Header Ads

Header ADS

রাজস্ব আইন এল এল বি ১ম বর্ষ পরীক্ষা স্পেশাল শর্ট সাজেশন অনুযায়ী প্রশ্ন উত্তর সহজ ও সাবলীয় ভাষায় পার্ট- ৭

রাজস্ব আইন এল এল বি ১ম বর্ষ পরীক্ষা স্পেশাল শর্ট সাজেশন অনুযায়ী প্রশ্ন উত্তর সহজ ও সাবলীয় ভাষায় পার্ট- ৭




 (সার্বজনীন স্বনির্ধারণী পদ্ধতি বলতে কী বুঝউপকর কমিশনার কি সার্বজনীন স্বনির্ধারণী পদ্ধতিতে দাখিলকৃত রিটার্ন পুনঃউন্মোচন বা রিটার্নের সময়সীমা বৃদ্ধি করতে পারে ?

(আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪ এর আওতায় অপ্রদর্শিত আয় কী কী শর্তে এবং কোন কোন খাতে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে তা বর্ণনা কর। কর এর শ্রেণিবিভাগ এবং তাদের মধ্যে পার্থক্য আলোচনা কর।

সার্বজনীন স্বনির্ধারণী পদ্ধতি (Universal Self-Assessment System) হলো এমন একটি আধুনিক আয়কর ব্যবস্থা, যেখানে করদাতা নিজেই তার আয়, ব্যয়, করযোগ্য আয় প্রদেয় কর নির্ধারণ করে এবং নিজ দায়িত্বে আয়কর রিটার্ন দাখিল করে। এই পদ্ধতিতে কর কর্তৃপক্ষ প্রাথমিকভাবে কর নির্ধারণ করে না; বরং করদাতার রিটার্নকে সঠিক বলে ধরে নেওয়া হয়।

সংজ্ঞা:

যে পদ্ধতিতে করদাতা স্ব-উদ্যোগে নিজ দায়িত্বে আয়কর রিটার্ন দাখিল করে এবং সরকার তা সাধারণভাবে যাচাই ছাড়া গ্রহণ করে, তাকে সার্বজনীন স্বনির্ধারণী পদ্ধতি বলা হয়।

উপকর কমিশনার কি সার্বজনীন স্বনির্ধারণী পদ্ধতিতে দাখিলকৃত রিটার্ন পুনঃউন্মোচন বা রিটার্নের সময়সীমা বৃদ্ধি করতে পারে ?

হ্যাঁ, উপকর কমিশনার সার্বজনীন স্বনির্ধারণী পদ্ধতিতে দাখিলকৃত রিটার্নের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শর্তে রিটার্ন পুনঃউন্মোচন বা রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা বৃদ্ধি করতে পারেন।

 

 

. রিটার্ন পুনঃউন্মোচনের ক্ষমতা

উপকর কমিশনার রিটার্ন পুনঃউন্মোচন করতে পারেন, যদি

1.      করদাতা আয় গোপন করেন।

2.      মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রদান করা হয়।

3.      জাল কাগজপত্র বা প্রতারণা করা হয়।

4.      আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

অর্থাৎ, স্বনির্ধারণী পদ্ধতিতে দাখিলকৃত রিটার্ন সঠিক না হলে বা প্রতারণার প্রমাণ থাকলে উপকর কমিশনার পুনঃউন্মোচন পুনঃকর নির্ধারণ করতে পারেন।

 

. রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা বৃদ্ধি

উপকর কমিশনার যুক্তিসংগত কারণে রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা বৃদ্ধি করতে পারেন।

শর্তসমূহ:

1.      করদাতা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লিখিত আবেদন দাখিল করবেন।

2.      আবেদনপত্রে যৌক্তিক কারণ থাকতে হবে, যেমন

o    অসুস্থতা

o    প্রাকৃতিক দুর্যোগ

o    গুরুত্বপূর্ণ নথি অনুপস্থিত

o    যান্ত্রিক বা প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে অনলাইন রিটার্ন দাখিল সম্ভব নয়

3.      উপকর কমিশনার আবেদন সন্তোষজনক মনে করলে সীমিত সময়ের জন্য সময়সীমা বৃদ্ধি করতে পারেন।

 

উপসংহার

·         সার্বজনীন স্বনির্ধারণী পদ্ধতিতে করদাতা মূলত স্ব-উদ্যোগে রিটার্ন দাখিল করে।

·         তবে প্রতারণা বা ভুল তথ্যের ক্ষেত্রে উপকর কমিশনার পুনঃউন্মোচন করতে পারেন।

·         যৌক্তিক কারণে রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা বৃদ্ধিও করতে পারেন।


 

নিচে আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪ এর আওতায় অপ্রদর্শিত আয় বিনিয়োগের সুযোগ বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা হলো

 

. অপ্রদর্শিত আয় (Undisclosed Income)

সংজ্ঞা:
অপ্রদর্শিত আয় হলো সেই আয় যা করদাতা আয়কর রিটার্নে প্রদর্শন করেনি বা গোপন রেখেছেন।

শর্তসমূহ যেখানে আয় অপ্রদর্শিত ধরা হয়:

1.      আয় আয়কর রিটার্নে উল্লেখ করা হয়নি।

2.      আয় সরকারি বা ব্যাংক নথিতে উপস্থিত নয়।

3.      আয় প্রমাণযোগ্য উৎসের সাথে মিল নেই।

4.      আইন অনুযায়ী করমুক্ত সুযোগের বাইরে আয় অর্জন করা হয়েছে।

অর্থাৎ, করদাতা যে আয় রিটার্নে দেখায়নি বা ভুলভাবে দেখিয়েছে, সেটি অপ্রদর্শিত আয় হিসেবে ধরা হয়।

 

. অপ্রদর্শিত আয় বিনিয়োগের সুযোগ

আয়কর আইন অনুযায়ী যদি অপ্রদর্শিত আয় নির্দিষ্ট খাতে বিনিয়োগ করা হয়, তবে কর সুবিধা বা অতিরিক্ত শাস্তি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

বিনিয়োগের অনুমোদিত খাতসমূহ:

1.      সরকারি বা অনুমোদিত ব্যাংকযেমন: নির্দিষ্ট সময়ে আমানত, সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ।

2.      সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পযেমন: অবকাঠামো বা শিল্প খাতে সরকারি অনুমোদিত প্রকল্পে বিনিয়োগ।

3.      বীমা বা সামাজিক কল্যাণমূলক প্রকল্পজীবনবীমা, পেনশন, সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প।

4.      লাইসেন্সপ্রাপ্ত অর্থায়ন সংস্থাসরকারি বা অনুমোদিত আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ।

শর্ত: বিনিয়োগ আইন অনুযায়ী অনুমোদিত হতে হবে এবং নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।

 

সংক্ষিপ্তভাবে:

·         অপ্রদর্শিত আয় হলো রিটার্নে গোপন বা না দেখানো আয়।

·         নির্দিষ্ট সরকারি বা অনুমোদিত খাতে বিনিয়োগ করলে কর সুবিধা বা রেহাই পাওয়া যায়।

 

কোন কোন খাতে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে তা বর্ণনা কর

নিচে আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪ অনুযায়ী অপ্রদর্শিত আয় বিনিয়োগের সুযোগপূর্ণ খাতসমূহ বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা হলো

 

অপ্রদর্শিত আয় বিনিয়োগের অনুমোদিত খাতসমূহ

. সরকার অনুমোদিত ব্যাংক আর্থিক সংস্থা

·         করদাতা তার অপ্রদর্শিত আয় সরকারি অনুমোদিত ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে আমানত করতে পারেন।

·         উদাহরণ: সরকারি ব্যাংকের সঞ্চয়পত্র, সময় আমানত, বা লাইসেন্সপ্রাপ্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকের নির্দিষ্ট ডিপোজিট।

 

. সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প শিল্প খাত

·         সরকার অনুমোদিত শিল্প বা অবকাঠামো প্রকল্পে বিনিয়োগ করলে কর সুবিধা পাওয়া যায়।

·         উদাহরণ: শিল্প কারখানা, বিদ্যুৎ প্রকল্প, রাস্তা বা সেতু নির্মাণের সরকারি প্রকল্পে বিনিয়োগ।

 

. সামাজিক কল্যাণমূলক প্রকল্প

·         সামাজিক নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য বা শিক্ষা ক্ষেত্রে বিনিয়োগে করদাতাকে সুবিধা দেয়া হয়।

·         উদাহরণ: সরকারি স্বাস্থ্য প্রকল্প, শিক্ষা ফান্ড বা জীবনবীমা পলিসিতে বিনিয়োগ।

 

. বীমা পেনশন খাত

·         লাইসেন্সপ্রাপ্ত বীমা কোম্পানি বা সরকারি পেনশন তহবিলে বিনিয়োগ করা যায়।

·         উদাহরণ: জীবনবীমা, পেনশন স্কিম, বা স্বাস্থ্য বীমা।

 

. লাইসেন্সপ্রাপ্ত অন্যান্য অর্থায়ন সংস্থা

·         সরকার বা নিয়ন্ত্রক সংস্থা অনুমোদিত আর্থিক সংস্থা বা ফান্ডে বিনিয়োগ করা যায়।

·         উদাহরণ: উন্নয়ন ব্যাংক, অনুমোদিত ফান্ড বা ট্রাস্ট।

 

শর্তসমূহ:

1.      বিনিয়োগ অবশ্যই আইন অনুযায়ী অনুমোদিত খাতে হতে হবে।

2.      বিনিয়োগ নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।

3.      বিনিয়োগের নথি সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক।

 

সংক্ষেপে:

অপ্রদর্শিত আয় যদি সরকার অনুমোদিত ব্যাংক, শিল্প খাত, সামাজিক প্রকল্প, বীমা বা লাইসেন্সপ্রাপ্ত ফান্ডে বিনিয়োগ করা হয়, তবে কর সুবিধা পাওয়া যায়।

 

৪। () আয়কর মূল্য সংযোজন কর এর পার্থক্য কর।

() মূল্য সংযোজন কর এর সুবিধা অসুবিধা আলোচনা কর।

() বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর এর বৈশিষ্ট্যসমূহ লিখ।

 

আয়কর মূল্য সংযোজন করের (VAT) পার্থক্য

বিষয়

আয়কর (Income Tax)

মূল্য সংযোজন কর (VAT)

সংজ্ঞা

ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের আয় বা লাভ থেকে সরকার দ্বারা ধার্যকৃত কর

পণ্য বা সেবা বিক্রয়ের সময় মূল্যসংযোজন বা যোগ মানের উপর ধার্যকৃত কর

প্রয়োগের ভিত্তি

করদাতার আয় বা লাভ

পণ্যের বিক্রয়মূল্য বা সেবার মূল্যের উপর

ধার্যকারী আদায়কারী

করদাতা নিজেই নির্ধারণ করে এবং সরকারে জমা দেয়

ব্যবসায়ী বা বিক্রেতা গ্রাহকের কাছ থেকে আদায় করে সরকারের কাছে জমা দেয়

সরাসরি/পরোক্ষ

সরাসরি কর (Direct Tax)

পরোক্ষ কর (Indirect Tax)

লক্ষ্য

আয় বা সম্পদ

পণ্য সেবার মূল্য চক্রে রাজস্ব সংগ্রহ

ভোক্তার প্রভাব

করদাতার ব্যক্তিগত দায়িত্ব, সরাসরি প্রভাব

কর মূলত গ্রাহক বহন করে, ব্যবসায়ী শুধুমাত্র সংগ্রাহক

প্রশাসন হিসাব

করদাতা নিজেই হিসাব রাখে; NBR তত্ত্বাবধানে

ব্যবসায়ীকে রিটার্ন চালান প্রদর্শন করতে হয়; NBR তত্ত্বাবধানে

রাজস্ব সংগ্রহ পদ্ধতি

নির্ধারিত করবর্ষের আয় অনুযায়ী

পণ্যের বা সেবার বিক্রয়ের সময় ধাপে ধাপে সংগ্রহ

 

() মূল্য সংযোজন কর এর সুবিধা অসুবিধা আলোচনা কর।

মূল্য সংযোজন কর (VAT) – সুবিধা অসুবিধা

. সুবিধা (Advantages of VAT)

1.      রাজস্ব বৃদ্ধি করে

o    VAT মূলত পণ্য সেবার চূড়ান্ত মূল্য বা মূল্যসংযোজনের উপর ধার্য হয়।

o    উৎপাদন থেকে বিক্রয় পর্যন্ত প্রতিটি পর্যায়ে ধার্য হওয়ায় সরকার ধারাবাহিকভাবে রাজস্ব সংগ্রহ করতে পারে।

2.      পরোক্ষ কর হওয়ায় করদাতার বোঝা কমায়

o    ব্যবসায়ী গ্রাহকের কাছ থেকে কর আদায় করে সরকারে জমা দেয়।

o    সরাসরি আয়ের হিসাব বা কর নির্ধারণে ঝামেলা কম।

3.      স্বচ্ছতা নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধি

o    প্রতিটি বিক্রয় পর্যায়ে চালান (invoice) রিটার্ন থাকায় কর ফাঁকি বা লুকানো আয় ধরা সহজ।

o    সরকারি তত্ত্বাবধানে নথি সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক।

4.      বহু স্তরে কর আদায়যোগ্য

o    কাঁচামাল, উৎপাদন, পাইকারি খুচরা বিক্রয়প্রতিটি পর্যায়ে কর ধার্য হয়।

o    ফলে, শেষ পর্যায়ের ভোক্তা কর বহন করলেও সব পর্যায়ের ব্যবসায়ী নিয়ম অনুসারে অংশ নেয়।

5.      মূল্য সংযোজনের উপর ভিত্তি করে হওয়ায় অবৈধ আয় কমানো যায়

o    উৎপাদন বিক্রয়ের প্রতিটি পর্যায়ে চালান থাকতে হয়।

o    অনিয়ম বা আয় গোপন করা কঠিন।

 

. অসুবিধা (Disadvantages of VAT)

1.      পণ্যের চূড়ান্ত মূল্য বৃদ্ধি করে

o    কর সংযোজনের কারণে গ্রাহকের জন্য পণ্য বা সেবা মুল্যবৃদ্ধি ঘটে।

o    বিশেষ করে নিম্নআয়ের ভোক্তাদের জন্য অতিরিক্ত চাপ।

2.      ছোট ব্যবসায়ী গরিব ব্যবসায়ীর জন্য প্রশাসনিক বোঝা

o    চালান, হিসাব রিটার্ন সংরক্ষণ করতে হয়।

o    ছোট ব্যবসায়ীর জন্য এটি জটিল সময়সাপেক্ষ।

3.      প্রশাসনিক জটিলতা

o    সরকারকে প্রতিটি ব্যবসায়ীর বিক্রয়, চালান রিটার্ন নিয়মিত পরীক্ষা করতে হয়।

o    বড় পরিসরে তত্ত্বাবধান ব্যয়বহুল হতে পারে।

4.      ভোক্তার ওপর কর চাপানো

o    VAT মূলত গ্রাহক বহনকারী কর।

o    তাই ব্যবসায়ী কর দিচ্ছে না, কিন্তু চূড়ান্ত মূল্য ভোক্তা বহন করে।

 

উপসংহার

মূল্য সংযোজন কর (VAT) হলো আধুনিক কর ব্যবস্থা যা সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধি স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে, কিন্তু মূল্যবৃদ্ধি, প্রশাসনিক জটিলতা ছোট ব্যবসায়ীর জন্য বোঝা সৃষ্টি করতে পারে।

বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর (VAT)–এর বৈশিষ্ট্যসমূহ

1.      পরোক্ষ কর (Indirect Tax)

o    VAT হলো পরোক্ষ কর, অর্থাৎ এটি সরাসরি করদাতার আয় বা সম্পদের উপর ধার্য হয় না।

o    ব্যবসায়ী বা বিক্রেতি গ্রাহকের কাছ থেকে কর আদায় করে সরকারে জমা দেয়।

o    গ্রাহক চূড়ান্তভাবে কর বহন করে।

2.      মূল্য সংযোজন ভিত্তিক কর (Value Added Tax)

o    করের পরিমাণ নির্ধারিত হয় পণ্যের বা সেবার বিক্রয়মূল্য যোগ মানের (Value Added) উপর।

o    উৎপাদন থেকে বিক্রয় পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে কর ধার্য হয়।

3.      ধাপে ধাপে আদায়যোগ্য (Collected at Multiple Stages)

o    কাঁচামাল ক্রয়উৎপাদনপাইকারি বিক্রয়খুচরা বিক্রয়।

o    প্রতিটি পর্যায়ে কর ধার্য সংগ্রহ করা হয়।

o    এটি কর ফাঁকি কমাতে সাহায্য করে।

4.      প্রদর্শনযোগ্য রিটার্ন চালান (Invoice-based System)

o    ব্যবসায়ীকে নিয়মিত VAT রিটার্ন জমা দিতে হয়।

o    প্রতিটি বিক্রয় ক্রয়ে চালান (Invoice) প্রদান সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক।

5.      সরকারি তত্ত্বাবধানে (Under Government Control)

o    বাংলাদেশে VAT জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) নিয়ন্ত্রণ করে।

o    NBR নথি যাচাই, রিটার্ন সংগ্রহ কর আদায়ের জন্য তত্ত্বাবধান করে।

6.      গ্রাহক বহনকারী কর (Consumer-borne Tax)

o    VAT মূলত ভোক্তা বহন করে।

o    ব্যবসায়ী শুধু কর সংগ্রাহক হিসেবে কাজ করে এবং সরকারে জমা দেয়।

7.      স্বচ্ছতা হিসাবরক্ষণ (Transparency & Record Keeping)

o    ব্যবসায়ীকে সমস্ত বিক্রয়, ক্রয় কর সংক্রান্ত হিসাব নথিভুক্ত সংরক্ষণ করতে হয়।

o    এটি কর ফাঁকি অপ্রদর্শিত আয় কমাতে সাহায্য করে।

8.      প্রশাসনিক নিয়মাবলী অনুসারে প্রযোজ্য (Regulated by Law)

o    নিবন্ধিত ব্যবসায়ীকে VAT নম্বর, চালান, রিটার্ন হিসাব নিয়মিত বজায় রাখতে হবে।

o    আইন লঙ্ঘন করলে ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

9.      রাজস্ব সংগ্রহের ধারাবাহিকতা (Continuous Revenue Collection)

o    উৎপাদন থেকে বিক্রয় পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে রাজস্ব সরকার পায়।

o    এটি বাজেট অর্থনীতির জন্য স্থিতিশীল রাজস্ব নিশ্চিত করে।

 

উপসংহার

বাংলাদেশে VAT হলো পরোক্ষ, মূল্যসংযোজন ভিত্তিক, ধাপে ধাপে আদায়যোগ্য এবং গ্রাহক বহনকারী কর, যা NBR তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়, স্বচ্ছতা নিয়মিত হিসাবরক্ষণ নিশ্চিত করে এবং রাজস্ব সংগ্রহকে ধারাবাহিক কার্যকর করে।

 

 

 

No comments

Powered by Blogger.