ভূমি আইন সংক্ষিপ্ত সাজেশন অনুযায়ী সহজ ও সাবলীল ভাষায় প্রশ্ন উত্তর। এল এল বি ফাইনাল পরীক্ষা-২০২৩ । পার্ট-২
ভূমি আইন
সংক্ষিপ্ত সাজেশন অনুযায়ী সহজ ও সাবলীল ভাষায় প্রশ্ন উত্তর।
এল এল বি ফাইনাল পরীক্ষা-২০২৩
২। (ক) ১৯৫০ সালের রাষ্ট্রীয় অর্জন ও প্রজাস্বত্ব আইনের বিধানুসারে অগ্রক্রয়ের মামলায় কোন কোন ব্যক্তি আবশ্যকীয় পক্ষ? একজন আবশ্যকীয় পক্ষ বাদ গেলে তার ফলাফল কী? কখন অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রযোজ্য নয়?
খ) অগ্রক্রয় কী? অগ্রক্রয়ের দরখাস্তকারীদের মধ্যে অগ্রগণ্যতা নির্ণয়ে ১৯৫০ সনের রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের সংশোধিত বিধানাবলি বর্ণনা কর।
গ)১৯৫০ সালের রাষ্ট্রীয় অর্জন ও প্রজাস্বত্ব আইন এবং ১৯৪৯ সালের অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইনে
বর্ণিত অগ্রক্রয় সম্পর্কিত বিধানের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় কর।
অগ্রক্রয় (Pre-emption) কী?
অগ্রক্রয় হলো এমন একটি আইনগত অধিকার, যার মাধ্যমে কোনো সহ-মালিক বা
সংলগ্ন জমির মালিক, অন্য কোনো অপরিচিত ব্যক্তির নিকট জমি বিক্রয় হলে নির্দিষ্ট শর্তে সেই জমি নিজ নামে ক্রয়ের দাবি করতে পারেন।
অর্থাৎ, তৃতীয় ব্যক্তির নিকট বিক্রয়ের ক্ষেত্রে নিকটবর্তী স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।
নিচে আবশ্যকীয় পক্ষসমূহ উল্লেখ করা হলো—
১. বিক্রেতা (Transferor)
যিনি জমি হস্তান্তর/বিক্রয় করেছেন।
কারণ বিক্রয় দলিল ও লেনদেনের বৈধতা
প্রশ্নে আসতে পারে, তাই তাকে পক্ষভুক্ত করা আবশ্যক।
২. ক্রেতা (Transferee)
যিনি জমি ক্রয় করেছেন। তিনি মামলার প্রধান প্রতিপক্ষ; তার স্বার্থ সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
৩. সকল সহ-শরিক (All Co-sharers in the
holding)
যদি জমি এজমালি (joint holding) হয়, তবে ঐ হোল্ডিংয়ের সকল
সহ-শরিককে পক্ষ করতে হবে।কারণ অগ্রক্রয়ের অধিকার সহ-শরিকদের স্বার্থের
সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।
৪. পরবর্তী হস্তান্তরগ্রহীতা (Subsequent Transferee)
যদি মূল ক্রেতা পরে জমি অন্য কারো নিকট হস্তান্তর করে থাকেন, তবে তাকেও আবশ্যকীয় পক্ষ করতে হবে।
কারণ চূড়ান্ত আদেশ তার স্বার্থেও প্রভাব ফেলবে।
একজন
আবশ্যকীয় পক্ষ বাদ গেলে তার ফলাফল কী?
East Bengal State Acquisition and Tenancy Act–এর অধীনে অগ্রক্রয়
মামলায় যদি কোনো আবশ্যকীয় পক্ষ (Necessary Party)
বাদ পড়ে, তবে তার গুরুতর আইনি ফলাফল হয়।
নিচে এর ফলাফল বিস্তারিতভাবে
তুলে ধরা হলো—
১. মামলা ত্রুটিপূর্ণ (Defective) হয়ে যায়
আবশ্যকীয় পক্ষ ব্যতীত মামলা দায়ের করলে তা non-joinder of
necessary party–এর
কারণে ত্রুটিপূর্ণ বলে গণ্য হয়।
২. মামলা খারিজ (Dismissal) হতে পারে
আদালত যদি মনে করেন যে বাদ পড়া
পক্ষের স্বার্থ সরাসরি জড়িত এবং তাকে অন্তর্ভুক্ত না করলে ন্যায়সঙ্গত
রায় দেওয়া সম্ভব নয়, তবে মামলা খারিজ করতে পারেন।
৩. রায় অকার্যকর
(Ineffective/Unenforceable) হতে
পারে
আবশ্যকীয় পক্ষকে বাদ দিয়ে দেওয়া রায় তার বিরুদ্ধে কার্যকর হয় না। ফলে রায় বাস্তবায়নে জটিলতা সৃষ্টি হয়।
৪. সংশোধনের সুযোগ
আদালত অনেক ক্ষেত্রে বাদীকে প্রয়োজনীয় পক্ষকে অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ দিতে পারেন
(amendment/impleadment)।
তবে নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রম করলে সংশোধনের সুযোগ নাও থাকতে পারে।
৫. আপিলে রায় বাতিল হতে পারে
যদি নিম্ন আদালত আবশ্যকীয় পক্ষ ছাড়াই রায় প্রদান করেন, তাহলে উচ্চ আদালতে আপিলে সেই রায় বাতিল হতে পারে।
অগ্রক্রয় মামলায় সকল আবশ্যকীয় পক্ষকে অন্তর্ভুক্ত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একজন আবশ্যকীয় পক্ষ বাদ গেলে মামলা ত্রুটিপূর্ণ হয়, খারিজ হতে পারে অথবা প্রদত্ত রায় অকার্যকর হয়ে পড়তে পারে।
কখন
অগ্রক্রয়ের অধিকার
প্রযোজ্য নয়?
East Bengal State Acquisition and
Tenancy Act–এর
(বিশেষত
ধারা
৯৬)
বিধান
অনুযায়ী অগ্রক্রয়ের অধিকার
(Right of Pre-emption) একটি
সীমাবদ্ধ ও
শর্তসাপেক্ষ অধিকার। সব
ধরনের
হস্তান্তরের ক্ষেত্রে এটি
প্রযোজ্য নয়।
নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে অগ্রক্রয়ের অধিকার
প্রযোজ্য হয়
না—
১. সহ-শরিকের নিকট বিক্রয়
যদি
কোনো
জমি
একই
হোল্ডিংয়ের একজন
সহ-শরিকের নিকট বিক্রি
করা
হয়,
তবে
অন্য
সহ-শরিক অগ্রক্রয়ের দাবি
করতে
পারেন
না।
কারণ
জমি
বাইরের
ব্যক্তির নিকট
যায়নি।
২. বিক্রয় ব্যতীত অন্য হস্তান্তর
অগ্রক্রয়ের অধিকার
সাধারণত “বিক্রয়” (Sale)-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়—
- দান
(Gift/হেবা)
- উইল
(Will)
- বিনিময়
(Exchange)
- পারিবারিক
বন্দোবস্ত (Family Settlement)
৩. আদালতের নিলাম বিক্রয়
আদালতের ডিক্রি
কার্যকর করতে
নিলামে
বিক্রয় হলে
অগ্রক্রয়ের অধিকার
প্রযোজ্য নয়।
৪. সম্পূর্ণ হোল্ডিং বিক্রয়
যদি
সম্পূর্ণ হোল্ডিং (Entire holding) বিক্রি করা
হয়,
অনেক
ক্ষেত্রে অগ্রক্রয়ের অধিকার
থাকে
না;
কারণ
আইনের
উদ্দেশ্য আংশিক
বিক্রয়ের ক্ষেত্রে সহ-শরিকের স্বার্থ রক্ষা
করা।
৫. সময়সীমা অতিক্রম
আইন
অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের
(সাধারণত দলিল
নিবন্ধনের তারিখ
থেকে
৪
মাসের
মধ্যে)
আবেদন
না
করলে
অগ্রক্রয়ের অধিকার
আর
প্রযোজ্য থাকে
না।
৬. যোগ্যতা না থাকলে
যিনি
সহ-শরিক নন বা
সংলগ্ন
জমির
মালিক
নন,
তিনি
অগ্রক্রয়ের দাবি
করতে
পারবেন
না।
উপসংহার
অগ্রক্রয়ের অধিকার
একটি
বিশেষ
ও
সীমিত
অধিকার। এটি
কেবল
বৈধ
বিক্রয়ের ক্ষেত্রে এবং
নির্দিষ্ট শর্ত
পূরণ
সাপেক্ষে প্রযোজ্য। দান,
পারিবারিক বন্দোবস্ত, আদালতের নিলাম
বা
নির্ধারিত সময়
অতিক্রম করলে
এ
অধিকার
প্রযোজ্য নয়।
খ)
অগ্রক্রয় কী? অগ্রক্রয়ের দরখাস্তকারীদের মধ্যে
অগ্রগণ্যতা নির্ণয়ে ১৯৫০
সনের
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও
প্রজাস্বত্ব আইনের
সংশোধিত বিধানাবলি বর্ণনা
কর।
অগ্রক্রয়
(Priority) কী?
অগ্রক্রয়
বলতে বোঝায় একাধিক দরখাস্তকারীর মধ্যে কে আগে অধিকার বা ক্ষতিপূরণ পাওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবে তা নির্ধারণ করা।
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে এটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ, কারণ একাধিক ব্যক্তি বা সংস্থা একই
সম্পত্তির জন্য ক্ষতিপূরণ বা অধিকার দাবি করতে পারে।
সুতরাং, অগ্রক্রয় হলো সেই নিয়ম বা প্রক্রিয়া যার
মাধ্যমে দরখাস্তকারীদের মধ্যে প্রাধান্য বা priority নির্ধারণ করা হয়।
১৯৫০
সালের
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন (State Acquisition and Tenancy Act) বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ভূমি অধিগ্রহণ ও
কৃষক/ভাড়াটিয়া স্বত্ব সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ আইন।
এই
আইন
মূলত
ভূমি
অধিগ্রহণের সময়
কৃষক
বা
ভাড়াটিয়াদের অগ্রগণ্যতা (priority)
নির্ধারণের নিয়ম
বর্ণনা
করেছিল।
সংশোধিত বিধানাবলিতে যা
যুক্ত
হয়েছে
তা
হলো:
১. অগ্রগণ্যতার প্রাথমিক নীতি
অধিগ্রহণকৃত ভূমিতে
যারা
কৃষিকাজ করে
আসছিলেন বা
প্রজাস্বত্ত্ব ভোগ
করছিলেন, তাদেরকে নতুন
মালিকানা বা
পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে প্রথম অগ্রাধিকার দেওয়া
হবে।
এই
অগ্রাধিকার কেবল
ভূমিপ্রাপ্তির বৈধ দাবিকারীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যারা
সরকারের নথি
অনুযায়ী স্বীকৃত প্রজাস্বত্ত্ব বা
ভূমি
অধিকার
রাখেন।
২. দরখাস্তের প্রক্রিয়া
জমি
অধিগ্রহণের পরে
যে
সমস্ত
ব্যক্তিরা পুনঃদখল বা
পুনর্বাসনের জন্য
আবেদন
করেন,
তাদের
দরখাস্তের তারিখ ও ভূমির ব্যবহার বিবেচনা করে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হয়।সংরক্ষিত ফর্মে জমা দেওয়া
দরখাস্তগুলো জেলা প্রশাসন বা সংশ্লিষ্ট অফিসার দ্বারা
যাচাই
করা
হয়।
৩. সংশোধিত অগ্রগণ্যতার মানদন্ড
সংশোধিত বিধান
অনুযায়ী, অগ্রগণ্যতার ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ:
- জমি
চাষের দীর্ঘায়ু ও ব্যবহার – যিনি দীর্ঘদিন ভূমি চাষ করেছেন, তার অগ্রাধিকার বেশি।
- সরাসরি
চাষাবাদকারীর অবস্থান – চাষাবাদকারী ও
প্রজাস্বত্ত্বভোগীকে প্রথম অগ্রাধিকার।
- অর্থনৈতিক
ও সামাজিক অবস্থা – দারিদ্র্য বা সুবিধাবঞ্চিত কৃষকের প্রতি বিশেষ লক্ষ্য।
- দরখাস্তের
প্রমাণপত্র – পূর্ববর্তী জমির নথি, ভাড়াটিয়ার চুক্তি, বা স্থানীয় প্রমাণপত্র।
৪. প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ: জেলা
কমিশনার বা
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা অগ্রাধিকার তালিকা
প্রস্তুত করেন।
যে
আবেদনকারীর অগ্রাধিকার নিশ্চিত হয়,
তাকে
পুনর্বাসন বা জমি পুনঃবণ্টন করা
হয়।যেকোনো বিতর্ক
বা
দ্বন্দ্ব হলে,
আদালতের মাধ্যমে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া
হয়।
৫. লক্ষ্য
এই
সংশোধিত বিধানাবলির মূল
লক্ষ্য
ছিল:
- কৃষকের স্বার্থ সংরক্ষণ।
- জমির শোষণ বা অবৈধ অধিগ্রহণ
প্রতিরোধ।
- সামাজিক ন্যায় ও ভূমি ব্যবস্থায় সমতা নিশ্চিত করা।
পরিশেষে, ১৯৫০ সালের সংশোধিত
আইন কৃষকদের পুনর্বাসন ও
জমির
অধিগ্রহণে প্রথম অগ্রাধিকার নিশ্চিত করার প্রক্রিয়া ও মানদণ্ড নির্ধারণ করেছিল,
যাতে
সরকারী
অধিগ্রহণের সময়
সামাজিক ও
অর্থনৈতিক ন্যায়
রক্ষা
করা
যায়।
গ)১৯৫০ সালের রাষ্ট্রীয় অর্জন ও প্রজাস্বত্ব আইন এবং ১৯৪৯ সালের অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইনে
বর্ণিত অগ্রক্রয় সম্পর্কিত বিধানের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় কর।
১. প্রেক্ষাপট ও লক্ষ্য
|
বৈশিষ্ট্য |
১৯৪৯ সালের অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন |
১৯৫০ সালের রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন |
|
লক্ষ্য |
মূলত
কৃষক
ও
ভাড়াটিয়াদের জমির
স্বত্ব সুরক্ষা, বিশেষত অকৃষি জমি নিয়ে। |
সরকারী অধিগ্রহণের পর
কৃষক/প্রজাস্বত্ত্বভোগীর
পুনর্বাসন ও
জমি
পুনঃবণ্টন নিশ্চিত করা। |
|
প্রযোজ্য ক্ষেত্র |
অকৃষিজমি (কৃষিকাজের জন্য
ব্যবহার হয়নি এমন
জমি)। |
যে
কোনও
সরকারী অধিগ্রহণকৃত জমি। |
২. অগ্রক্রয়ের মানদন্ড
|
দিক |
১৯৪৯ আইন |
১৯৫০ আইন |
|
চাষাবাদ ও
ব্যবহার |
শুধুমাত্র কৃষি
কাজ
না
করা
জমির
ক্ষেত্রে প্রজাস্বত্ত্বের ধার্যতা। |
চাষাবাদকারীর দীর্ঘায়ু, জমির
ব্যবহার, এবং
দরখাস্তকারীর বৈধতা সব
বিবেচনা। |
|
আবেদন প্রক্রিয়া |
সীমিত ও
সরল:
কেবল
জমি
দখলকারীদের প্রাধান্য। |
প্রশাসনিক যাচাইসহ বিস্তারিত দরখাস্ত প্রক্রিয়া; জেলা
প্রশাসক যাচাই। |
|
সামাজিক বিবেচনা |
বিশেষভাবে উল্লেখ নেই। |
দরিদ্র ও
সুবিধাবঞ্চিত কৃষকের জন্য
বিশেষ অগ্রাধিকার। |
৩. প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ
|
দিক |
১৯৪৯ আইন |
১৯৫০ আইন |
|
কর্তৃপক্ষ |
স্থানীয় প্রশাসক বা
কমিশনার। |
জেলা
কমিশনার/সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, আদালতের দ্বারাও দ্বন্দ্ব সমাধান। |
|
অগ্রাধিকার তালিকা |
সীমিত নথির
ভিত্তিতে |
নথি
+ সামাজিক ও
অর্থনৈতিক অবস্থার ভিত্তিতে |
৪. মূল পার্থক্য
- প্রযোজ্য
ক্ষেত্র: ১৯৪৯ আইন মূলত অকৃষিজমির
ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, ১৯৫০ আইন সরকারী অধিগ্রহণকৃত জমিতে প্রযোজ্য।
- অগ্রাধিকার
নির্ধারণ: ১৯৪৯ আইনে কেবল বৈধ দখলকারীদের
অগ্রাধিকার, ১৯৫০ আইনে চাষাবাদ, নথি, দরিদ্রত্ব ও
সামাজিক অবস্থাও বিবেচিত।
- প্রশাসনিক
প্রক্রিয়া: ১৯৫০ আইনে প্রক্রিয়াটি
আরও নিয়ন্ত্রিত, যাচাই ও
আদালতের পর্যায় সংযুক্ত।
- সামাজিক
লক্ষ্য: ১৯৫০ আইনে দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত কৃষকের পুনর্বাসনের জন্য বিশেষ দিকনির্দেশনা।
No comments