Header Ads

Header ADS

রাজস্ব আইন সংক্ষিপ্ত সাজেশন অনুযায়ী টিকা এর উত্তর। এল এল বি পরীক্ষা-১ম বর্ষ- ২০২৪-পার্ট-২

 

রাজস্ব আইন সংক্ষিপ্ত সাজেশন অনুযায়ী টিকা এর উত্তর। এল এল বি পরীক্ষা-১ম বর্ষ- ২০২৪ - পার্ট-২

১৩.মূলধনী সম্পদ

মূলধনী সম্পদ হলো এমন সম্পদ, যা কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান দীর্ঘমেয়াদে ব্যবহার বা বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে ধারণ করে এবং যা থেকে ভবিষ্যতে আয় বা লাভ অর্জনের সম্ভাবনা থাকে। ব্যবসা বা পেশার স্থায়ী ভিত্তি হিসেবে ব্যবহৃত জমি, ভবন, যন্ত্রপাতি, যানবাহন, শেয়ার, সিকিউরিটিজ, পেটেন্ট কপিরাইট ইত্যাদি মূলধনী সম্পদের অন্তর্ভুক্ত। এই ধরনের সম্পদ সাধারণত বারবার ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য নয়, বরং দীর্ঘ সময় ব্যবহারের জন্য রাখা হয়। কর আইনের দৃষ্টিতে মূলধনী সম্পদ বিক্রয়ের ফলে যে লাভ অর্জিত হয় তাকে মূলধনী লাভ (Capital Gain) বলা হয়, যা নির্দিষ্ট শর্ত সাপেক্ষে করযোগ্য। সুতরাং মূলধনী সম্পদ রাজস্ব আইনে কর নির্ধারণের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা।

মূলধনী সম্পদের বৈশিষ্ট্য

·         দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারযোগ্য

·         পুনরায় বিক্রির মাধ্যমে মূলধনী লাভ হতে পারে

·         অবচয় (Depreciation) প্রযোজ্য

·         ব্যবসার স্থায়ী কাঠামোর অংশ

 

 

১৪. করদাতা সনাক্তকারী নম্বর (টিআইএন) –

করদাতা সনাক্তকারী নম্বর (টিআইএন) হলো জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক প্রদত্ত একটি স্বতন্ত্র একক পরিচিতি নম্বর, যার মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে কর ব্যবস্থার আওতায় সনাক্ত করা হয়। টিআইএন কর প্রশাসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, যা করদাতার আয়কর সংক্রান্ত সকল তথ্য সংরক্ষণ ব্যবস্থাপনায় ব্যবহৃত হয়। বাংলাদেশে বর্তমানে ১২ অংকের -টিআইএন চালু রয়েছে। আয়কর রিটার্ন দাখিল, ব্যাংক হিসাব খোলা, জমি ফ্ল্যাট ক্রয়-বিক্রয়, গাড়ি নিবন্ধনসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রশাসনিক কাজে টিআইএন বাধ্যতামূলক। টিআইএনের মাধ্যমে কর ফাঁকি রোধ, কর আদায় সহজীকরণ এবং স্বচ্ছ কর ব্যবস্থা নিশ্চিত করা সম্ভব।

 

টিআইএন প্রবর্তনের উদ্দেশ্য

  1. করদাতাকে সহজ নির্ভুলভাবে সনাক্ত করা
  2. কর ব্যবস্থাকে ডিজিটাল আধুনিক করা
  3. কর ফাঁকি কর এড়ানো প্রতিরোধ করা
  4. কর সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণ ব্যবস্থাপনা সহজ করা
  5. কর আদায় তদারকি কার্যক্রম শক্তিশালী করা

 

টিআইএন-এর প্রকারভেদ

  1. ব্যক্তিগত টিআইএনচাকরিজীবী, পেশাজীবী ব্যক্তিগত করদাতাদের জন্য
  2. ব্যবসায়িক/প্রাতিষ্ঠানিক টিআইএনকোম্পানি, ফার্ম, এনজিও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের জন্য

বর্তমানে বাংলাদেশে ১২ অংকের -টিআইএন (e-TIN) চালু রয়েছে।

 

১৫.ন্যায্য বাজার মূল্য

ন্যায্য বাজার মূল্য হলো কোনো সম্পদের এমন মূল্য, যা একটি স্বাধীন, স্বেচ্ছাসম্মত প্রতিযোগিতামূলক বাজারে একজন ইচ্ছুক ক্রেতা একজন ইচ্ছুক বিক্রেতার মধ্যে কোনো প্রকার চাপ বা প্রভাব ছাড়া লেনদেন হলে নির্ধারিত হয়। অর্থাৎ এটি সম্পদের প্রকৃত বাজারমূল্যকে প্রতিফলিত করে। রাজস্ব আইনে ন্যায্য বাজার মূল্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ আয় নির্ধারণ, মূলধনী লাভ গণনা, দান কর নিরূপণ এবং সম্পদ হস্তান্তরের ক্ষেত্রে করের সঠিক পরিমাণ নির্ধারণে এই মূল্য ব্যবহার করা হয়। কর ফাঁকি রোধ ন্যায়সঙ্গত কর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে ন্যায্য বাজার মূল্য একটি অপরিহার্য ধারণা।

মূল বৈশিষ্ট্য:

·         এটি বাজার-চালিত মূল্য, না যে কোনো ব্যক্তিগত চাহিদা বা সীমিত পরিস্থিতি।

·         সাধারণত সম্পত্তি, শেয়ার, ভূমি, ব্যবসা বা অন্য পণ্যের জন্য ব্যবহৃত হয়।

·         ন্যায্য বাজার মূল্য নির্ধারণে অনেক সময় পেশাদার মূল্যায়নকারী বা এপপ্রাইজড এসেসর ব্যবহার করা হয়।

 

(১৬) আনুতোষিক

আনুতোষিক হলো কোনো কর্মচারী তার দীর্ঘ সন্তোষজনক চাকরি শেষে, অবসর গ্রহণ, চাকরি সমাপ্তি বা মৃত্যুর পর এককালীন আর্থিক সুবিধা হিসেবে প্রাপ্ত অর্থ। এটি নিয়োগকর্তার পক্ষ থেকে কর্মচারীর প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বীকৃতির বহিঃপ্রকাশ। রাজস্ব আইনের দৃষ্টিতে আনুতোষিক কর্মচারীর আয়ের অংশ হিসেবে বিবেচিত হলেও সরকার নির্ধারিত সীমা শর্ত অনুযায়ী এটি আংশিক বা সম্পূর্ণ করমুক্ত হতে পারে। আনুতোষিক কর্মচারীর আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে এবং কর্মজীবনের প্রতি আগ্রহ নিষ্ঠা বৃদ্ধি করে।

১৭.অবচয়

অবচয় হলো কোনো স্থায়ী সম্পত্তির ব্যবহার, পরিধান বা প্রযুক্তিগত অপ্রচলিত হওয়ার কারণে তার মূল্য কমে যাওয়া রাজস্ব আইনে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা, কারণ করযোগ্য আয় হিসাব করার সময় অবচয়কে ব্যয় বা খরচ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়, ফলে করদাতার আয় হ্রাস পায়। সাধারণত যন্ত্রপাতি, গাড়ি, ভবন ইত্যাদির জন্য বার্ষিক হারে অবচয় নির্ধারণ করা হয়। অবচয় হিসাব করার নিয়ম আইনে নির্দিষ্ট করা থাকে এবং এটি করদাতাকে আইনসঙ্গতভাবে আয় হ্রাস করার সুযোগ দেয়।

মূল পয়েন্ট:

1.      স্থায়ী সম্পত্তির জন্য প্রযোজ্য।

2.      বার্ষিক হারে হিসাব করা হয়।

3.      করযোগ্য আয় কমাতে ব্যবহৃত হয়।

4.      আইন অনুযায়ী হিসাবকৃত অবচয়ই বৈধ, তাই যথাযথ নথি রাখা গুরুত্বপূর্ণ।

১৮. আয়কর রেয়াত

আয়কর রেয়াত হলো এমন আইনানুগ সুবিধা, যার মাধ্যমে কোনো করদাতা নির্দিষ্ট আয় বা খরচের ওপর কর কমানো বা পুরোপুরি করমুক্ত হতে পারেন। এটি করদাতার আর্থিক বোঝা হ্রাস করার একটি উপায়। সাধারণত রেয়াত বিভিন্ন ব্যক্তিগত বা সামাজিক কারণে দেওয়া হয়, যেমন দান, চিকিৎসা ব্যয়, শিক্ষাব্যয়, সন্তান লালন বা নির্দিষ্ট বিনিয়োগ। আয়কর রেয়াত সরাসরি করযোগ্য আয় থেকে বাদ হয়, ফলে করদাতার অবশিষ্ট করযোগ্য আয় কমে যায় এবং তিনি কম কর দেন।

মূল পয়েন্ট:

1.      নির্দিষ্ট খরচ বা আয়কে করমুক্ত করে।

2.      আইন অনুযায়ী সীমাবদ্ধ এবং শর্তসাপেক্ষ।

3.      করদাতার আয় হ্রাস করে এবং করের বোঝা কমায়।

4.      কর রেয়াত পাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় নথি এবং প্রমাণ দাখিল করতে হয়।

উদাহরণ:

·         শিক্ষাব্যয় বা উচ্চশিক্ষার খরচের জন্য কর রেয়াত।

·         দান বা সমাজসেবামূলক অনুদান।

·         নির্দিষ্ট সরকারি নির্ধারিত বিনিয়োগে রেয়াত।

১৯.বৃহৎ করদাতা ইউনিট (LTU) –

বৃহৎ করদাতা ইউনিট (Large Taxpayer Unit বা LTU) হলো দেশের বৃহৎ করদাতাদের কর প্রশাসন এবং কর সংগ্রহের জন্য বিশেষভাবে গঠিত একক এই ইউনিটের অধীনে সাধারণত বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, বহুজাতিক সংস্থা বা উচ্চ আয়ের করদাতা থাকে। LTU-এর উদ্দেশ্য হলো কর প্রশাসনকে দক্ষ, স্বচ্ছ দ্রুত করা। বড় করদাতাদের কর রিটার্ন প্রক্রিয়া, কর পরামর্শ এবং পর্যবেক্ষণ সুবিধা সরাসরি LTU-এর মাধ্যমে দেওয়া হয়। এর ফলে দেশের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পায় এবং করদাতার কর জমা দেওয়ার প্রক্রিয়াও সহজ হয়। LTU হল বড় করদাতাদের জন্য বিশেষ সেবা কেন্দ্র, যা আইন অনুযায়ী পরিচালিত হয়।

মূল পয়েন্ট:

1.      শুধুমাত্র বড় করদাতাদের জন্য

2.      কর সংগ্রহ প্রশাসন সহজ করতে LTU প্রতিষ্ঠিত।

3.      করদাতাদের বিশেষ সার্ভিস পর্যবেক্ষণ প্রদান।

4.      দেশের রাজস্ব বৃদ্ধি কর প্রশাসনের দক্ষতা বাড়ায়।

উদাহরণ:

·         একটি বৃহৎ ব্যাংক বা বহুজাতিক কোম্পানি LTU-এর অধীনে রেজিস্টার হতে পারে।

·         LTU-এর মাধ্যমে তারা বার্ষিক কর রিটার্ন জমা দেয় এবং কর পরামর্শ পায়।

·          

২০.আয় বেতন (Income & Salary) –

আয় হলো করদাতার যে কোনো উৎস থেকে প্রাপ্ত অর্থ বা সুবিধা, যা আইন অনুযায়ী করযোগ্য এর মধ্যে বেতন (Salary) হলো সবচেয়ে সাধারণ আয়ের ধরন, যা চাকরি বা সরকারি/বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজের বিনিময়ে নিয়মিত পাওয়া হয়। বেতনের মধ্যে সাধারণত অন্তর্ভুক্ত থাকে: বেসিক সেলারি, ভাতা, কমিশন, ওভারটাইম, বোনাস এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা। রাজস্ব আইন অনুযায়ী, বেতনকে পুরোপুরি বা আংশিকভাবে করযোগ্য আয় হিসেবে গণনা করা হয়, এবং করদাতাকে তার আয় অনুযায়ী কর দিতে হয়।

মূল উপাদান:

1.      বেতন (Salary): নিয়মিত মাসিক বা বার্ষিক বেসিক সেলারি।

2.      ভাতা (Allowances): হাউস রেন্ট, ট্রাভেল, মেডিকেল, ডিএ ইত্যাদি।

3.      বোনাস / কমিশন: অতিরিক্ত পারফরম্যান্স বা কাজের বিনিময়ে প্রাপ্ত অর্থ।

4.      সুবিধা (Perquisites): চাকরিপ্রদাতার প্রদত্ত সুবিধা যেমন গাড়ি, আবাসন, খাবারের সুবিধা ইত্যাদি।

5.      পেনশন / গ্রাচুইটি: অবসরকালীন সুবিধা (আইন অনুযায়ী করযোগ্য হতে পারে)

২১.গৃহ-সম্পত্তির বার্ষিক মূল্য

গৃহ-সম্পত্তির বার্ষিক মূল্য হলো সেই প্রাক্কলিত বা অনুমানিত আয়, যা কোনো ব্যক্তি তার সম্পত্তি থেকে বার্ষিকভাবে উপার্জন করতে পারত, যদি সেটি ভাড়া দেওয়া হতো। রাজস্ব আইন অনুযায়ী, এটি হাউস প্রপার্টি ট্যাক্সের ভিত্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। যদি সম্পত্তি ভাড়া দেওয়া হয়, ভাড়ার পরিমাণকে বার্ষিক মূল্যে ধরা হয়; যদি নিজেই বসবাস করে, আইন অনুযায়ী ন্যায্য অনুমানিত বার্ষিক মূল্য নির্ধারণ করা হয়।

রাজস্ব আইনের প্রেক্ষাপটে:

1.      সম্পত্তি যদি ভাড়া দেওয়া হয়, তবে আসল ভাড়া বা বাজারমূল্যকে বার্ষিক মূল্য হিসেবে ধরা হয়।

2.      যদি করদাতা নিজেই বসবাস করে, তবে আইন অনুযায়ী অনুমানিত ন্যায্য বার্ষিক ভাড়া বা আয় নির্ধারণ করা হয়।

3.      বার্ষিক মূল্য থেকে নির্দিষ্ট খরচ (যেমন কর্পোরেশন ট্যাক্স বা রক্ষণাবেক্ষণ খরচ) বাদ দেওয়া যেতে পারে, এবং অবশিষ্ট অংশ করযোগ্য আয় হিসেবে গণ্য হয়।

মূল পয়েন্ট:

·         অনুমানিত বা আসল ভাড়ার বার্ষিক মূল্য।

·         করযোগ্য আয় হিসাবের ভিত্তি।

·         আইনে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত।

·         স্ব-বাসকারী হলে অনুমানিত মূল্য প্রযোজ্য; ভাড়ার ক্ষেত্রে আসল ভাড়া।

উদাহরণ:

·         যদি সম্পত্তি ভাড়া দেওয়া হয় বার্ষিক ,২০,০০০ টাকাবার্ষিক মূল্য = ,২০,০০০ টাকা

·         যদি করদাতা নিজেই বসবাস করে এবং ন্যায্য অনুমানিত বার্ষিক ভাড়া ,০০,০০০ টাকাবার্ষিক মূল্য = ,০০,০০০ টাকা

২২. ফটকা কারবার

সংজ্ঞা:
ফটকা কারবার হলো অবৈধ, ধোঁকাবাজি বা নকল উপায়ে অর্থ বা সম্পত্তি আদান-প্রদানের ব্যবসা, যা সরকারী নিয়ম বা কর আইন অমান্য করে করা হয়।

রাজস্ব/আইনের প্রেক্ষাপটে:

·         এতে কর ফাঁকি, অবৈধ লেনদেন বা নকল ডকুমেন্ট ব্যবহার থাকে।

·         ফটকা কারবারের কারণে সরকারের রাজস্ব হারায়।

·         এটি অপরাধ হিসেবে আইন অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য

মূল বৈশিষ্ট্য:

1.      অবৈধ বা অনিয়মিত লেনদেন।

2.      কর ফাঁকি বা কালো অর্থের লেনদেন।

3.      সরকারি নজরদারি বা তদন্তে ধরা পড়লে শাস্তি প্রযোজ্য।

4.      সাধারণত ব্যবসা বা সম্পত্তি ভিন্ন নামে দেখানো হয়।

উদাহরণ:

·         কোনো ব্যবসা আয় লুকিয়ে রাখা।

·         ভুয়া রসিদ বা নকল ইনভয়েস ব্যবহার।

·         কালো বাজারে সম্পত্তি বা শেয়ারের লেনদেন।

কর এড়ানো

কর এড়ানো হলো আইনের সীমার মধ্যে থেকে করের পরিমাণ কমানোর বৈধ উপায় এতে করদাতা আইনসম্মত সুযোগ, রেয়াত, ছাড় বা কর কাঠামোর ফাঁক ব্যবহার করে কর কম দেন। কর এড়ানো আইনত দণ্ডনীয় নয়, যদিও অনেক ক্ষেত্রে এটি সরকারের প্রত্যাশিত রাজস্ব কমিয়ে দেয়।

উদাহরণ:

  • আইনে অনুমোদিত বিনিয়োগ করে আয়কর রেয়াত নেওয়া।
  • অবচয় বা অন্যান্য বৈধ খরচ দেখিয়ে করযোগ্য আয় কমানো।

 

কর ফাঁকি

কর ফাঁকি হলো ইচ্ছাকৃতভাবে অবৈধ উপায়ে কর না দেওয়া বা কম দেওয়া এতে আয় গোপন করা, ভুয়া হিসাব দেখানো, নকল দলিল ব্যবহার করা ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত। কর ফাঁকি সম্পূর্ণভাবে আইনবিরুদ্ধ শাস্তিযোগ্য অপরাধ

উদাহরণ:

  • আয়ের প্রকৃত পরিমাণ গোপন করা।
  • ভুয়া রসিদ বা নকল হিসাব দেখানো।
  • কালো টাকার লেনদেন।

 

 

 

 

কর এড়ানো কর ফাঁকির পার্থক্য

বিষয়

কর এড়ানো

কর ফাঁকি

প্রকৃতি

বৈধ

অবৈধ

আইনের অবস্থান

আইনের মধ্যে

আইন লঙ্ঘন

শাস্তি

নেই

জরিমানা কারাদণ্ড হতে পারে

উদ্দেশ্য

কর কমানো

কর না দেওয়া

 

No comments

Powered by Blogger.