maxims of Equity are the fundamental guiding principles on which equitable jurisdiction is exercised.

 

ম্যাক্সিমগুলো ন্যায়পরায়ণতাকে সীমাবদ্ধ করেছে”—সমর্থনের পক্ষে যুক্তি

() বিচারিক স্বেচ্ছাচার রোধ করে

ম্যাক্সিম ছাড়া বিচারক সম্পূর্ণ বিবেকের ওপর নির্ভর করলে বিচার অনিশ্চিত হতো। ম্যাক্সিম ন্যায়পরায়ণতাকে একটি নিয়ন্ত্রিত কাঠামো দিয়েছে।

() আইনের নিশ্চয়তা নিশ্চিত করে

ম্যাক্সিমের কারণে ন্যায়পরায়ণতা নির্দেশনামূলক পূর্বানুমেয় হয়েছে।

() আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখে

ম্যাক্সিম ন্যায়পরায়ণতাকে আইনের অধীন রাখে।


. সমর্থনের বিপক্ষে যুক্তি (আংশিক দ্বিমত)

() অতিরিক্ত কঠোরতা ন্যায়পরায়ণতার উদ্দেশ্য ক্ষুণ্ন করতে পারে

ম্যাক্সিম অত্যন্ত যান্ত্রিকভাবে প্রয়োগ করলে প্রকৃত ন্যায় ব্যাহত হতে পারে।

() ন্যায়পরায়ণতার নমনীয়তা কিছুটা কমে

ন্যায়পরায়ণতা মূলত নমনীয়; ম্যাক্সিম কখনো কখনো সেই নমনীয়তা সীমিত করে।


. মূল্যায়ন নিজস্ব মতামত

আমি আংশিকভাবে সমর্থন করি যে ম্যাক্সিমগুলো ন্যায়পরায়ণতাকে সীমাবদ্ধ করেছে, তবে

  • এই সীমাবদ্ধতা নেতিবাচক নয়, বরং প্রয়োজনীয়
  • এটি ন্যায়পরায়ণতাকে স্বেচ্ছাচার থেকে রক্ষা করেছে
  • ন্যায়পরায়ণতাকে একটি সুসংগঠিত বিচারব্যবস্থায় রূপ দিয়েছে

উপসংহার

সর্বোপরি বলা যায়, ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমসমূহ ন্যায়পরায়ণতাকে সীমিত করলেও তা ন্যায়বিচারের স্বার্থেই। এগুলো ন্যায়পরায়ণতাকে ধ্বংস করেনি; বরং নিয়ন্ত্রিত, নির্ভরযোগ্য কার্যকর করেছে।

 

ম্যাক্সিম  ব্যাখ্যা

 

ন্যায়পরায়ণতার প্রার্থীকে অবশ্যই পরিষ্কার হাতে আসতে হবেএই ম্যাক্সিমটির পরীক্ষায় লেখার উপযোগী ব্যাখ্যা দেওয়া হলো।

 

 ন্যায়পরায়ণতার প্রার্থীকে অবশ্যই পরিষ্কার হয়ে আসতে হবে

ম্যাক্সিমটির অর্থ

এই ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমের অর্থ হলো
যে ব্যক্তি ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রার্থনা করবে, তাকে অবশ্যই সৎ এবং ন্যায়পরায়ণ সদাচরণসম্পন্ন হতে হবে। যে ব্যক্তি নিজেই অন্যায়, প্রতারণা, যে ব্যক্তি অসৎ উদ্দেশ্য বা বেআইনি কাজে লিপ্ত, সে ব্যক্তি ন্যায়পরায়ণতার আশ্রয় নিতে পারে না।


ব্যাখ্যা

ন্যায়পরায়ণতা বিবেকভিত্তিক বিচারব্যবস্থা। আদালত এমন ব্যক্তিকে ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার দেয় না, যে ব্যক্তি নিজেই অন্যায় করেছে। অর্থাৎ, মামলার বিষয়বস্তুর সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো অসৎ আচরণ, প্রতারণা, গোপনীয়তা ভঙ্গ বা অন্যায় কার্য থাকলে আদালত ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রত্যাখ্যান করতে পারে।


ম্যাক্সিমটির উদ্দেশ্যে

  • অসৎ দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে প্রতিকার থেকে বঞ্চিত করা
  • ন্যায়পরায়ণ বিচারব্যবস্থার পবিত্রতা রক্ষা করা
  • ন্যায় সুবিচার নিশ্চিত করা

উদাহরণ

যদি কোনো ব্যক্তি প্রতারণার মাধ্যমে চুক্তি সম্পাদন করে পরে সেই চুক্তির Specific Performance দাবি করে, তাহলে আদালত তার আবেদন প্রত্যাখ্যান করবে; কারণ সে ব্যক্তি পরিষ্কার হাতে আদালতে আসেনি।


সীমাবদ্ধতা

  • অসৎ আচরণটি অবশ্যই মামলার বিষয়বস্তুর সঙ্গে সম্পর্কিত হতে হবে
  • অতীতের সম্পূর্ণ ভিন্ন কোনো অন্যায় কাজ এই ম্যাক্সিমের আওতায় পড়বে না

উপসংহার

অতএব, “ম্যাক্সিমটি ন্যায়পরায়ণতার একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি, যা নিশ্চিত করে যে ন্যায়পরায়ণতা কেবল সৎ ন্যায্য ব্যক্তির পক্ষেই কার্যকর হবে

 

 

ন্যায়পরায়ণতা ব্যক্তি-কেন্দ্রিকভাবে কাজ করে”—ব্যাখ্যা

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমসমূহ মূলত ব্যক্তির আচরণ, সদিচ্ছা বিবেকের ওপর ভিত্তি করে প্রয়োগ করা হয়। ন্যায়পরায়ণতা কোনো কাজ বা বস্তুর চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির আচরণ নৈতিক অবস্থানকে

ফলে বলা যায়, ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমসমূহ ব্যক্তি-কেন্দ্রিকভাবে কাজ করে এবং কেবল সৎ ন্যায্য ব্যক্তিকেই ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রদান করে।

 

ন্যায়পরায়ণতা প্রতিকারবিহীন কোনো অন্যায় সহ্য করে না

 

এই ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমের অর্থ হলোযেখানে কোনো আইনগত অন্যায় সংঘটিত হয়েছে, সেখানে ন্যায়পরায়ণতা অবশ্যই উপযুক্ত প্রতিকার প্রদান করবে, যদিও সাধারণ আইন সেই প্রতিকার দিতে ব্যর্থ হয়।

এই নীতি অনুযায়ী, ন্যায়পরায়ণতা অন্যায়কে উপেক্ষা করে না; বরং ন্যায়, সুবিচার বিবেকের আলোকে প্রতিকার নিশ্চিত করে ফলে সাধারণ আইন যেখানে অপর্যাপ্ত বা নীরব, সেখানে ন্যায়পরায়ণতা কার্যকর হয়।

তবে এই ম্যাক্সিমের অর্থ এই নয় যে প্রতিটি নৈতিক অন্যায়ের জন্য প্রতিকার দেওয়া হবে; বরং কেবল আইনস্বীকৃত অন্যায়ের ক্ষেত্রেই ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রযোজ্য।

 

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম (Maxims of Equity) —সংজ্ঞা

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম বলতে সেই সুপ্রতিষ্ঠিত মৌলিক নীতিসমূহকে বোঝায়, যেগুলো ন্যায়পরায়ণ বিচারকার্যে আদালতের জন্য দিকনির্দেশক নিয়ম হিসেবে কাজ করে এবং যেগুলোর আলোকে আদালত ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রদান বা প্রত্যাখ্যান করে।

অন্যভাবে বলা যায়,
ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম হলো ন্যায়, সুবিচার বিবেকভিত্তিক সাধারণ নীতিমালা, যা ন্যায়পরায়ণতার প্রয়োগকে নিয়ন্ত্রিত, সুশৃঙ্খল নির্ভরযোগ্য করে তোলে এবং বিচারিক স্বেচ্ছাচার রোধ করে।

 

সংক্ষিপ্ত সংজ্ঞা

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম হলো ন্যায়পরায়ণতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে আদালত কর্তৃক অনুসৃত মৌলিক দিকনির্দেশক নীতিসমূহ।

 

Maxims of Equity are the fundamental guiding principles on which equitable jurisdiction is exercised.

 

ম্যাক্সিমগুলো ন্যায়পরায়ণতাকে সীমাবদ্ধ করেছে”—সমর্থনের পক্ষে যুক্তি

() বিচারিক স্বেচ্ছাচার রোধ করে

ম্যাক্সিম ছাড়া বিচারক সম্পূর্ণ বিবেকের ওপর নির্ভর করলে বিচার অনিশ্চিত হতো। ম্যাক্সিম ন্যায়পরায়ণতাকে একটি নিয়ন্ত্রিত কাঠামো দিয়েছে।

() আইনের নিশ্চয়তা নিশ্চিত করে

ম্যাক্সিমের কারণে ন্যায়পরায়ণতা নির্দেশনামূলক পূর্বানুমেয় হয়েছে।

() আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখে

ম্যাক্সিম ন্যায়পরায়ণতাকে আইনের অধীন রাখে।


. সমর্থনের বিপক্ষে যুক্তি (আংশিক দ্বিমত)

() অতিরিক্ত কঠোরতা ন্যায়পরায়ণতার উদ্দেশ্য ক্ষুণ্ন করতে পারে

ম্যাক্সিম অত্যন্ত যান্ত্রিকভাবে প্রয়োগ করলে প্রকৃত ন্যায় ব্যাহত হতে পারে।

() ন্যায়পরায়ণতার নমনীয়তা কিছুটা কমে

ন্যায়পরায়ণতা মূলত নমনীয়; ম্যাক্সিম কখনো কখনো সেই নমনীয়তা সীমিত করে।


. মূল্যায়ন নিজস্ব মতামত

আমি আংশিকভাবে সমর্থন করি যে ম্যাক্সিমগুলো ন্যায়পরায়ণতাকে সীমাবদ্ধ করেছে, তবে

  • এই সীমাবদ্ধতা নেতিবাচক নয়, বরং প্রয়োজনীয়
  • এটি ন্যায়পরায়ণতাকে স্বেচ্ছাচার থেকে রক্ষা করেছে
  • ন্যায়পরায়ণতাকে একটি সুসংগঠিত বিচারব্যবস্থায় রূপ দিয়েছে

উপসংহার

সর্বোপরি বলা যায়, ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমসমূহ ন্যায়পরায়ণতাকে সীমিত করলেও তা ন্যায়বিচারের স্বার্থেই। এগুলো ন্যায়পরায়ণতাকে ধ্বংস করেনি; বরং নিয়ন্ত্রিত, নির্ভরযোগ্য কার্যকর করেছে।

 

ম্যাক্সিম  ব্যাখ্যা

 

ন্যায়পরায়ণতার প্রার্থীকে অবশ্যই পরিষ্কার হাতে আসতে হবেএই ম্যাক্সিমটির পরীক্ষায় লেখার উপযোগী ব্যাখ্যা দেওয়া হলো।

 

 ন্যায়পরায়ণতার প্রার্থীকে অবশ্যই পরিষ্কার হয়ে আসতে হবে

ম্যাক্সিমটির অর্থ

এই ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমের অর্থ হলো
যে ব্যক্তি ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রার্থনা করবে, তাকে অবশ্যই সৎ এবং ন্যায়পরায়ণ সদাচরণসম্পন্ন হতে হবে। যে ব্যক্তি নিজেই অন্যায়, প্রতারণা, যে ব্যক্তি অসৎ উদ্দেশ্য বা বেআইনি কাজে লিপ্ত, সে ব্যক্তি ন্যায়পরায়ণতার আশ্রয় নিতে পারে না।


ব্যাখ্যা

ন্যায়পরায়ণতা বিবেকভিত্তিক বিচারব্যবস্থা। আদালত এমন ব্যক্তিকে ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার দেয় না, যে ব্যক্তি নিজেই অন্যায় করেছে। অর্থাৎ, মামলার বিষয়বস্তুর সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো অসৎ আচরণ, প্রতারণা, গোপনীয়তা ভঙ্গ বা অন্যায় কার্য থাকলে আদালত ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রত্যাখ্যান করতে পারে।


ম্যাক্সিমটির উদ্দেশ্যে

  • অসৎ দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে প্রতিকার থেকে বঞ্চিত করা
  • ন্যায়পরায়ণ বিচারব্যবস্থার পবিত্রতা রক্ষা করা
  • ন্যায় সুবিচার নিশ্চিত করা

উদাহরণ

যদি কোনো ব্যক্তি প্রতারণার মাধ্যমে চুক্তি সম্পাদন করে পরে সেই চুক্তির Specific Performance দাবি করে, তাহলে আদালত তার আবেদন প্রত্যাখ্যান করবে; কারণ সে ব্যক্তি পরিষ্কার হাতে আদালতে আসেনি।


সীমাবদ্ধতা

  • অসৎ আচরণটি অবশ্যই মামলার বিষয়বস্তুর সঙ্গে সম্পর্কিত হতে হবে
  • অতীতের সম্পূর্ণ ভিন্ন কোনো অন্যায় কাজ এই ম্যাক্সিমের আওতায় পড়বে না

উপসংহার

অতএব, “ম্যাক্সিমটি ন্যায়পরায়ণতার একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি, যা নিশ্চিত করে যে ন্যায়পরায়ণতা কেবল সৎ ন্যায্য ব্যক্তির পক্ষেই কার্যকর হবে

 

 

ন্যায়পরায়ণতা ব্যক্তি-কেন্দ্রিকভাবে কাজ করে”—ব্যাখ্যা

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমসমূহ মূলত ব্যক্তির আচরণ, সদিচ্ছা বিবেকের ওপর ভিত্তি করে প্রয়োগ করা হয়। ন্যায়পরায়ণতা কোনো কাজ বা বস্তুর চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির আচরণ নৈতিক অবস্থানকে

ফলে বলা যায়, ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমসমূহ ব্যক্তি-কেন্দ্রিকভাবে কাজ করে এবং কেবল সৎ ন্যায্য ব্যক্তিকেই ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রদান করে।

 

ন্যায়পরায়ণতা প্রতিকারবিহীন কোনো অন্যায় সহ্য করে না

 

এই ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমের অর্থ হলোযেখানে কোনো আইনগত অন্যায় সংঘটিত হয়েছে, সেখানে ন্যায়পরায়ণতা অবশ্যই উপযুক্ত প্রতিকার প্রদান করবে, যদিও সাধারণ আইন সেই প্রতিকার দিতে ব্যর্থ হয়।

এই নীতি অনুযায়ী, ন্যায়পরায়ণতা অন্যায়কে উপেক্ষা করে না; বরং ন্যায়, সুবিচার বিবেকের আলোকে প্রতিকার নিশ্চিত করে ফলে সাধারণ আইন যেখানে অপর্যাপ্ত বা নীরব, সেখানে ন্যায়পরায়ণতা কার্যকর হয়।

তবে এই ম্যাক্সিমের অর্থ এই নয় যে প্রতিটি নৈতিক অন্যায়ের জন্য প্রতিকার দেওয়া হবে; বরং কেবল আইনস্বীকৃত অন্যায়ের ক্ষেত্রেই ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রযোজ্য।

 

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম (Maxims of Equity) —সংজ্ঞা

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম বলতে সেই সুপ্রতিষ্ঠিত মৌলিক নীতিসমূহকে বোঝায়, যেগুলো ন্যায়পরায়ণ বিচারকার্যে আদালতের জন্য দিকনির্দেশক নিয়ম হিসেবে কাজ করে এবং যেগুলোর আলোকে আদালত ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রদান বা প্রত্যাখ্যান করে।

অন্যভাবে বলা যায়,
ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম হলো ন্যায়, সুবিচার বিবেকভিত্তিক সাধারণ নীতিমালা, যা ন্যায়পরায়ণতার প্রয়োগকে নিয়ন্ত্রিত, সুশৃঙ্খল নির্ভরযোগ্য করে তোলে এবং বিচারিক স্বেচ্ছাচার রোধ করে।

 

সংক্ষিপ্ত সংজ্ঞা

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম হলো ন্যায়পরায়ণতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে আদালত কর্তৃক অনুসৃত মৌলিক দিকনির্দেশক নীতিসমূহ।

 

Maxims of Equity are the fundamental guiding principles on which equitable jurisdiction is exercised.

 

ম্যাক্সিমগুলো ন্যায়পরায়ণতাকে সীমাবদ্ধ করেছে”—সমর্থনের পক্ষে যুক্তি

() বিচারিক স্বেচ্ছাচার রোধ করে

ম্যাক্সিম ছাড়া বিচারক সম্পূর্ণ বিবেকের ওপর নির্ভর করলে বিচার অনিশ্চিত হতো। ম্যাক্সিম ন্যায়পরায়ণতাকে একটি নিয়ন্ত্রিত কাঠামো দিয়েছে।

() আইনের নিশ্চয়তা নিশ্চিত করে

ম্যাক্সিমের কারণে ন্যায়পরায়ণতা নির্দেশনামূলক পূর্বানুমেয় হয়েছে।

() আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখে

ম্যাক্সিম ন্যায়পরায়ণতাকে আইনের অধীন রাখে।


. সমর্থনের বিপক্ষে যুক্তি (আংশিক দ্বিমত)

() অতিরিক্ত কঠোরতা ন্যায়পরায়ণতার উদ্দেশ্য ক্ষুণ্ন করতে পারে

ম্যাক্সিম অত্যন্ত যান্ত্রিকভাবে প্রয়োগ করলে প্রকৃত ন্যায় ব্যাহত হতে পারে।

() ন্যায়পরায়ণতার নমনীয়তা কিছুটা কমে

ন্যায়পরায়ণতা মূলত নমনীয়; ম্যাক্সিম কখনো কখনো সেই নমনীয়তা সীমিত করে।


. মূল্যায়ন নিজস্ব মতামত

আমি আংশিকভাবে সমর্থন করি যে ম্যাক্সিমগুলো ন্যায়পরায়ণতাকে সীমাবদ্ধ করেছে, তবে

  • এই সীমাবদ্ধতা নেতিবাচক নয়, বরং প্রয়োজনীয়
  • এটি ন্যায়পরায়ণতাকে স্বেচ্ছাচার থেকে রক্ষা করেছে
  • ন্যায়পরায়ণতাকে একটি সুসংগঠিত বিচারব্যবস্থায় রূপ দিয়েছে

উপসংহার

সর্বোপরি বলা যায়, ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমসমূহ ন্যায়পরায়ণতাকে সীমিত করলেও তা ন্যায়বিচারের স্বার্থেই। এগুলো ন্যায়পরায়ণতাকে ধ্বংস করেনি; বরং নিয়ন্ত্রিত, নির্ভরযোগ্য কার্যকর করেছে।

 

ম্যাক্সিম  ব্যাখ্যা

 

ন্যায়পরায়ণতার প্রার্থীকে অবশ্যই পরিষ্কার হাতে আসতে হবেএই ম্যাক্সিমটির পরীক্ষায় লেখার উপযোগী ব্যাখ্যা দেওয়া হলো।

 

 ন্যায়পরায়ণতার প্রার্থীকে অবশ্যই পরিষ্কার হয়ে আসতে হবে

ম্যাক্সিমটির অর্থ

এই ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমের অর্থ হলো
যে ব্যক্তি ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রার্থনা করবে, তাকে অবশ্যই সৎ এবং ন্যায়পরায়ণ সদাচরণসম্পন্ন হতে হবে। যে ব্যক্তি নিজেই অন্যায়, প্রতারণা, যে ব্যক্তি অসৎ উদ্দেশ্য বা বেআইনি কাজে লিপ্ত, সে ব্যক্তি ন্যায়পরায়ণতার আশ্রয় নিতে পারে না।


ব্যাখ্যা

ন্যায়পরায়ণতা বিবেকভিত্তিক বিচারব্যবস্থা। আদালত এমন ব্যক্তিকে ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার দেয় না, যে ব্যক্তি নিজেই অন্যায় করেছে। অর্থাৎ, মামলার বিষয়বস্তুর সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো অসৎ আচরণ, প্রতারণা, গোপনীয়তা ভঙ্গ বা অন্যায় কার্য থাকলে আদালত ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রত্যাখ্যান করতে পারে।


ম্যাক্সিমটির উদ্দেশ্যে

  • অসৎ দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে প্রতিকার থেকে বঞ্চিত করা
  • ন্যায়পরায়ণ বিচারব্যবস্থার পবিত্রতা রক্ষা করা
  • ন্যায় সুবিচার নিশ্চিত করা

উদাহরণ

যদি কোনো ব্যক্তি প্রতারণার মাধ্যমে চুক্তি সম্পাদন করে পরে সেই চুক্তির Specific Performance দাবি করে, তাহলে আদালত তার আবেদন প্রত্যাখ্যান করবে; কারণ সে ব্যক্তি পরিষ্কার হাতে আদালতে আসেনি।


সীমাবদ্ধতা

  • অসৎ আচরণটি অবশ্যই মামলার বিষয়বস্তুর সঙ্গে সম্পর্কিত হতে হবে
  • অতীতের সম্পূর্ণ ভিন্ন কোনো অন্যায় কাজ এই ম্যাক্সিমের আওতায় পড়বে না

উপসংহার

অতএব, “ম্যাক্সিমটি ন্যায়পরায়ণতার একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি, যা নিশ্চিত করে যে ন্যায়পরায়ণতা কেবল সৎ ন্যায্য ব্যক্তির পক্ষেই কার্যকর হবে

 

 

ন্যায়পরায়ণতা ব্যক্তি-কেন্দ্রিকভাবে কাজ করে”—ব্যাখ্যা

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমসমূহ মূলত ব্যক্তির আচরণ, সদিচ্ছা বিবেকের ওপর ভিত্তি করে প্রয়োগ করা হয়। ন্যায়পরায়ণতা কোনো কাজ বা বস্তুর চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির আচরণ নৈতিক অবস্থানকে

ফলে বলা যায়, ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমসমূহ ব্যক্তি-কেন্দ্রিকভাবে কাজ করে এবং কেবল সৎ ন্যায্য ব্যক্তিকেই ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রদান করে।

 

ন্যায়পরায়ণতা প্রতিকারবিহীন কোনো অন্যায় সহ্য করে না

 

এই ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমের অর্থ হলোযেখানে কোনো আইনগত অন্যায় সংঘটিত হয়েছে, সেখানে ন্যায়পরায়ণতা অবশ্যই উপযুক্ত প্রতিকার প্রদান করবে, যদিও সাধারণ আইন সেই প্রতিকার দিতে ব্যর্থ হয়।

এই নীতি অনুযায়ী, ন্যায়পরায়ণতা অন্যায়কে উপেক্ষা করে না; বরং ন্যায়, সুবিচার বিবেকের আলোকে প্রতিকার নিশ্চিত করে ফলে সাধারণ আইন যেখানে অপর্যাপ্ত বা নীরব, সেখানে ন্যায়পরায়ণতা কার্যকর হয়।

তবে এই ম্যাক্সিমের অর্থ এই নয় যে প্রতিটি নৈতিক অন্যায়ের জন্য প্রতিকার দেওয়া হবে; বরং কেবল আইনস্বীকৃত অন্যায়ের ক্ষেত্রেই ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রযোজ্য।

 

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম (Maxims of Equity) —সংজ্ঞা

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম বলতে সেই সুপ্রতিষ্ঠিত মৌলিক নীতিসমূহকে বোঝায়, যেগুলো ন্যায়পরায়ণ বিচারকার্যে আদালতের জন্য দিকনির্দেশক নিয়ম হিসেবে কাজ করে এবং যেগুলোর আলোকে আদালত ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রদান বা প্রত্যাখ্যান করে।

অন্যভাবে বলা যায়,
ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম হলো ন্যায়, সুবিচার বিবেকভিত্তিক সাধারণ নীতিমালা, যা ন্যায়পরায়ণতার প্রয়োগকে নিয়ন্ত্রিত, সুশৃঙ্খল নির্ভরযোগ্য করে তোলে এবং বিচারিক স্বেচ্ছাচার রোধ করে।

 

সংক্ষিপ্ত সংজ্ঞা

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম হলো ন্যায়পরায়ণতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে আদালত কর্তৃক অনুসৃত মৌলিক দিকনির্দেশক নীতিসমূহ।

 

Maxims of Equity are the fundamental guiding principles on which equitable jurisdiction is exercised.

 

ম্যাক্সিমগুলো ন্যায়পরায়ণতাকে সীমাবদ্ধ করেছে”—সমর্থনের পক্ষে যুক্তি

() বিচারিক স্বেচ্ছাচার রোধ করে

ম্যাক্সিম ছাড়া বিচারক সম্পূর্ণ বিবেকের ওপর নির্ভর করলে বিচার অনিশ্চিত হতো। ম্যাক্সিম ন্যায়পরায়ণতাকে একটি নিয়ন্ত্রিত কাঠামো দিয়েছে।

() আইনের নিশ্চয়তা নিশ্চিত করে

ম্যাক্সিমের কারণে ন্যায়পরায়ণতা নির্দেশনামূলক পূর্বানুমেয় হয়েছে।

() আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখে

ম্যাক্সিম ন্যায়পরায়ণতাকে আইনের অধীন রাখে।


. সমর্থনের বিপক্ষে যুক্তি (আংশিক দ্বিমত)

() অতিরিক্ত কঠোরতা ন্যায়পরায়ণতার উদ্দেশ্য ক্ষুণ্ন করতে পারে

ম্যাক্সিম অত্যন্ত যান্ত্রিকভাবে প্রয়োগ করলে প্রকৃত ন্যায় ব্যাহত হতে পারে।

() ন্যায়পরায়ণতার নমনীয়তা কিছুটা কমে

ন্যায়পরায়ণতা মূলত নমনীয়; ম্যাক্সিম কখনো কখনো সেই নমনীয়তা সীমিত করে।


. মূল্যায়ন নিজস্ব মতামত

আমি আংশিকভাবে সমর্থন করি যে ম্যাক্সিমগুলো ন্যায়পরায়ণতাকে সীমাবদ্ধ করেছে, তবে

  • এই সীমাবদ্ধতা নেতিবাচক নয়, বরং প্রয়োজনীয়
  • এটি ন্যায়পরায়ণতাকে স্বেচ্ছাচার থেকে রক্ষা করেছে
  • ন্যায়পরায়ণতাকে একটি সুসংগঠিত বিচারব্যবস্থায় রূপ দিয়েছে

উপসংহার

সর্বোপরি বলা যায়, ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমসমূহ ন্যায়পরায়ণতাকে সীমিত করলেও তা ন্যায়বিচারের স্বার্থেই। এগুলো ন্যায়পরায়ণতাকে ধ্বংস করেনি; বরং নিয়ন্ত্রিত, নির্ভরযোগ্য কার্যকর করেছে।

 

ম্যাক্সিম  ব্যাখ্যা

 

ন্যায়পরায়ণতার প্রার্থীকে অবশ্যই পরিষ্কার হাতে আসতে হবেএই ম্যাক্সিমটির পরীক্ষায় লেখার উপযোগী ব্যাখ্যা দেওয়া হলো।

 

 ন্যায়পরায়ণতার প্রার্থীকে অবশ্যই পরিষ্কার হয়ে আসতে হবে

ম্যাক্সিমটির অর্থ

এই ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমের অর্থ হলো
যে ব্যক্তি ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রার্থনা করবে, তাকে অবশ্যই সৎ এবং ন্যায়পরায়ণ সদাচরণসম্পন্ন হতে হবে। যে ব্যক্তি নিজেই অন্যায়, প্রতারণা, যে ব্যক্তি অসৎ উদ্দেশ্য বা বেআইনি কাজে লিপ্ত, সে ব্যক্তি ন্যায়পরায়ণতার আশ্রয় নিতে পারে না।


ব্যাখ্যা

ন্যায়পরায়ণতা বিবেকভিত্তিক বিচারব্যবস্থা। আদালত এমন ব্যক্তিকে ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার দেয় না, যে ব্যক্তি নিজেই অন্যায় করেছে। অর্থাৎ, মামলার বিষয়বস্তুর সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো অসৎ আচরণ, প্রতারণা, গোপনীয়তা ভঙ্গ বা অন্যায় কার্য থাকলে আদালত ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রত্যাখ্যান করতে পারে।


ম্যাক্সিমটির উদ্দেশ্যে

  • অসৎ দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে প্রতিকার থেকে বঞ্চিত করা
  • ন্যায়পরায়ণ বিচারব্যবস্থার পবিত্রতা রক্ষা করা
  • ন্যায় সুবিচার নিশ্চিত করা

উদাহরণ

যদি কোনো ব্যক্তি প্রতারণার মাধ্যমে চুক্তি সম্পাদন করে পরে সেই চুক্তির Specific Performance দাবি করে, তাহলে আদালত তার আবেদন প্রত্যাখ্যান করবে; কারণ সে ব্যক্তি পরিষ্কার হাতে আদালতে আসেনি।


সীমাবদ্ধতা

  • অসৎ আচরণটি অবশ্যই মামলার বিষয়বস্তুর সঙ্গে সম্পর্কিত হতে হবে
  • অতীতের সম্পূর্ণ ভিন্ন কোনো অন্যায় কাজ এই ম্যাক্সিমের আওতায় পড়বে না

উপসংহার

অতএব, “ম্যাক্সিমটি ন্যায়পরায়ণতার একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি, যা নিশ্চিত করে যে ন্যায়পরায়ণতা কেবল সৎ ন্যায্য ব্যক্তির পক্ষেই কার্যকর হবে

 

 

ন্যায়পরায়ণতা ব্যক্তি-কেন্দ্রিকভাবে কাজ করে”—ব্যাখ্যা

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমসমূহ মূলত ব্যক্তির আচরণ, সদিচ্ছা বিবেকের ওপর ভিত্তি করে প্রয়োগ করা হয়। ন্যায়পরায়ণতা কোনো কাজ বা বস্তুর চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির আচরণ নৈতিক অবস্থানকে

ফলে বলা যায়, ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমসমূহ ব্যক্তি-কেন্দ্রিকভাবে কাজ করে এবং কেবল সৎ ন্যায্য ব্যক্তিকেই ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রদান করে।

 

ন্যায়পরায়ণতা প্রতিকারবিহীন কোনো অন্যায় সহ্য করে না

 

এই ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমের অর্থ হলোযেখানে কোনো আইনগত অন্যায় সংঘটিত হয়েছে, সেখানে ন্যায়পরায়ণতা অবশ্যই উপযুক্ত প্রতিকার প্রদান করবে, যদিও সাধারণ আইন সেই প্রতিকার দিতে ব্যর্থ হয়।

এই নীতি অনুযায়ী, ন্যায়পরায়ণতা অন্যায়কে উপেক্ষা করে না; বরং ন্যায়, সুবিচার বিবেকের আলোকে প্রতিকার নিশ্চিত করে ফলে সাধারণ আইন যেখানে অপর্যাপ্ত বা নীরব, সেখানে ন্যায়পরায়ণতা কার্যকর হয়।

তবে এই ম্যাক্সিমের অর্থ এই নয় যে প্রতিটি নৈতিক অন্যায়ের জন্য প্রতিকার দেওয়া হবে; বরং কেবল আইনস্বীকৃত অন্যায়ের ক্ষেত্রেই ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রযোজ্য।

 

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম (Maxims of Equity) —সংজ্ঞা

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম বলতে সেই সুপ্রতিষ্ঠিত মৌলিক নীতিসমূহকে বোঝায়, যেগুলো ন্যায়পরায়ণ বিচারকার্যে আদালতের জন্য দিকনির্দেশক নিয়ম হিসেবে কাজ করে এবং যেগুলোর আলোকে আদালত ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রদান বা প্রত্যাখ্যান করে।

অন্যভাবে বলা যায়,
ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম হলো ন্যায়, সুবিচার বিবেকভিত্তিক সাধারণ নীতিমালা, যা ন্যায়পরায়ণতার প্রয়োগকে নিয়ন্ত্রিত, সুশৃঙ্খল নির্ভরযোগ্য করে তোলে এবং বিচারিক স্বেচ্ছাচার রোধ করে।

 

সংক্ষিপ্ত সংজ্ঞা

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম হলো ন্যায়পরায়ণতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে আদালত কর্তৃক অনুসৃত মৌলিক দিকনির্দেশক নীতিসমূহ।

 

Maxims of Equity are the fundamental guiding principles on which equitable jurisdiction is exercised.

 

ম্যাক্সিমগুলো ন্যায়পরায়ণতাকে সীমাবদ্ধ করেছে”—সমর্থনের পক্ষে যুক্তি

() বিচারিক স্বেচ্ছাচার রোধ করে

ম্যাক্সিম ছাড়া বিচারক সম্পূর্ণ বিবেকের ওপর নির্ভর করলে বিচার অনিশ্চিত হতো। ম্যাক্সিম ন্যায়পরায়ণতাকে একটি নিয়ন্ত্রিত কাঠামো দিয়েছে।

() আইনের নিশ্চয়তা নিশ্চিত করে

ম্যাক্সিমের কারণে ন্যায়পরায়ণতা নির্দেশনামূলক পূর্বানুমেয় হয়েছে।

() আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখে

ম্যাক্সিম ন্যায়পরায়ণতাকে আইনের অধীন রাখে।


. সমর্থনের বিপক্ষে যুক্তি (আংশিক দ্বিমত)

() অতিরিক্ত কঠোরতা ন্যায়পরায়ণতার উদ্দেশ্য ক্ষুণ্ন করতে পারে

ম্যাক্সিম অত্যন্ত যান্ত্রিকভাবে প্রয়োগ করলে প্রকৃত ন্যায় ব্যাহত হতে পারে।

() ন্যায়পরায়ণতার নমনীয়তা কিছুটা কমে

ন্যায়পরায়ণতা মূলত নমনীয়; ম্যাক্সিম কখনো কখনো সেই নমনীয়তা সীমিত করে।


. মূল্যায়ন নিজস্ব মতামত

আমি আংশিকভাবে সমর্থন করি যে ম্যাক্সিমগুলো ন্যায়পরায়ণতাকে সীমাবদ্ধ করেছে, তবে

  • এই সীমাবদ্ধতা নেতিবাচক নয়, বরং প্রয়োজনীয়
  • এটি ন্যায়পরায়ণতাকে স্বেচ্ছাচার থেকে রক্ষা করেছে
  • ন্যায়পরায়ণতাকে একটি সুসংগঠিত বিচারব্যবস্থায় রূপ দিয়েছে

উপসংহার

সর্বোপরি বলা যায়, ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমসমূহ ন্যায়পরায়ণতাকে সীমিত করলেও তা ন্যায়বিচারের স্বার্থেই। এগুলো ন্যায়পরায়ণতাকে ধ্বংস করেনি; বরং নিয়ন্ত্রিত, নির্ভরযোগ্য কার্যকর করেছে।

 

ম্যাক্সিম  ব্যাখ্যা

 

ন্যায়পরায়ণতার প্রার্থীকে অবশ্যই পরিষ্কার হাতে আসতে হবেএই ম্যাক্সিমটির পরীক্ষায় লেখার উপযোগী ব্যাখ্যা দেওয়া হলো।

 

 ন্যায়পরায়ণতার প্রার্থীকে অবশ্যই পরিষ্কার হয়ে আসতে হবে

ম্যাক্সিমটির অর্থ

এই ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমের অর্থ হলো
যে ব্যক্তি ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রার্থনা করবে, তাকে অবশ্যই সৎ এবং ন্যায়পরায়ণ সদাচরণসম্পন্ন হতে হবে। যে ব্যক্তি নিজেই অন্যায়, প্রতারণা, যে ব্যক্তি অসৎ উদ্দেশ্য বা বেআইনি কাজে লিপ্ত, সে ব্যক্তি ন্যায়পরায়ণতার আশ্রয় নিতে পারে না।


ব্যাখ্যা

ন্যায়পরায়ণতা বিবেকভিত্তিক বিচারব্যবস্থা। আদালত এমন ব্যক্তিকে ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার দেয় না, যে ব্যক্তি নিজেই অন্যায় করেছে। অর্থাৎ, মামলার বিষয়বস্তুর সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো অসৎ আচরণ, প্রতারণা, গোপনীয়তা ভঙ্গ বা অন্যায় কার্য থাকলে আদালত ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রত্যাখ্যান করতে পারে।


ম্যাক্সিমটির উদ্দেশ্যে

  • অসৎ দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে প্রতিকার থেকে বঞ্চিত করা
  • ন্যায়পরায়ণ বিচারব্যবস্থার পবিত্রতা রক্ষা করা
  • ন্যায় সুবিচার নিশ্চিত করা

উদাহরণ

যদি কোনো ব্যক্তি প্রতারণার মাধ্যমে চুক্তি সম্পাদন করে পরে সেই চুক্তির Specific Performance দাবি করে, তাহলে আদালত তার আবেদন প্রত্যাখ্যান করবে; কারণ সে ব্যক্তি পরিষ্কার হাতে আদালতে আসেনি।


সীমাবদ্ধতা

  • অসৎ আচরণটি অবশ্যই মামলার বিষয়বস্তুর সঙ্গে সম্পর্কিত হতে হবে
  • অতীতের সম্পূর্ণ ভিন্ন কোনো অন্যায় কাজ এই ম্যাক্সিমের আওতায় পড়বে না

উপসংহার

অতএব, “ম্যাক্সিমটি ন্যায়পরায়ণতার একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি, যা নিশ্চিত করে যে ন্যায়পরায়ণতা কেবল সৎ ন্যায্য ব্যক্তির পক্ষেই কার্যকর হবে

 

 

ন্যায়পরায়ণতা ব্যক্তি-কেন্দ্রিকভাবে কাজ করে”—ব্যাখ্যা

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমসমূহ মূলত ব্যক্তির আচরণ, সদিচ্ছা বিবেকের ওপর ভিত্তি করে প্রয়োগ করা হয়। ন্যায়পরায়ণতা কোনো কাজ বা বস্তুর চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির আচরণ নৈতিক অবস্থানকে

ফলে বলা যায়, ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমসমূহ ব্যক্তি-কেন্দ্রিকভাবে কাজ করে এবং কেবল সৎ ন্যায্য ব্যক্তিকেই ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রদান করে।

 

ন্যায়পরায়ণতা প্রতিকারবিহীন কোনো অন্যায় সহ্য করে না

 

এই ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমের অর্থ হলোযেখানে কোনো আইনগত অন্যায় সংঘটিত হয়েছে, সেখানে ন্যায়পরায়ণতা অবশ্যই উপযুক্ত প্রতিকার প্রদান করবে, যদিও সাধারণ আইন সেই প্রতিকার দিতে ব্যর্থ হয়।

এই নীতি অনুযায়ী, ন্যায়পরায়ণতা অন্যায়কে উপেক্ষা করে না; বরং ন্যায়, সুবিচার বিবেকের আলোকে প্রতিকার নিশ্চিত করে ফলে সাধারণ আইন যেখানে অপর্যাপ্ত বা নীরব, সেখানে ন্যায়পরায়ণতা কার্যকর হয়।

তবে এই ম্যাক্সিমের অর্থ এই নয় যে প্রতিটি নৈতিক অন্যায়ের জন্য প্রতিকার দেওয়া হবে; বরং কেবল আইনস্বীকৃত অন্যায়ের ক্ষেত্রেই ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রযোজ্য।

 

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম (Maxims of Equity) —সংজ্ঞা

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম বলতে সেই সুপ্রতিষ্ঠিত মৌলিক নীতিসমূহকে বোঝায়, যেগুলো ন্যায়পরায়ণ বিচারকার্যে আদালতের জন্য দিকনির্দেশক নিয়ম হিসেবে কাজ করে এবং যেগুলোর আলোকে আদালত ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রদান বা প্রত্যাখ্যান করে।

অন্যভাবে বলা যায়,
ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম হলো ন্যায়, সুবিচার বিবেকভিত্তিক সাধারণ নীতিমালা, যা ন্যায়পরায়ণতার প্রয়োগকে নিয়ন্ত্রিত, সুশৃঙ্খল নির্ভরযোগ্য করে তোলে এবং বিচারিক স্বেচ্ছাচার রোধ করে।

 

সংক্ষিপ্ত সংজ্ঞা

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম হলো ন্যায়পরায়ণতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে আদালত কর্তৃক অনুসৃত মৌলিক দিকনির্দেশক নীতিসমূহ।

 

Maxims of Equity are the fundamental guiding principles on which equitable jurisdiction is exercised.

 

ম্যাক্সিমগুলো ন্যায়পরায়ণতাকে সীমাবদ্ধ করেছে”—সমর্থনের পক্ষে যুক্তি

() বিচারিক স্বেচ্ছাচার রোধ করে

ম্যাক্সিম ছাড়া বিচারক সম্পূর্ণ বিবেকের ওপর নির্ভর করলে বিচার অনিশ্চিত হতো। ম্যাক্সিম ন্যায়পরায়ণতাকে একটি নিয়ন্ত্রিত কাঠামো দিয়েছে।

() আইনের নিশ্চয়তা নিশ্চিত করে

ম্যাক্সিমের কারণে ন্যায়পরায়ণতা নির্দেশনামূলক পূর্বানুমেয় হয়েছে।

() আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখে

ম্যাক্সিম ন্যায়পরায়ণতাকে আইনের অধীন রাখে।


. সমর্থনের বিপক্ষে যুক্তি (আংশিক দ্বিমত)

() অতিরিক্ত কঠোরতা ন্যায়পরায়ণতার উদ্দেশ্য ক্ষুণ্ন করতে পারে

ম্যাক্সিম অত্যন্ত যান্ত্রিকভাবে প্রয়োগ করলে প্রকৃত ন্যায় ব্যাহত হতে পারে।

() ন্যায়পরায়ণতার নমনীয়তা কিছুটা কমে

ন্যায়পরায়ণতা মূলত নমনীয়; ম্যাক্সিম কখনো কখনো সেই নমনীয়তা সীমিত করে।


. মূল্যায়ন নিজস্ব মতামত

আমি আংশিকভাবে সমর্থন করি যে ম্যাক্সিমগুলো ন্যায়পরায়ণতাকে সীমাবদ্ধ করেছে, তবে

  • এই সীমাবদ্ধতা নেতিবাচক নয়, বরং প্রয়োজনীয়
  • এটি ন্যায়পরায়ণতাকে স্বেচ্ছাচার থেকে রক্ষা করেছে
  • ন্যায়পরায়ণতাকে একটি সুসংগঠিত বিচারব্যবস্থায় রূপ দিয়েছে

উপসংহার

সর্বোপরি বলা যায়, ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমসমূহ ন্যায়পরায়ণতাকে সীমিত করলেও তা ন্যায়বিচারের স্বার্থেই। এগুলো ন্যায়পরায়ণতাকে ধ্বংস করেনি; বরং নিয়ন্ত্রিত, নির্ভরযোগ্য কার্যকর করেছে।

 

ম্যাক্সিম  ব্যাখ্যা

 

ন্যায়পরায়ণতার প্রার্থীকে অবশ্যই পরিষ্কার হাতে আসতে হবেএই ম্যাক্সিমটির পরীক্ষায় লেখার উপযোগী ব্যাখ্যা দেওয়া হলো।

 

 ন্যায়পরায়ণতার প্রার্থীকে অবশ্যই পরিষ্কার হয়ে আসতে হবে

ম্যাক্সিমটির অর্থ

এই ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমের অর্থ হলো
যে ব্যক্তি ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রার্থনা করবে, তাকে অবশ্যই সৎ এবং ন্যায়পরায়ণ সদাচরণসম্পন্ন হতে হবে। যে ব্যক্তি নিজেই অন্যায়, প্রতারণা, যে ব্যক্তি অসৎ উদ্দেশ্য বা বেআইনি কাজে লিপ্ত, সে ব্যক্তি ন্যায়পরায়ণতার আশ্রয় নিতে পারে না।


ব্যাখ্যা

ন্যায়পরায়ণতা বিবেকভিত্তিক বিচারব্যবস্থা। আদালত এমন ব্যক্তিকে ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার দেয় না, যে ব্যক্তি নিজেই অন্যায় করেছে। অর্থাৎ, মামলার বিষয়বস্তুর সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো অসৎ আচরণ, প্রতারণা, গোপনীয়তা ভঙ্গ বা অন্যায় কার্য থাকলে আদালত ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রত্যাখ্যান করতে পারে।


ম্যাক্সিমটির উদ্দেশ্যে

  • অসৎ দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে প্রতিকার থেকে বঞ্চিত করা
  • ন্যায়পরায়ণ বিচারব্যবস্থার পবিত্রতা রক্ষা করা
  • ন্যায় সুবিচার নিশ্চিত করা

উদাহরণ

যদি কোনো ব্যক্তি প্রতারণার মাধ্যমে চুক্তি সম্পাদন করে পরে সেই চুক্তির Specific Performance দাবি করে, তাহলে আদালত তার আবেদন প্রত্যাখ্যান করবে; কারণ সে ব্যক্তি পরিষ্কার হাতে আদালতে আসেনি।


সীমাবদ্ধতা

  • অসৎ আচরণটি অবশ্যই মামলার বিষয়বস্তুর সঙ্গে সম্পর্কিত হতে হবে
  • অতীতের সম্পূর্ণ ভিন্ন কোনো অন্যায় কাজ এই ম্যাক্সিমের আওতায় পড়বে না

উপসংহার

অতএব, “ম্যাক্সিমটি ন্যায়পরায়ণতার একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি, যা নিশ্চিত করে যে ন্যায়পরায়ণতা কেবল সৎ ন্যায্য ব্যক্তির পক্ষেই কার্যকর হবে

 

 

ন্যায়পরায়ণতা ব্যক্তি-কেন্দ্রিকভাবে কাজ করে”—ব্যাখ্যা

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমসমূহ মূলত ব্যক্তির আচরণ, সদিচ্ছা বিবেকের ওপর ভিত্তি করে প্রয়োগ করা হয়। ন্যায়পরায়ণতা কোনো কাজ বা বস্তুর চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির আচরণ নৈতিক অবস্থানকে

ফলে বলা যায়, ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমসমূহ ব্যক্তি-কেন্দ্রিকভাবে কাজ করে এবং কেবল সৎ ন্যায্য ব্যক্তিকেই ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রদান করে।

 

ন্যায়পরায়ণতা প্রতিকারবিহীন কোনো অন্যায় সহ্য করে না

 

এই ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমের অর্থ হলোযেখানে কোনো আইনগত অন্যায় সংঘটিত হয়েছে, সেখানে ন্যায়পরায়ণতা অবশ্যই উপযুক্ত প্রতিকার প্রদান করবে, যদিও সাধারণ আইন সেই প্রতিকার দিতে ব্যর্থ হয়।

এই নীতি অনুযায়ী, ন্যায়পরায়ণতা অন্যায়কে উপেক্ষা করে না; বরং ন্যায়, সুবিচার বিবেকের আলোকে প্রতিকার নিশ্চিত করে ফলে সাধারণ আইন যেখানে অপর্যাপ্ত বা নীরব, সেখানে ন্যায়পরায়ণতা কার্যকর হয়।

তবে এই ম্যাক্সিমের অর্থ এই নয় যে প্রতিটি নৈতিক অন্যায়ের জন্য প্রতিকার দেওয়া হবে; বরং কেবল আইনস্বীকৃত অন্যায়ের ক্ষেত্রেই ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রযোজ্য।

 

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম (Maxims of Equity) —সংজ্ঞা

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম বলতে সেই সুপ্রতিষ্ঠিত মৌলিক নীতিসমূহকে বোঝায়, যেগুলো ন্যায়পরায়ণ বিচারকার্যে আদালতের জন্য দিকনির্দেশক নিয়ম হিসেবে কাজ করে এবং যেগুলোর আলোকে আদালত ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রদান বা প্রত্যাখ্যান করে।

অন্যভাবে বলা যায়,
ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম হলো ন্যায়, সুবিচার বিবেকভিত্তিক সাধারণ নীতিমালা, যা ন্যায়পরায়ণতার প্রয়োগকে নিয়ন্ত্রিত, সুশৃঙ্খল নির্ভরযোগ্য করে তোলে এবং বিচারিক স্বেচ্ছাচার রোধ করে।

 

সংক্ষিপ্ত সংজ্ঞা

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম হলো ন্যায়পরায়ণতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে আদালত কর্তৃক অনুসৃত মৌলিক দিকনির্দেশক নীতিসমূহ।

 

Maxims of Equity are the fundamental guiding principles on which equitable jurisdiction is exercised.

 

ম্যাক্সিমগুলো ন্যায়পরায়ণতাকে সীমাবদ্ধ করেছে”—সমর্থনের পক্ষে যুক্তি

() বিচারিক স্বেচ্ছাচার রোধ করে

ম্যাক্সিম ছাড়া বিচারক সম্পূর্ণ বিবেকের ওপর নির্ভর করলে বিচার অনিশ্চিত হতো। ম্যাক্সিম ন্যায়পরায়ণতাকে একটি নিয়ন্ত্রিত কাঠামো দিয়েছে।

() আইনের নিশ্চয়তা নিশ্চিত করে

ম্যাক্সিমের কারণে ন্যায়পরায়ণতা নির্দেশনামূলক পূর্বানুমেয় হয়েছে।

() আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখে

ম্যাক্সিম ন্যায়পরায়ণতাকে আইনের অধীন রাখে।


. সমর্থনের বিপক্ষে যুক্তি (আংশিক দ্বিমত)

() অতিরিক্ত কঠোরতা ন্যায়পরায়ণতার উদ্দেশ্য ক্ষুণ্ন করতে পারে

ম্যাক্সিম অত্যন্ত যান্ত্রিকভাবে প্রয়োগ করলে প্রকৃত ন্যায় ব্যাহত হতে পারে।

() ন্যায়পরায়ণতার নমনীয়তা কিছুটা কমে

ন্যায়পরায়ণতা মূলত নমনীয়; ম্যাক্সিম কখনো কখনো সেই নমনীয়তা সীমিত করে।


. মূল্যায়ন নিজস্ব মতামত

আমি আংশিকভাবে সমর্থন করি যে ম্যাক্সিমগুলো ন্যায়পরায়ণতাকে সীমাবদ্ধ করেছে, তবে

  • এই সীমাবদ্ধতা নেতিবাচক নয়, বরং প্রয়োজনীয়
  • এটি ন্যায়পরায়ণতাকে স্বেচ্ছাচার থেকে রক্ষা করেছে
  • ন্যায়পরায়ণতাকে একটি সুসংগঠিত বিচারব্যবস্থায় রূপ দিয়েছে

উপসংহার

সর্বোপরি বলা যায়, ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমসমূহ ন্যায়পরায়ণতাকে সীমিত করলেও তা ন্যায়বিচারের স্বার্থেই। এগুলো ন্যায়পরায়ণতাকে ধ্বংস করেনি; বরং নিয়ন্ত্রিত, নির্ভরযোগ্য কার্যকর করেছে।

 

ম্যাক্সিম  ব্যাখ্যা

 

ন্যায়পরায়ণতার প্রার্থীকে অবশ্যই পরিষ্কার হাতে আসতে হবেএই ম্যাক্সিমটির পরীক্ষায় লেখার উপযোগী ব্যাখ্যা দেওয়া হলো।

 

 ন্যায়পরায়ণতার প্রার্থীকে অবশ্যই পরিষ্কার হয়ে আসতে হবে

ম্যাক্সিমটির অর্থ

এই ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমের অর্থ হলো
যে ব্যক্তি ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রার্থনা করবে, তাকে অবশ্যই সৎ এবং ন্যায়পরায়ণ সদাচরণসম্পন্ন হতে হবে। যে ব্যক্তি নিজেই অন্যায়, প্রতারণা, যে ব্যক্তি অসৎ উদ্দেশ্য বা বেআইনি কাজে লিপ্ত, সে ব্যক্তি ন্যায়পরায়ণতার আশ্রয় নিতে পারে না।


ব্যাখ্যা

ন্যায়পরায়ণতা বিবেকভিত্তিক বিচারব্যবস্থা। আদালত এমন ব্যক্তিকে ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার দেয় না, যে ব্যক্তি নিজেই অন্যায় করেছে। অর্থাৎ, মামলার বিষয়বস্তুর সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো অসৎ আচরণ, প্রতারণা, গোপনীয়তা ভঙ্গ বা অন্যায় কার্য থাকলে আদালত ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রত্যাখ্যান করতে পারে।


ম্যাক্সিমটির উদ্দেশ্যে

  • অসৎ দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে প্রতিকার থেকে বঞ্চিত করা
  • ন্যায়পরায়ণ বিচারব্যবস্থার পবিত্রতা রক্ষা করা
  • ন্যায় সুবিচার নিশ্চিত করা

উদাহরণ

যদি কোনো ব্যক্তি প্রতারণার মাধ্যমে চুক্তি সম্পাদন করে পরে সেই চুক্তির Specific Performance দাবি করে, তাহলে আদালত তার আবেদন প্রত্যাখ্যান করবে; কারণ সে ব্যক্তি পরিষ্কার হাতে আদালতে আসেনি।


সীমাবদ্ধতা

  • অসৎ আচরণটি অবশ্যই মামলার বিষয়বস্তুর সঙ্গে সম্পর্কিত হতে হবে
  • অতীতের সম্পূর্ণ ভিন্ন কোনো অন্যায় কাজ এই ম্যাক্সিমের আওতায় পড়বে না

উপসংহার

অতএব, “ম্যাক্সিমটি ন্যায়পরায়ণতার একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি, যা নিশ্চিত করে যে ন্যায়পরায়ণতা কেবল সৎ ন্যায্য ব্যক্তির পক্ষেই কার্যকর হবে

 

 

ন্যায়পরায়ণতা ব্যক্তি-কেন্দ্রিকভাবে কাজ করে”—ব্যাখ্যা

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমসমূহ মূলত ব্যক্তির আচরণ, সদিচ্ছা বিবেকের ওপর ভিত্তি করে প্রয়োগ করা হয়। ন্যায়পরায়ণতা কোনো কাজ বা বস্তুর চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির আচরণ নৈতিক অবস্থানকে

ফলে বলা যায়, ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমসমূহ ব্যক্তি-কেন্দ্রিকভাবে কাজ করে এবং কেবল সৎ ন্যায্য ব্যক্তিকেই ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রদান করে।

 

ন্যায়পরায়ণতা প্রতিকারবিহীন কোনো অন্যায় সহ্য করে না

 

এই ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমের অর্থ হলোযেখানে কোনো আইনগত অন্যায় সংঘটিত হয়েছে, সেখানে ন্যায়পরায়ণতা অবশ্যই উপযুক্ত প্রতিকার প্রদান করবে, যদিও সাধারণ আইন সেই প্রতিকার দিতে ব্যর্থ হয়।

এই নীতি অনুযায়ী, ন্যায়পরায়ণতা অন্যায়কে উপেক্ষা করে না; বরং ন্যায়, সুবিচার বিবেকের আলোকে প্রতিকার নিশ্চিত করে ফলে সাধারণ আইন যেখানে অপর্যাপ্ত বা নীরব, সেখানে ন্যায়পরায়ণতা কার্যকর হয়।

তবে এই ম্যাক্সিমের অর্থ এই নয় যে প্রতিটি নৈতিক অন্যায়ের জন্য প্রতিকার দেওয়া হবে; বরং কেবল আইনস্বীকৃত অন্যায়ের ক্ষেত্রেই ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রযোজ্য।

 

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম (Maxims of Equity) —সংজ্ঞা

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম বলতে সেই সুপ্রতিষ্ঠিত মৌলিক নীতিসমূহকে বোঝায়, যেগুলো ন্যায়পরায়ণ বিচারকার্যে আদালতের জন্য দিকনির্দেশক নিয়ম হিসেবে কাজ করে এবং যেগুলোর আলোকে আদালত ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রদান বা প্রত্যাখ্যান করে।

অন্যভাবে বলা যায়,
ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম হলো ন্যায়, সুবিচার বিবেকভিত্তিক সাধারণ নীতিমালা, যা ন্যায়পরায়ণতার প্রয়োগকে নিয়ন্ত্রিত, সুশৃঙ্খল নির্ভরযোগ্য করে তোলে এবং বিচারিক স্বেচ্ছাচার রোধ করে।

 

সংক্ষিপ্ত সংজ্ঞা

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম হলো ন্যায়পরায়ণতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে আদালত কর্তৃক অনুসৃত মৌলিক দিকনির্দেশক নীতিসমূহ।

 

Maxims of Equity are the fundamental guiding principles on which equitable jurisdiction is exercised.

 

ম্যাক্সিমগুলো ন্যায়পরায়ণতাকে সীমাবদ্ধ করেছে”—সমর্থনের পক্ষে যুক্তি

() বিচারিক স্বেচ্ছাচার রোধ করে

ম্যাক্সিম ছাড়া বিচারক সম্পূর্ণ বিবেকের ওপর নির্ভর করলে বিচার অনিশ্চিত হতো। ম্যাক্সিম ন্যায়পরায়ণতাকে একটি নিয়ন্ত্রিত কাঠামো দিয়েছে।

() আইনের নিশ্চয়তা নিশ্চিত করে

ম্যাক্সিমের কারণে ন্যায়পরায়ণতা নির্দেশনামূলক পূর্বানুমেয় হয়েছে।

() আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখে

ম্যাক্সিম ন্যায়পরায়ণতাকে আইনের অধীন রাখে।


. সমর্থনের বিপক্ষে যুক্তি (আংশিক দ্বিমত)

() অতিরিক্ত কঠোরতা ন্যায়পরায়ণতার উদ্দেশ্য ক্ষুণ্ন করতে পারে

ম্যাক্সিম অত্যন্ত যান্ত্রিকভাবে প্রয়োগ করলে প্রকৃত ন্যায় ব্যাহত হতে পারে।

() ন্যায়পরায়ণতার নমনীয়তা কিছুটা কমে

ন্যায়পরায়ণতা মূলত নমনীয়; ম্যাক্সিম কখনো কখনো সেই নমনীয়তা সীমিত করে।


. মূল্যায়ন নিজস্ব মতামত

আমি আংশিকভাবে সমর্থন করি যে ম্যাক্সিমগুলো ন্যায়পরায়ণতাকে সীমাবদ্ধ করেছে, তবে

  • এই সীমাবদ্ধতা নেতিবাচক নয়, বরং প্রয়োজনীয়
  • এটি ন্যায়পরায়ণতাকে স্বেচ্ছাচার থেকে রক্ষা করেছে
  • ন্যায়পরায়ণতাকে একটি সুসংগঠিত বিচারব্যবস্থায় রূপ দিয়েছে

উপসংহার

সর্বোপরি বলা যায়, ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমসমূহ ন্যায়পরায়ণতাকে সীমিত করলেও তা ন্যায়বিচারের স্বার্থেই। এগুলো ন্যায়পরায়ণতাকে ধ্বংস করেনি; বরং নিয়ন্ত্রিত, নির্ভরযোগ্য কার্যকর করেছে।

 

ম্যাক্সিম  ব্যাখ্যা

 

ন্যায়পরায়ণতার প্রার্থীকে অবশ্যই পরিষ্কার হাতে আসতে হবেএই ম্যাক্সিমটির পরীক্ষায় লেখার উপযোগী ব্যাখ্যা দেওয়া হলো।

 

 ন্যায়পরায়ণতার প্রার্থীকে অবশ্যই পরিষ্কার হয়ে আসতে হবে

ম্যাক্সিমটির অর্থ

এই ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমের অর্থ হলো
যে ব্যক্তি ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রার্থনা করবে, তাকে অবশ্যই সৎ এবং ন্যায়পরায়ণ সদাচরণসম্পন্ন হতে হবে। যে ব্যক্তি নিজেই অন্যায়, প্রতারণা, যে ব্যক্তি অসৎ উদ্দেশ্য বা বেআইনি কাজে লিপ্ত, সে ব্যক্তি ন্যায়পরায়ণতার আশ্রয় নিতে পারে না।


ব্যাখ্যা

ন্যায়পরায়ণতা বিবেকভিত্তিক বিচারব্যবস্থা। আদালত এমন ব্যক্তিকে ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার দেয় না, যে ব্যক্তি নিজেই অন্যায় করেছে। অর্থাৎ, মামলার বিষয়বস্তুর সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো অসৎ আচরণ, প্রতারণা, গোপনীয়তা ভঙ্গ বা অন্যায় কার্য থাকলে আদালত ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রত্যাখ্যান করতে পারে।


ম্যাক্সিমটির উদ্দেশ্যে

  • অসৎ দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে প্রতিকার থেকে বঞ্চিত করা
  • ন্যায়পরায়ণ বিচারব্যবস্থার পবিত্রতা রক্ষা করা
  • ন্যায় সুবিচার নিশ্চিত করা

উদাহরণ

যদি কোনো ব্যক্তি প্রতারণার মাধ্যমে চুক্তি সম্পাদন করে পরে সেই চুক্তির Specific Performance দাবি করে, তাহলে আদালত তার আবেদন প্রত্যাখ্যান করবে; কারণ সে ব্যক্তি পরিষ্কার হাতে আদালতে আসেনি।


সীমাবদ্ধতা

  • অসৎ আচরণটি অবশ্যই মামলার বিষয়বস্তুর সঙ্গে সম্পর্কিত হতে হবে
  • অতীতের সম্পূর্ণ ভিন্ন কোনো অন্যায় কাজ এই ম্যাক্সিমের আওতায় পড়বে না

উপসংহার

অতএব, “ম্যাক্সিমটি ন্যায়পরায়ণতার একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি, যা নিশ্চিত করে যে ন্যায়পরায়ণতা কেবল সৎ ন্যায্য ব্যক্তির পক্ষেই কার্যকর হবে

 

 

ন্যায়পরায়ণতা ব্যক্তি-কেন্দ্রিকভাবে কাজ করে”—ব্যাখ্যা

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমসমূহ মূলত ব্যক্তির আচরণ, সদিচ্ছা বিবেকের ওপর ভিত্তি করে প্রয়োগ করা হয়। ন্যায়পরায়ণতা কোনো কাজ বা বস্তুর চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির আচরণ নৈতিক অবস্থানকে

ফলে বলা যায়, ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমসমূহ ব্যক্তি-কেন্দ্রিকভাবে কাজ করে এবং কেবল সৎ ন্যায্য ব্যক্তিকেই ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রদান করে।

 

ন্যায়পরায়ণতা প্রতিকারবিহীন কোনো অন্যায় সহ্য করে না

 

এই ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমের অর্থ হলোযেখানে কোনো আইনগত অন্যায় সংঘটিত হয়েছে, সেখানে ন্যায়পরায়ণতা অবশ্যই উপযুক্ত প্রতিকার প্রদান করবে, যদিও সাধারণ আইন সেই প্রতিকার দিতে ব্যর্থ হয়।

এই নীতি অনুযায়ী, ন্যায়পরায়ণতা অন্যায়কে উপেক্ষা করে না; বরং ন্যায়, সুবিচার বিবেকের আলোকে প্রতিকার নিশ্চিত করে ফলে সাধারণ আইন যেখানে অপর্যাপ্ত বা নীরব, সেখানে ন্যায়পরায়ণতা কার্যকর হয়।

তবে এই ম্যাক্সিমের অর্থ এই নয় যে প্রতিটি নৈতিক অন্যায়ের জন্য প্রতিকার দেওয়া হবে; বরং কেবল আইনস্বীকৃত অন্যায়ের ক্ষেত্রেই ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রযোজ্য।

 

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম (Maxims of Equity) —সংজ্ঞা

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম বলতে সেই সুপ্রতিষ্ঠিত মৌলিক নীতিসমূহকে বোঝায়, যেগুলো ন্যায়পরায়ণ বিচারকার্যে আদালতের জন্য দিকনির্দেশক নিয়ম হিসেবে কাজ করে এবং যেগুলোর আলোকে আদালত ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রদান বা প্রত্যাখ্যান করে।

অন্যভাবে বলা যায়,
ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম হলো ন্যায়, সুবিচার বিবেকভিত্তিক সাধারণ নীতিমালা, যা ন্যায়পরায়ণতার প্রয়োগকে নিয়ন্ত্রিত, সুশৃঙ্খল নির্ভরযোগ্য করে তোলে এবং বিচারিক স্বেচ্ছাচার রোধ করে।

 

সংক্ষিপ্ত সংজ্ঞা

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিম হলো ন্যায়পরায়ণতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে আদালত কর্তৃক অনুসৃত মৌলিক দিকনির্দেশক নীতিসমূহ।

 

Maxims of Equity are the fundamental guiding principles on which equitable jurisdiction is exercised.

 

ম্যাক্সিমগুলো ন্যায়পরায়ণতাকে সীমাবদ্ধ করেছে”—সমর্থনের পক্ষে যুক্তি

() বিচারিক স্বেচ্ছাচার রোধ করে

ম্যাক্সিম ছাড়া বিচারক সম্পূর্ণ বিবেকের ওপর নির্ভর করলে বিচার অনিশ্চিত হতো। ম্যাক্সিম ন্যায়পরায়ণতাকে একটি নিয়ন্ত্রিত কাঠামো দিয়েছে।

() আইনের নিশ্চয়তা নিশ্চিত করে

ম্যাক্সিমের কারণে ন্যায়পরায়ণতা নির্দেশনামূলক পূর্বানুমেয় হয়েছে।

() আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখে

ম্যাক্সিম ন্যায়পরায়ণতাকে আইনের অধীন রাখে।


. সমর্থনের বিপক্ষে যুক্তি (আংশিক দ্বিমত)

() অতিরিক্ত কঠোরতা ন্যায়পরায়ণতার উদ্দেশ্য ক্ষুণ্ন করতে পারে

ম্যাক্সিম অত্যন্ত যান্ত্রিকভাবে প্রয়োগ করলে প্রকৃত ন্যায় ব্যাহত হতে পারে।

() ন্যায়পরায়ণতার নমনীয়তা কিছুটা কমে

ন্যায়পরায়ণতা মূলত নমনীয়; ম্যাক্সিম কখনো কখনো সেই নমনীয়তা সীমিত করে।


. মূল্যায়ন নিজস্ব মতামত

আমি আংশিকভাবে সমর্থন করি যে ম্যাক্সিমগুলো ন্যায়পরায়ণতাকে সীমাবদ্ধ করেছে, তবে

  • এই সীমাবদ্ধতা নেতিবাচক নয়, বরং প্রয়োজনীয়
  • এটি ন্যায়পরায়ণতাকে স্বেচ্ছাচার থেকে রক্ষা করেছে
  • ন্যায়পরায়ণতাকে একটি সুসংগঠিত বিচারব্যবস্থায় রূপ দিয়েছে

উপসংহার

সর্বোপরি বলা যায়, ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমসমূহ ন্যায়পরায়ণতাকে সীমিত করলেও তা ন্যায়বিচারের স্বার্থেই। এগুলো ন্যায়পরায়ণতাকে ধ্বংস করেনি; বরং নিয়ন্ত্রিত, নির্ভরযোগ্য কার্যকর করেছে।

 

ম্যাক্সিম  ব্যাখ্যা

 

ন্যায়পরায়ণতার প্রার্থীকে অবশ্যই পরিষ্কার হাতে আসতে হবেএই ম্যাক্সিমটির পরীক্ষায় লেখার উপযোগী ব্যাখ্যা দেওয়া হলো।

 

 ন্যায়পরায়ণতার প্রার্থীকে অবশ্যই পরিষ্কার হয়ে আসতে হবে

ম্যাক্সিমটির অর্থ

এই ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমের অর্থ হলো
যে ব্যক্তি ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রার্থনা করবে, তাকে অবশ্যই সৎ এবং ন্যায়পরায়ণ সদাচরণসম্পন্ন হতে হবে। যে ব্যক্তি নিজেই অন্যায়, প্রতারণা, যে ব্যক্তি অসৎ উদ্দেশ্য বা বেআইনি কাজে লিপ্ত, সে ব্যক্তি ন্যায়পরায়ণতার আশ্রয় নিতে পারে না।


ব্যাখ্যা

ন্যায়পরায়ণতা বিবেকভিত্তিক বিচারব্যবস্থা। আদালত এমন ব্যক্তিকে ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার দেয় না, যে ব্যক্তি নিজেই অন্যায় করেছে। অর্থাৎ, মামলার বিষয়বস্তুর সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো অসৎ আচরণ, প্রতারণা, গোপনীয়তা ভঙ্গ বা অন্যায় কার্য থাকলে আদালত ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রত্যাখ্যান করতে পারে।


ম্যাক্সিমটির উদ্দেশ্যে

  • অসৎ দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে প্রতিকার থেকে বঞ্চিত করা
  • ন্যায়পরায়ণ বিচারব্যবস্থার পবিত্রতা রক্ষা করা
  • ন্যায় সুবিচার নিশ্চিত করা

উদাহরণ

যদি কোনো ব্যক্তি প্রতারণার মাধ্যমে চুক্তি সম্পাদন করে পরে সেই চুক্তির Specific Performance দাবি করে, তাহলে আদালত তার আবেদন প্রত্যাখ্যান করবে; কারণ সে ব্যক্তি পরিষ্কার হাতে আদালতে আসেনি।


সীমাবদ্ধতা

  • অসৎ আচরণটি অবশ্যই মামলার বিষয়বস্তুর সঙ্গে সম্পর্কিত হতে হবে
  • অতীতের সম্পূর্ণ ভিন্ন কোনো অন্যায় কাজ এই ম্যাক্সিমের আওতায় পড়বে না

উপসংহার

অতএব, “ম্যাক্সিমটি ন্যায়পরায়ণতার একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি, যা নিশ্চিত করে যে ন্যায়পরায়ণতা কেবল সৎ ন্যায্য ব্যক্তির পক্ষেই কার্যকর হবে

 

 

ন্যায়পরায়ণতা ব্যক্তি-কেন্দ্রিকভাবে কাজ করে”—ব্যাখ্যা

ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমসমূহ মূলত ব্যক্তির আচরণ, সদিচ্ছা বিবেকের ওপর ভিত্তি করে প্রয়োগ করা হয়। ন্যায়পরায়ণতা কোনো কাজ বা বস্তুর চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির আচরণ নৈতিক অবস্থানকে

ফলে বলা যায়, ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমসমূহ ব্যক্তি-কেন্দ্রিকভাবে কাজ করে এবং কেবল সৎ ন্যায্য ব্যক্তিকেই ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রদান করে।

 

ন্যায়পরায়ণতা প্রতিকারবিহীন কোনো অন্যায় সহ্য করে না

 

এই ন্যায়পরায়ণতার ম্যাক্সিমের অর্থ হলোযেখানে কোনো আইনগত অন্যায় সংঘটিত হয়েছে, সেখানে ন্যায়পরায়ণতা অবশ্যই উপযুক্ত প্রতিকার প্রদান করবে, যদিও সাধারণ আইন সেই প্রতিকার দিতে ব্যর্থ হয়।

এই নীতি অনুযায়ী, ন্যায়পরায়ণতা অন্যায়কে উপেক্ষা করে না; বরং ন্যায়, সুবিচার বিবেকের আলোকে প্রতিকার নিশ্চিত করে ফলে সাধারণ আইন যেখানে অপর্যাপ্ত বা নীরব, সেখানে ন্যায়পরায়ণতা কার্যকর হয়।

তবে এই ম্যাক্সিমের অর্থ এই নয় যে প্রতিটি নৈতিক অন্যায়ের জন্য প্রতিকার দেওয়া হবে; বরং কেবল আইনস্বীকৃত অন্যায়ের ক্ষেত্রেই ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রযোজ্য।

 

No comments

Powered by Blogger.