Header Ads

Header ADS

ভূমি আইন সংক্ষিপ্ত সাজেশন অনুযায়ী সহজ ও সাবলীল ভাষায় প্রশ্ন উত্তর। এল এল বি পরীক্ষা-২০২৩

 


১। () বাংলাদেশের ভূমি আইনের ঐতিহাসিক ক্রমবিকাশ সম্পর্কে আলোচনা কর।

 

স্বত্বলিপি কীস্বত্বলিপিতে কী কী বিবরণী অন্তর্ভুক্ত থাকে১৯৫০ সালের রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ  প্রজাস্বত্ব আইন অনুসারে স্বত্বলিপি প্রস্তুত এবং সংশোধন সংক্রান্ত পদ্ধতি আলোচনা কর।



১.  (ক) ভূমিকা: বাংলাদেশের ভূমি আইনের ঐতিহাসিক ক্রমবিকাশ দীর্ঘ সামাজিক-অর্থনৈতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে গড়ে উঠেছে। শাসনব্যবস্থার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ভূমির মালিকানা, রাজস্ব আদায় পদ্ধতি, প্রজাদের অধিকার এবং ভূমি ব্যবস্থাপনার কাঠামোও পরিবর্তিত হয়েছে।

 

নিচে ধারাবাহিকভাবে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো

 

. প্রাচীন যুগের ভূমি ব্যবস্থা

প্রাচীন ভারতীয় উপমহাদেশে (যার অংশ বর্তমান বাংলাদেশ) ভূমির সর্বোচ্চ মালিক ছিলেন রাজা।

মৌর্য গুপ্ত আমল

চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য এবং পরবর্তী গুপ্ত শাসনামলে ভূমি ছিল রাষ্ট্রের প্রধান আয়ের উৎস। কৃষকরা জমি চাষ করতেন এবং উৎপাদনের একটি নির্দিষ্ট অংশ (সাধারণত / ভাগ) রাজস্ব হিসেবে প্রদান করতেন।

  • ব্যক্তিগত মালিকানার ধারণা সীমিত ছিল।
  • ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ব্রাহ্মণদেরঅগ্রহারবা দানভূমি দেওয়ার প্রথা ছিল।
  • ভূমি জরিপ পরিমাপের প্রাথমিক পদ্ধতি চালু ছিল।

পাল সেন আমল

এই সময়ে জমির উপর রাজকীয় মালিকানা বহাল থাকলেও জমি দান সামন্তপ্রথা বিস্তার লাভ করে। সামন্তপ্রভুরা স্থানীয়ভাবে রাজস্ব আদায় করতেন।

 

. মুসলিম শাসনামলের ভূমি ব্যবস্থা (১২০৪১৭৫৭)

মুসলিম শাসনামলে ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থা সুসংগঠিত হয় এবং প্রশাসনিক কাঠামো শক্তিশালী হয়।

শের শাহের সংস্কার

শের শাহ সূরী ভূমি পরিমাপের ভিত্তিতে কর নির্ধারণের ব্যবস্থা চালু করেন। জমির উর্বরতা অনুযায়ী শ্রেণিবিন্যাস করা হতো।

মুঘল আমল

আকবর এর শাসনামলে রাজস্বমন্ত্রী টোডরমলদহসালা পদ্ধতিচালু করেন।

  • জমি মাপার জন্যগজনির্ধারণ করা হয়।
  • গত ১০ বছরের গড় উৎপাদনের উপর কর ধার্য করা হতো।
  • জমিদাররা রাজস্ব আদায়কারী হিসেবে কাজ করতেন, কিন্তু ভূমির চূড়ান্ত মালিক ছিল রাষ্ট্র।

এই সময়ে ভূমি রাজস্ব ছিল সরকারের প্রধান আয়ের উৎস এবং প্রশাসনিক শৃঙ্খলা তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী ছিল।

. ব্রিটিশ শাসনামলের ভূমি আইন (১৭৫৭১৯৪৭)

১৭৫৭ সালে রবার্ট ক্লাইভ এর মাধ্যমে ব্রিটিশ শাসন প্রতিষ্ঠার পর ভূমি ব্যবস্থায় মৌলিক পরিবর্তন আসে।

() চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত, ১৭৯৩

লর্ড কর্নওয়ালিস ১৭৯৩ সালে Permanent Settlement প্রবর্তন করেন। জমিদারদের ভূমির স্থায়ী মালিকানা প্রদান। সরকার নির্দিষ্ট হারে স্থায়ী রাজস্ব ধার্য করে। জমিদাররা কৃষকদের কাছ থেকে খাজনা আদায় করতেন।

প্রভাব: কৃষকরা ভূমির প্রকৃত মালিকানা হারান। জমিদারদের শোষণ বৃদ্ধি পায়। কৃষি উৎপাদন উন্নতির পরিবর্তে দারিদ্র্য বৃদ্ধি পায়।

() বেঙ্গল টেন্যান্সি অ্যাক্ট, ১৮৮৫

Bengal Tenancy Act প্রণীত হয় প্রজাদের অধিকার রক্ষার জন্য। প্রজাদের উচ্ছেদে সীমাবদ্ধতা আরোপ, ন্যায্য ভাড়ার বিধান , দখলদার প্রজার অধিকার স্বীকৃতি তবে জমিদারি প্রথা পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়নি।

 

. পাকিস্তান আমল (১৯৪৭১৯৭১)

১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের পর পূর্ববঙ্গ পাকিস্তানের অংশ হয়। ভূমি সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন জোরদার হয়।

জমিদারি উচ্ছেদ আইন, ১৯৫০

East Bengal State Acquisition and Tenancy Act একটি যুগান্তকারী আইন। এর মাধ্যমেজমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হয়। জমিদারদের জমি সরকার অধিগ্রহণ করে। কৃষকরা সরাসরি সরকারের অধীনে প্রজা হিসেবে স্বীকৃতি পায়। ভূমির সর্বোচ্চ মালিক রাষ্ট্র ঘোষিত হয়। এই আইন কৃষকদের জন্য ইতিবাচক পরিবর্তন আনলেও বাস্তবায়নে নানা জটিলতা ছিল।

 

. স্বাধীন বাংলাদেশ (১৯৭১বর্তমান)

স্বাধীনতার পর ভূমি ব্যবস্থাকে অধিকতর ন্যায়ভিত্তিক কৃষকবান্ধব করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

ভূমি সংস্কার অধ্যাদেশ, ১৯৮৪

Land Reform Ordinance প্রণীত হয়।ভূমি মালিকানার সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ (৬০ বিঘা) বর্গাদারদের অধিকার আইনগতভাবে সুরক্ষিত। ফসলের ন্যায্য অংশ নির্ধারণ (সাধারণত অর্ধেক)

আধুনিক সংস্কার

১.ডিজিটাল ভূমি রেকর্ড

২. ই-নামজারি

৩.ভূমি জরিপ হালনাগাদ

৪. অনলাইন খাজনা প্রদান ব্যবস্থা

ডিজিটালাইজেশনের মাধ্যমে দুর্নীতি হ্রাস স্বচ্ছতা বৃদ্ধির প্রচেষ্টা চলছে।

 

সামগ্রিক মূল্যায়ন

বাংলাদেশের ভূমি আইনের বিকাশকে মোটামুটি চারটি প্রধান পর্যায়ে ভাগ করা যায়

. প্রাচীন মধ্যযুগীয় রাজস্বভিত্তিক ব্যবস্থা
. ব্রিটিশদের জমিদারি চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত
. পাকিস্তান আমলে জমিদারি উচ্ছেদ রাষ্ট্রীয় মালিকানা
. স্বাধীন বাংলাদেশে ভূমি সংস্কার আধুনিকীকরণ

উপসংহার

বাংলাদেশের ভূমি আইন একদিকে যেমন ঐতিহাসিক শাসনব্যবস্থার প্রতিফলন, অন্যদিকে তেমনি কৃষক অধিকার প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ সংগ্রামের ফল। বর্তমানে লক্ষ্য হচ্ছে একটি স্বচ্ছ, ন্যায়ভিত্তিক প্রযুক্তিনির্ভর ভূমি প্রশাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

 

) স্বত্বলিপি কী? স্বত্বলিপিতে কী কী বিবরণী অন্তর্ভুক্ত থাকে? ১৯৫০ সালের রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ প্রজাস্বত্ব আইন অনুসারে স্বত্বলিপি প্রস্তুত এবং সংশোধন সংক্রান্ত পদ্ধতি আলোচনা কর।

স্বত্বলিপি কী?

স্বত্বলিপি (Record of Rights – ROR) হলো সরকারিভাবে প্রস্তুত সংরক্ষিত এমন একটি ভূমি রেকর্ড, যেখানে কোনো নির্দিষ্ট মৌজা বা এলাকার জমির মালিকানা, দখল, পরিমাণ, শ্রেণি, খাজনা এবং অন্যান্য স্বত্বসংক্রান্ত তথ্য লিপিবদ্ধ থাকে।

সহজভাবে বলতে গেলে, স্বত্বলিপি হলো জমির উপর কার কী অধিকার আছে তার সরকারি দলিল।

এটি মূলত East Bengal State Acquisition and Tenancy Act অনুযায়ী প্রস্তুত করা হয় এবং ভূমি সংক্রান্ত বিরোধ বা মামলায় প্রাথমিক প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

স্বত্বলিপিতে কী কী বিবরণী অন্তর্ভুক্ত থাকে?

স্বত্বলিপি (Record of Rights) হলো জমির মালিকানা স্বত্ব সংক্রান্ত সরকারিভাবে প্রস্তুত রেকর্ড। এতে জমি জমির অধিকার সম্পর্কিত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য অন্তর্ভুক্ত থাকে।

স্বত্বলিপিতে সাধারণত নিম্নলিখিত বিবরণী অন্তর্ভুক্ত থাকে

 

. মৌজার পরিচিতি

  • মৌজার নাম
  • জে.এল. নম্বর (Jurisdiction List Number)
  • থানা/উপজেলা
  • জেলা

 

. খতিয়ান সংক্রান্ত তথ্য

  • খতিয়ান নম্বর
  • স্বত্বাধিকারীর নাম
  • পিতা/স্বামীর নাম
  • ঠিকানা
  • যৌথ মালিক হলে অংশের পরিমাণ

 

. জমির দাগ সংক্রান্ত তথ্য

  • দাগ নম্বর
  • জমির পরিমাণ (একর/শতাংশ/কাঠা)
  • জমির শ্রেণি (নাল, আবাদি, বসতভিটা, ডোবা, পুকুর ইত্যাদি)
  • জমির অবস্থান

 

. স্বত্বের প্রকৃতি

  • মালিক, প্রজা, বর্গাদার, ইজারাদার ইত্যাদি
  • দখলকারীর নাম (যদি মালিক ব্যতীত অন্য কেউ দখলে থাকে)

 

. খাজনা রাজস্ব সংক্রান্ত তথ্য

  • ধার্যকৃত খাজনার পরিমাণ
  • খাজনা প্রদানের শর্ত
  • বকেয়া থাকলে তার উল্লেখ

 

. অন্যান্য মন্তব্য

  • বন্ধক (মর্টগেজ) সংক্রান্ত তথ্য
  • সরকারি/খাস জমি উল্লেখ
  • আদালতের আদেশ বা বিশেষ মন্তব্য
  • নামজারি বা সংশোধনের নোট

 

১৯৫০ সালের রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ প্রজাস্বত্ব আইন অনুসারে স্বত্বলিপি প্রস্তুত এবং সংশোধন সংক্রান্ত পদ্ধতি আলোচনা কর।

 

১৯৫০ সালের East Bengal State Acquisition and Tenancy Act (রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ প্রজাস্বত্ব আইন) ছিল জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত করে রাষ্ট্রের অধীনে ভূমি প্রশাসন প্রতিষ্ঠার একটি যুগান্তকারী আইন। এই আইনের অধীনে স্বত্বলিপি (Record of Rights) প্রস্তুত সংশোধনের জন্য নির্দিষ্ট বিধান পদ্ধতি নির্ধারিত রয়েছে।

নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

 

. স্বত্বলিপি প্রস্তুতের পদ্ধতি

আইন অনুযায়ী সরকার নির্দিষ্ট এলাকা বা মৌজায় জরিপ রেকর্ড প্রণয়নের মাধ্যমে স্বত্বলিপি প্রস্তুত করে। প্রক্রিয়াটি সাধারণত নিম্নলিখিত ধাপে সম্পন্ন হয়

 

() জরিপ নোটিফিকেশন জারি

সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নির্দিষ্ট এলাকা জরিপের ঘোষণা করে।ভূমি জরিপকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয় (Settlement Officer/Assistant Settlement Officer)।মৌজাভিত্তিক জমি পরিমাপ, মানচিত্র প্রস্তুত দাগ নম্বর নির্ধারণ করা হয়।

 

() মাঠ তদন্ত তথ্য সংগ্রহ

প্রত্যেক জমির দখলদার মালিকের নাম যাচাই করা হয়।জমির শ্রেণি (আবাদি, নাল, বসতভিটা ইত্যাদি) নির্ধারণ করা হয়।জমির পরিমাণ খাজনার তথ্য সংগ্রহ করা হয়। স্থানীয় সাক্ষ্য দলিল পরীক্ষা করা হয়।

 

() খসড়া স্বত্বলিপি (Draft Record of Rights) প্রস্তুত

সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে খতিয়ান প্রস্তুত করা হয়। এতে মালিকের নাম, দাগ নম্বর, জমির শ্রেণি, পরিমাণ খাজনা উল্লেখ থাকে।

() খসড়া প্রকাশ

খসড়া রেকর্ড জনসাধারণের অবগতির জন্য প্রকাশ করা হয়। নির্দিষ্ট সময়ের (সাধারণত ৩০ দিন) মধ্যে আপত্তি দাখিলের সুযোগ দেওয়া হয়।

 

() আপত্তি গ্রহণ শুনানি

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি নির্ধারিত সময়ে লিখিত আপত্তি দাখিল করতে পারেন।রাজস্ব কর্মকর্তা শুনানি গ্রহণ করেন।প্রয়োজনে মাঠ তদন্ত সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। প্রমাণের ভিত্তিতে সংশোধন বা বহাল রাখার আদেশ দেওয়া হয়।

 

() চূড়ান্ত স্বত্বলিপি প্রকাশ

আপত্তি নিষ্পত্তির পর সংশোধিত রেকর্ড চূড়ান্তভাবে প্রকাশ করা হয়।চূড়ান্ত প্রকাশের পর এটি আইনগতভাবে গ্রহণযোগ্য স্বত্বলিপি হিসেবে গণ্য হয়। এটি আদালতে প্রাথমিক প্রমাণ (presumptive evidence) হিসেবে বিবেচিত হয়।

 

. স্বত্বলিপি সংশোধনের পদ্ধতি

স্বত্বলিপি চূড়ান্ত হওয়ার পরও বিভিন্ন কারণে সংশোধনের প্রয়োজন হতে পারে। আইন অনুযায়ী নিম্নোক্ত পদ্ধতিতে সংশোধন করা যায়

 

() নামজারি (Mutation)

যদি

  • জমি ক্রয়-বিক্রয় হয়
  • উত্তরাধিকার সূত্রে মালিকানা পরিবর্তন হয়
  • দান বা হেবা হয়

তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর আবেদন করেন।

প্রক্রিয়া:

  1. আবেদন দাখিল
  2. নোটিশ প্রদান
  3. মাঠ তদন্ত
  4. শুনানি
  5. আদেশ প্রদান
  6. খতিয়ানে সংশোধন অন্তর্ভুক্ত

 

() ভুল সংশোধন (Correction of Errors)

যদি রেকর্ডে

  • লিখনভুল
  • পরিমাপজনিত ভুল
  • নামের বানান ভুল
  • দখল সংক্রান্ত ত্রুটি

থাকে, তাহলে রাজস্ব কর্মকর্তা নির্ধারিত পদ্ধতিতে সংশোধন করতে পারেন।

 

() আপিল পুনর্বিবেচনা

রাজস্ব কর্মকর্তার আদেশে অসন্তুষ্ট ব্যক্তি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উচ্চতর কর্তৃপক্ষের নিকট আপিল করতে পারেন।প্রয়োজনে রিভিশন বা রিভিউর আবেদন করা যায়।

 

. আইনের গুরুত্ব প্রভাব

এই আইনের মাধ্যমেজমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হয়।প্রজারা সরাসরি রাষ্ট্রের অধীনে স্বীকৃতি পায়।ভূমির মালিকানা দখল সম্পর্কিত সরকারি রেকর্ড প্রতিষ্ঠিত হয়।ভূমি সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি সহজ হয়।স্বত্বলিপি বর্তমানে ভূমি সংক্রান্ত মামলা, নামজারি প্রশাসনিক কার্যক্রমে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রামাণ্য দলিল।

 

উপসংহার

১৯৫০ সালের রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ প্রজাস্বত্ব আইন অনুযায়ী স্বত্বলিপি প্রস্তুত একটি সুসংগঠিত প্রশাসনিক প্রক্রিয়া, যা জরিপ, খসড়া প্রকাশ, আপত্তি শুনানি চূড়ান্ত প্রকাশের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। একই সঙ্গে সংশোধন নামজারির বিধান থাকায় ভূমি রেকর্ড হালনাগাদ রাখা সম্ভব হয়। এর ফলে ভূমি প্রশাসনে স্বচ্ছতা আইনি নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।

No comments

Powered by Blogger.