কোম্পানি আইন ও বাংলাদেশের বাণিজ্যিক আইন এর বাংলাদেশের বাণিজ্যিক আইন অংশের টিকা সমূহ । এল এল বি ফাইনাল পরীক্ষা-২০২৩। পার্ট-১
কোম্পানি আইন ও বাংলাদেশের বাণিজ্যিক আইন এর
বাংলাদেশের বাণিজ্যিক আইন অংশের টিকা সমূহ । এল এল
বি ফাইনাল পরীক্ষা-২০২৩। পার্ট-১
১.ক্রেতা সাবধান (Caveat Emptor)
“ক্রেতা সাবধান” অর্থ
হলো—পণ্য ক্রয়ের পূর্বে
তার
গুণ,
মান,
পরিমাণ
ও
উপযোগিতা যাচাই
করা
ক্রেতার দায়িত্ব। বিক্রেতা সাধারণত পণ্যের
সব
ত্রুটির জন্য
দায়ী
নন,
যদি
না
তিনি
স্পষ্টভাবে কোনো
নিশ্চয়তা দেন।
আইনগত ভিত্তি (বাংলাদেশ):
এ
নীতির
মূল
ভিত্তি
Sale of Goods Act, 1930-এর
ধারা
১৬।
উক্ত
ধারায়
বলা
হয়েছে,
বিক্রয় চুক্তিতে বিশেষ
শর্ত
না
থাকলে
পণ্যের
গুণগত
মান
বা
নির্দিষ্ট কাজে
উপযোগিতা সম্পর্কে অন্তর্নিহিত (implied) শর্ত সাধারণত ধরা
হয়
না।
নীতির উদ্দেশ্য:
- বাণিজ্যে
সতর্কতা বৃদ্ধি
- ক্রেতাকে
সচেতন করা
- চুক্তির স্বাধীনতা
রক্ষা করা
ব্যতিক্রমসমূহ:
১)
নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে ক্রয়: ক্রেতা বিক্রেতার দক্ষতার ওপর
নির্ভর
করলে।
২)
Merchantable Quality: বর্ণনা অনুযায়ী বিক্রয়ে পণ্য
বাজারযোগ্য মানের
হতে
হবে।
৩)
প্রতারণা/ভুল উপস্থাপন (Fraud/Misrepresentation): বিক্রেতা ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল
তথ্য
দিলে।
৪)
নমুনা অনুযায়ী বিক্রয়: সরবরাহকৃত পণ্য
নমুনার
সঙ্গে
মিলতে
হবে।
৫)
চুক্তিভিত্তিক গ্যারান্টি (Express Warranty):
চুক্তিতে স্পষ্ট
শর্ত
থাকলে।
ভোক্তা সুরক্ষা:
ভোক্তার অধিকার
রক্ষায় Consumer Rights Protection Act, 2009 গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
প্রতারণা, ভেজাল,
অতিরিক্ত মূল্য
আদায়
ইত্যাদির বিরুদ্ধে এই
আইনে
প্রতিকার পাওয়া
যায়।
সমালোচনা:
আধুনিক
বাণিজ্যে বিক্রেতা অধিক
তথ্যসম্পন্ন হওয়ায় শুধুমাত্র “ক্রেতা
সাবধান”
নীতি
যথেষ্ট
নয়;
তাই
বর্তমানে “Caveat Venditor” (বিক্রেতা সাবধান)
ধারণাও
গুরুত্ব পাচ্ছে।
উপসংহার:
সাধারণ
নিয়মে
ক্রেতাকে সতর্ক
থাকতে
হয়,
তবে
ন্যায়
ও
ভোক্তা
সুরক্ষার স্বার্থে আইনে
একাধিক
ব্যতিক্রম রাখা
হয়েছে,
যা
বাণিজ্যে ভারসাম্য রক্ষা
করে।
২.ক্ষতিপূরণের চুক্তি (Contract of Indemnity)
সংজ্ঞা: ক্ষতিপূরণের
চুক্তি হলো একটি চুক্তি যার অধীনে একটি পক্ষ (প্রতিশ্রুতিকারী) অন্য পক্ষকে ক্ষতি বা দায় থেকে রক্ষা করার প্রতিশ্রুতি দেয়।
সহজভাবে, চুক্তি অনুযায়ী, যদি কোনো ক্ষতি বা দায় ঘটে,
প্রতিশ্রুতিকারী
সেই
ক্ষতির
সমপরিমাণ
অর্থ
প্রদান
করবে
বা ক্ষতি দূর করবে।
মূল বৈশিষ্ট্য
1. দায়ভার প্রতিশ্রুতি: এক পক্ষ অন্য
পক্ষের জন্য ক্ষতি বা দায়ভার বহন
করে।
2. লিখিত বা মৌখিক হতে পারে: তবে লিখিত চুক্তি আইনি শক্তিশালী।
3. ক্ষতির ভিত্তিতে কার্যকর: চুক্তি কেবল তখনই প্রযোজ্য যখন ক্ষতি ঘটেছে।
4. বিমার মূল নীতি: এটি Indemnity
Principle এর
ভিত্তিতে তৈরি।
আইনি ভিত্তি
·
Contract Act, 1872 (Bangladesh/India)
– ক্ষতিপূরণের চুক্তি সংক্রান্ত শর্ত ও দায় নির্ধারণ।
·
মূল
উদ্দেশ্য: ক্ষতির চেয়ে বেশি সুবিধা গ্রহণকে বাধা দেওয়া।
উদাহরণ
1. জন তার দোকানের
মালকে সুরক্ষার জন্য মিয়া কে চুক্তি দিলেন:
“যদি
দোকানের মাল ক্ষতি হয়, আমি তার ক্ষতি পূরণ করব।”
2. ব্যবসায়িক চুক্তিতে একজন অংশীদার অন্যকে ক্ষতি থেকে রক্ষা করার জন্য দায়ভার নেয়।
ক্ষতিপূরণের চুক্তি বীমা, ব্যবসায়িক চুক্তি ও আইনি লেনদেনে গুরুত্বপূর্ণ। এটি মূলত ক্ষতির সমপরিমাণ অর্থ প্রদান নিশ্চিত করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
৩.সাধারণ বাহক (Common Carrier) –
সংজ্ঞা
সাধারণ বাহক হল এমন একজন
বা প্রতিষ্ঠান যারা যে কোনো ব্যক্তি
বা পণ্য নির্দিষ্ট শর্ত মেনে পরিবহন করতে বাধ্য থাকে। তারা সাধারণ জনগণের জন্য খোলা থাকে এবং তাদের পরিষেবা প্রায়শই আইন অনুযায়ী নিয়ন্ত্রিত।
বাংলাদেশে বাণিজ্যিক আইন বা কমার্শিয়াল ল,
বিশেষ করে Carriers Act বা পরিবহন আইন এর আলোকে সাধারণ
বাহককে সাধারণভাবে বলা যায়:
1. স্বতন্ত্র বা নির্দিষ্ট পরিবহন নয়:
সাধারণ বাহক তাদের যানবাহন বা পরিবহন সুবিধা
যেকোনো গ্রাহকের জন্য ব্যবহার করতে পারেন (যদি ক্ষমতা থাকে)।
2. আইনানুগ দায়িত্ব:যাত্রী বা মালামাল নিরাপদে
গন্তব্যে পৌঁছানো। খারাপ পরিস্থিতিতে ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য থাকেন, যদি তারা অবহেলা করেন।
3. দায় এবং অগ্রাধিকার:সাধারণ বাহক মালামাল বা যাত্রীর ক্ষতি
বা ধ্বংসের জন্য দায়ী।তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা গ্রাহকের অনিয়মজনিত
ক্ষতির ক্ষেত্রে তারা মুক্ত থাকতে পারে।
4. চুক্তি ও নিয়মাবলী: সাধারণ বাহক প্রায়শই ট্যারিফ বা ভাড়া তালিকা প্রকাশ করে, এবং গ্রাহক সেই ভাড়ায় পরিষেবা গ্রহণ করতে পারে।
উদাহরণ:
১.বাস সার্ভিস, ট্রেন, ফেরি বা কুরিয়ার সার্ভিস
সাধারণ বাহকের উদাহরণ।
২. যদি কুরিয়ার কোম্পানি ভাড়া নিয়ে পণ্য পৌঁছাতে অস্বীকার করে, তবে তারা আইনগতভাবে দায়ী।
৪.সাধারণ বাহক
সংজ্ঞা:
সাধারণ বাহক হল এমন ব্যক্তি
বা প্রতিষ্ঠান, যিনি জনসাধারণের জন্য মাল বা যাত্রী পরিবহনের সেবা প্রদান করেন এবং যেকোনো গ্রহণযোগ্য মাল গ্রহণ করতে বাধ্য থাকেন, যদি তা বিপজ্জনক বা
অবৈধ না হয়।
মূল বৈশিষ্ট্য:
1. সাধারণ সেবা: সেবা সকলের জন্য উন্মুক্ত।
2. মাল গ্রহণ বাধ্যবাধকতা: অযৌক্তিকভাবে মাল গ্রহণ প্রত্যাখ্যান করতে পারবে না।
3. যত্নের দায়িত্ব: মাল নষ্ট বা চুরি থেকে
রক্ষা করতে সচেষ্ট থাকতে হবে।
4. দায় ও সীমাবদ্ধতা: মাল নষ্ট বা বিলম্বের জন্য
সাধারণ দায় থাকে; প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা মালিকের ত্রুটির
জন্য দায় সীমিত।
আইনি ভিত্তি:
·
Carriers Act, 1865 – সাধারণ বাহকের দায়িত্ব ও দায় নির্ধারণ।
·
Bangladesh Contract Act, 1872 –
চুক্তির শর্ত অনুযায়ী সীমাবদ্ধতা।
উদাহরণ:
মালবাহী ট্রাক কোম্পানি যা জনসাধারণের জন্য
মাল পরিবহন করে।ট্রেন বা লঞ্চ যা
যেকোনো যাত্রীর জন্য টিকিট বিক্রি করে।
সাধারণ বাহক সর্বদা জনসাধারণের জন্য সেবা প্রদান করে; বিশেষ বাহক শুধু নির্দিষ্ট ব্যক্তির জন্য।
৫.পুনঃবীমা
সংজ্ঞা
পুনঃবীমা হলো একটি বীমা কোম্পানি তার নিজের নেয়া বীমা ঝুঁকি অন্য বীমা কোম্পানিকে হস্তান্তর করে। অর্থাৎ, প্রাইমারি বীমাকারী (Primary Insurer)
তার
ঝুঁকি
কমাতে
পুনঃবীমাকারীর
(Reinsurer) কাছে
অংশ
বিক্রি
করে।
সহজভাবে, প্রধান বীমাকারী: যিনি প্রথমে গ্রাহকের থেকে বীমা গ্রহণ করেন। পুনঃবীমাকারী: যিনি প্রধান বীমাকারীর ঝুঁকি ভাগাভাগি করে নেন।
উদ্দেশ্য
1. ঝুঁকি হ্রাস: বড় ক্ষতির ঝুঁকি কমানো।
2. ধনশক্তি বৃদ্ধি: বড় পরিমাণ বীমা
দিয়ে কোম্পানি আরও গ্রাহক গ্রহণ করতে পারে।
3. লভ্যাংশ স্থিতিশীল রাখা: বড় ক্ষতির পরও
আর্থিক স্থিতিশীলতা রক্ষা করা।
4. অপেক্ষাকৃত নতুন বা অজানা ঝুঁকিতে সহায়তা।
প্রকার
১. ফ্যাকাল্টেটিভ পুনঃবীমা
২.(ট্রিটি পুনঃবীমা):
উদাহরণ
একটি বীমা কোম্পানি বড় ভবন বা শিল্প প্রতিষ্ঠানের
জন্য ১০ কোটি টাকা
বীমা দেয়। তবে ক্ষতির সম্ভাবনা বেশি, তাই ৫ কোটি টাকা
ঝুঁকি পুনঃবীমাকারীর কাছে হস্তান্তর করে।
পুনঃবীমা মূলত বীমা কোম্পানির নিরাপত্তা ও আর্থিক স্থিতিশীলতার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি গ্রাহকের বীমা প্রিমিয়াম বাড়ায় না; বরং কোম্পানির ক্ষতি কমায়।
৬.সাধারণ গড়পড়তা ক্ষতি (Average Loss / Normal Loss)
সংজ্ঞা সাধারণ
গড়পড়তা ক্ষতি হলো একটি ব্যবসা, প্রকল্প বা বীমা পলিসির ক্ষেত্রে সাধারণভাবে প্রত্যাশিত বা স্বাভাবিক ক্ষতির পরিমাণ। এটি প্রাকৃতিক বা স্বাভাবিক ঝুঁকি/ক্ষতির সীমা,
যা নিয়মিত ব্যবসায় ঘটে থাকে।
সহজভাবে,
ব্যবসার নিয়মিত পরিচালনার সময় যে ক্ষতি “সাধারণ”
ধরা হয়, যেমন: ক্ষয়ক্ষতি, চুরি, ক্ষুদ্র দুর্ঘটনা ইত্যাদি।
বৈশিষ্ট্য
1. প্রাকৃতিক / স্বাভাবিক ক্ষতি: অপ্রত্যাশিত নয়, নিয়মিত ঘটে।
2. পরিমাপযোগ্য: হিসাব করা যায় হিসাবরক্ষণ বা হিসাবপত্র থেকে।
3. বীমা ও ঝুঁকির হিসাবের জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সাধারণ গড়পড়তা ক্ষতি অতি ক্ষতির সাথে মিশে না। বীমা কোম্পানি সাধারণ ক্ষতি হিসাব করে প্রিমিয়াম নির্ধারণ করে।
উদাহরণ
1. একটি দোকানে বছরে নিম্নমাত্রার চুরি বা ক্ষয়ক্ষতি সাধারণ ক্ষতি।
2. শিল্প প্রতিষ্ঠানে মেশিনের ক্ষুদ্র রক্ষণাবেক্ষণ খরচ যা নিয়মিত হয়।
3. বীমা ক্ষেত্রে ছোটখাটো দাবী বা ক্ষতি যা প্রায়শই ঘটে।
সাধারণ গড়পড়তা ক্ষতি এবং বড়/অস্বাভাবিক ক্ষতি
আলাদা। সাধারণ ক্ষতি স্বাভাবিক ব্যবসার অংশ, যা বীমা প্রিমিয়াম বা ঝুঁকি পরিকল্পনায় বিবেচনা করা হয়।
৭.সমুদ্র ভয়ণায়ক বিপদ
সংজ্ঞা: সমুদ্র
ভয়ণায়ক বিপদ হলো সমুদ্র বা জলযাত্রার কারণে হঠাৎ, অপ্রত্যাশিত এবং সাধারণত অনিবার্য ক্ষতি বা ঝুঁকি। এটি মূলত
বীমা ও সমুদ্রপথে মাল পরিবহনে প্রযোজ্য ঝুঁকি।
সহজভাবে, সমুদ্রযাত্রায় যেসব ঝুঁকি বা দুর্ঘটনা ঘটে,
যেগুলো সাধারণ বীমা চুক্তি অনুযায়ী “স্বাভাবিক এবং অনিবার্য” বলে ধরা হয়।
প্রধান বৈশিষ্ট্য
1. অপ্রত্যাশিত ও অপ্রতিরোধযোগ্য: দুর্ঘটনা হঠাৎ ঘটে এবং সাধারণত রোধ করা যায় না।
2. সমুদ্রের সঙ্গে সম্পর্কিত: ঝড়, জলোচ্ছ্বাস, জলপথে সংঘর্ষ, কাদা বা পাহাড়ি ঢেউ
ইত্যাদি।
3. বীমার দৃষ্টিকোণ থেকে গুরুত্বপূর্ণ: বীমা কোম্পানি এই ঝুঁকি বিবেচনা
করে মাল বা যানবাহনের বীমা
নীতি নির্ধারণ করে।
উদাহরণ
1. ঝড় বা হারিকেনের
কারণে জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া।
2. সমুদ্রের ঢেউ বা জলপথে দুর্ঘটনার
কারণে মাল নষ্ট হওয়া।
3. জাহাজের স্ফুটন বা সমুদ্রের সংঘর্ষে
মাল ক্ষতি।
সমুদ্র ভয়ণায়ক বিপদ নির্দিষ্ট এবং স্বাভাবিক বীমার আওতায় থাকে, যা জাহাজ বা
মাল পরিবহনের ঝুঁকি হিসেবে বিবেচিত। এটি সাধারণ ব্যবসায়িক ক্ষতি বা চুরি-ক্ষয়
থেকে আলাদা, কারণ এটি প্রাকৃতিক এবং অনিবার্য।
৮.এভারেজ ক্লজ
সংজ্ঞা: এভারেজ
ক্লজ হলো বীমা চুক্তিতে থাকা একটি ধারা,
যা বীমা কোম্পানিকে বীমা প্রদত্ত মূল্যের তুলনায় পরিপূর্ণ বীমা না থাকলে ক্ষতির অনুপাত অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ প্রদান করার অধিকার দেয়।
সহজভাবে, যদি মাল সম্পূর্ণ মূল্যবিমার অধীনে বীমা করা না হয়, তবে ক্ষতিপূরণও আংশিক দেওয়া হবে।
মূল বৈশিষ্ট্য
1. বীমার পরিমাণ নির্ভরশীল: মালের পুরো মূল্য বীমা না করলে ক্ষতিপূরণ
আংশিক হবে।
2. অনুপাতিক ক্ষতিপূরণ (Pro-rata
Payment): ক্ষতির
পরিমাণ = (বীমা প্রিমিয়াম ÷ মোট মালের মূল্য) × ক্ষতি।
3. বীমাকারীর দায়িত্ব: বীমাকারী মালের সঠিক মূল্যে বীমা না করলে নিজের
ক্ষতি নিজেই মিটাবে।
উদাহরণ
·
মালের
মোট মূল্য: 10,00,000 টাকা
·
বীমা:
5,00,000 টাকা
·
ক্ষতি:
2,00,000 টাকা
ক্ষতিপূরণ =
(5,00,000 ÷ 10,00,000) × 2,00,000 = 1,00,000 টাকা
এভারেজ ক্লজ বীমাকারীকে সম্পূর্ণ বীমা নিতে উৎসাহিত করে। সাধারণত সমুদ্রবিমা (Marine
Insurance) এবং
অন্যান্য
ব্যবসায়িক
বিমায়
ব্যবহার হয়।
No comments