Header Ads

Header ADS

বাংলাদেশের সাংবিধানিক আইন এর যুক্তরাজ্য অংশ এল এল বি পরীক্ষা ২০২৫- পার্ট-১

 

1. আইনের অনুশাসন বলতে কী বুঝ? “গণতান্ত্রিক বা সাংবিধানিক সরকার একবার প্রতিষ্ঠিত হলে আইনের শাসনের সুফল আপনা-আপনিই নির্গত হবে।”——উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ করুন। সমালোচনাসহ ডাইসীর আইনের অনুশাসন মতবাদ আলোচনা করুন।]


. আইনের শাসন বা Law and Discipline (Rule of Law) বলতে কী বুঝ?

সংজ্ঞা:
আইনের শাসন বলতে বোঝায় যে:

  1. সবার জন্য আইন সমানভাবে প্রযোজ্যব্যক্তি, সরকার বা সংস্থাসবার ওপর আইন সমানভাবে প্রযোজ্য হবে।
  2. শাসকও আইন মেনে চলবেক্ষমতাসীন সরকার আইন অমান্য করতে পারবে না।
  3. মৌলিক অধিকার রক্ষানাগরিকদের অধিকার সংরক্ষণ করা হবে।
  4. বিচার বিভাগের স্বাধীনতাআদালত স্বাধীনভাবে আইন প্রয়োগ বিচার করবে।

সংক্ষেপে, আইনের শাসন হলো একটি ন্যায়পরায়ণ নিয়মবদ্ধ সমাজ যেখানে আইনই সর্বোচ্চ।


. উক্তিটির বিশ্লেষণ

গণতান্ত্রিক বা সাংবিধানিক সরকার একবার প্রতিষ্ঠিত হলে আইনের শাসনের সুফল আপনা-আপনিই নির্গত হবে।

যথার্থতা:

  • গণতান্ত্রিক সরকার সাধারণত আইন সংবিধান মেনে চলে।
  • শাসক প্রশাসন জনগণের দ্বারা নির্বাচিত হওয়ায় আইনের শৃঙ্খলা বজায় রাখার প্রবণতা থাকে।

সমালোচনা:

  • প্রকৃতপক্ষে সুফল স্বয়ংক্রিয়ভাবে আসে না।
  • অনেক দেশে দেখা যায়, গণতান্ত্রিক সরকার থাকলেও:
    • দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, বিচার বিভাগের অস্বাধীনতা হ্রাস পাওয়া, বা মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন হয়।
  • তাই, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে শুধু সরকার নির্বাচন হওয়া যথেষ্ট নয়।
  • প্রয়োজন সক্ষম প্রতিষ্ঠান, স্বাধীন বিচার বিভাগ, শক্তিশালী নাগরিক সমাজ এবং আইন-শৃঙ্খলার সংস্কৃতি।

অর্থাৎ, উক্তিটি সম্পূর্ণভাবে যথার্থ নয়, এটি শুধু তাত্ত্বিক ধারণা। বাস্তবায়নের জন্য কার্যকর প্রতিষ্ঠান এবং নৈতিক নেতৃত্ব প্রয়োজন।


. ডাইসি (Dicey) এর আইনের শাসন মতবাদ

A.V. Dicey (১৯১৪)–এর মূল মতবাদ:

  1. আইনের শাসনই সংবিধানের মূল ভিত্তি
    • কোনো ব্যক্তি বা সরকার আইন থেকে উপরে নয়।
  2. সবার জন্য সমানতা
    • আইন সবাইকে সমানভাবে প্রয়োগ করবে, ক্ষমতাধারীর জন্য আলাদা আইন হবে না।
  3. নির্ধারিত বিচারব্যবস্থা (Rule of Law)
    • ব্যক্তির অধিকার রক্ষা এবং রাষ্ট্রের ক্ষমতা সীমিত করার জন্য আদালত স্বাধীনভাবে বিচার করবে।

সমালোচনাসহ ব্যাখ্যা:

  • সমালোচনা: ডাইসি মূলত যুক্তরাজ্যের প্রেক্ষাপটে লিখেছিলেন। সেখানে নির্বাচিত সরকার প্রশাসন শক্তিশালী না হলেও আইন প্রধান নিয়ন্ত্রক হিসেবে কার্যকর ছিল।
  • সমালোচনার দিক: আধুনিক রাষ্ট্রে, কেবল আইন থাকলেই যথেষ্ট নয়; বাস্তবায়ন, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা এবং বিচার বিভাগের কার্যকারিতা দরকার।

সংক্ষেপে: ডাইসি আইনের শাসনের মূলনীতিকে জোর দিয়েছেন, কিন্তু তিনি রাষ্ট্রের সামাজিক প্রশাসনিক বাস্তবতার সীমাবদ্ধতা উল্লেখ করেননি।

 

কেন বলা হয় যে, ব্রিটিশ সরকার ব্যবস্থা রাজতন্ত্র, অভিজাততন্ত্র গণতন্ত্রের মিশ্রণ ? ব্যাখ্যা কর ]

চল, বিষয়টি ধাপে ধাপে সহজভাবে ব্যাখ্যা করি।


 

2. কেন বলা হয় যে, ব্রিটিশ সরকার ব্যবস্থা রাজতন্ত্র, অভিজাততন্ত্র গণতন্ত্রের মিশ্রণ ? ব্যাখ্যা কর ]

 

ব্রিটিশ সরকার ব্যবস্থার প্রকৃতি: রাজতন্ত্র, অভিজাততন্ত্র গণতন্ত্রের মিশ্রণ

ব্রিটেনের সরকার ব্যবস্থা প্রথাগতভাবে “Mixed Constitution” বামিশ্র সংবিধান হিসেবে পরিচিত। এর প্রধান কারণ হলো এর মধ্যে রাজতন্ত্র, অভিজাততন্ত্র গণতন্ত্রের উপাদান সবই বিদ্যমান।


. রাজতন্ত্র (Monarchical Element)

প্রকাশিত রূপ:

·         ব্রিটেনের রাষ্ট্রপতি বা রাজা-রানী রয়েছে।

·         সংবিধান অনুযায়ী তিনি রাষ্ট্রের প্রধান

·         সরকারী কাজকর্মে তাঁর কিছু আনুষ্ঠানিক ক্ষমতা আছে, যেমন:

o    সংসদ আহ্বান করা

o    আইন অনুমোদন করা

o    মন্ত্রীদের নিয়োগ করা (প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রীরা মনোনীত হন)

এটি রাজতন্ত্রের উপাদান, কারণ রাষ্ট্রের শীর্ষে একক ব্যক্তির প্রতীকী বা আনুষ্ঠানিক ক্ষমতা রয়েছে।


. অভিজাততন্ত্র (Aristocratic Element)

প্রকাশিত রূপ:

·         ব্রিটেনের পার্লামেন্ট দুই কক্ষ নিয়ে গঠিত:

1.      হাউস অব লর্ডস (House of Lords)অভিজাত, পরিবার বা উপাধিসম্পন্ন ব্যক্তিরা এখানে থাকেন।

2.      হাউস অব কমন্স (House of Commons)নির্বাচিত প্রতিনিধিরা এখানে থাকেন।

·         হাউস অব লর্ডস সরকারের পরামর্শ আইন প্রণয়নে প্রভাব রাখে।

এটি অভিজাততন্ত্রের উপাদান, কারণ কিছু অংশই জন্ম বা উপাধির ভিত্তিতে ক্ষমতা ভোগ করে।


. গণতন্ত্র (Democratic Element)

প্রকাশিত রূপ:

·         হাউস অব কমন্সের সদস্যরা জনগণ নির্বাচিত করে

·         জনগণের প্রতিনিধি অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে:

o    আইন প্রণয়ন

o    সরকারের উপর নজরদারি

o    সরকারের সমালোচনা প্রশ্ন তুলতে সক্ষম

এটি গণতন্ত্রের উপাদান, কারণ ক্ষমতা জনগণ থেকে আসে এবং তাদের প্রতিনিধি সরকারে অংশ নেয়।


. সংক্ষেপে ব্যাখ্যা

ব্রিটিশ সরকার ব্যবস্থার বৈশিষ্ট্যগুলো একত্র করলে:

উপাদান

প্রকাশিত রূপ

রাজতন্ত্র

রাজা/রানীর আনুষ্ঠানিক ক্ষমতা

অভিজাততন্ত্র

হাউস অব লর্ডসের ভূমিকা উপাধিসম্পন্ন সদস্য

গণতন্ত্র

হাউস অব কমন্সে নির্বাচিত প্রতিনিধি জনগণের অংশগ্রহণ

উপসংহার: ব্রিটেনের সরকার ব্যবস্থা রাজতন্ত্রের শীর্ষ, অভিজাতদের পরামর্শক ভূমিকা এবং গণতান্ত্রিক নির্বাচনের সংমিশ্রণ, তাই এটিকে মিশ্র সরকার ব্যবস্থা বলা হয়।

 

 

1. আইনের অনুশাসন বলতে কী বুঝ? “গণতান্ত্রিক বা সাংবিধানিক সরকার একবার প্রতিষ্ঠিত হলে আইনের শাসনের সুফল আপনা-আপনিই নির্গত হবে।”——উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ করুন। সমালোচনাসহ ডাইসীর আইনের অনুশাসন মতবাদ আলোচনা করুন।] 2. কেন বলা হয় যে, ব্রিটিশ সরকার ব্যবস্থা রাজতন্ত্র, অভিজাততন্ত্র গণতন্ত্রের মিশ্রণ ? ব্যাখ্যা কর ] 3() ব্রিটিশ মন্ত্রীদের সমষ্টিগত ব্যক্তিগত দায়িত্ব বলতে কী বুঝ? () তুমি কী এই মত সমর্থন করবে যে, মন্ত্রীর ব্যক্তিগত দায়িত্বসূচক নীতির বাস্তবে কোনো শাস্তিমূলক ফলাফল নাই? () কারা ক্রাউনের মন্ত্রী?] তুমি কি মনে কর যে, বর্তমান অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে ডাইসি' আইনের শাসনের ধারণাটি নতুনভাবে বর্ণনা করা দরকার? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।]

চল, ধাপে ধাপে প্রশ্নগুলো একত্রে পরিষ্কারভাবে বিশ্লেষণ করি।


. আইনের শাসন (Rule of Law)

সংজ্ঞা:
আইনের শাসন বলতে বোঝায় যে:

  1. সবার জন্য আইন সমানভাবে প্রযোজ্যব্যক্তি, সরকার, সংস্থা সকলের জন্য।
  2. শাসকও আইন মানবেক্ষমতাসীন সরকার আইন অমান্য করতে পারবে না।
  3. মৌলিক অধিকার রক্ষানাগরিকদের অধিকার সংরক্ষণ করা হবে।
  4. বিচার বিভাগের স্বাধীনতাআদালত স্বাধীনভাবে আইন প্রয়োগ বিচার করবে।

উক্তির বিশ্লেষণ:

গণতান্ত্রিক বা সাংবিধানিক সরকার একবার প্রতিষ্ঠিত হলে আইনের শাসনের সুফল আপনা-আপনিই নির্গত হবে।

  • যথার্থতা: গণতান্ত্রিক সরকার সাধারণত আইন সংবিধান মেনে চলে।
  • সমালোচনা: সরকার নির্বাচিত হলেও স্বয়ংক্রিয়ভাবে আইনের শাসন কার্যকর হয় না।
    • বাস্তবে দেখা যায় দুর্নীতি, বিচার বিভাগের ওপর রাজনৈতিক চাপ, মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন হতে পারে।
    • তাই সক্ষম প্রতিষ্ঠান, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা সচেতন নাগরিক সমাজ দরকার।

ডাইসি (Dicey) এর মতবাদ:

  1. আইনের শাসনই সংবিধানের মূল ভিত্তি।
  2. সবার জন্য সমানতাশাসক নাগরিকের ওপর আইন সমানভাবে প্রযোজ্য।
  3. নির্ধারিত বিচারব্যবস্থাআদালত স্বাধীনভাবে বিচার করবে।
  • সমালোচনা: ডাইসি মূলত ব্রিটিশ বাস্তবতার উপর নির্ভর করেছেন; অন্যান্য দেশে আইন থাকলেই যথেষ্ট নয়, কার্যকর বাস্তবায়ন শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান দরকার।

. ব্রিটিশ সরকার ব্যবস্থা: রাজতন্ত্র, অভিজাততন্ত্র গণতন্ত্রের মিশ্রণ

রাজতন্ত্র:

  • রাষ্ট্রপ্রধান হলো রাজা বা রানী। আনুষ্ঠানিক ক্ষমতা রয়েছে, যেমন: সংসদ আহ্বান করা, আইন অনুমোদন করা।

অভিজাততন্ত্র:

  • হাউস অব লর্ডসউপাধিসম্পন্ন বা অভিজাত ব্যক্তিরা সংসদে অংশ নেয়।

গণতন্ত্র:

  • হাউস অব কমন্সনির্বাচিত প্রতিনিধি জনগণের ভোটে আসে।

উপসংহার: ব্রিটেনের সরকার ব্যবস্থা তিনটি উপাদানের সংমিশ্রণ, তাই “Mixed Constitution” বলা হয়।


() ব্রিটিশ মন্ত্রীদের সমষ্টিগত ব্যক্তিগত দায়িত্ব

সমষ্টিগত দায়িত্ব (Collective Responsibility):

  • সব মন্ত্রী সরকারের নীতির জন্য একত্রে দায়ী
  • মন্ত্রিসভা সিদ্ধান্ত নিলে, সবাই তা সমর্থন করতে বাধ্য।
  • যদি কেউ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে যায়, তাকে পদত্যাগ করতে হবে।

ব্যক্তিগত দায়িত্ব (Individual Responsibility):

  • প্রতিটি মন্ত্রী নিজের দপ্তর বা কর্মকাণ্ডের জন্য দায়ী
  • তার অধীনে কোনো ত্রুটি বা অনিয়ম ঘটলে মন্ত্রীর ব্যক্তিগত শাস্তি বা পদত্যাগের সুযোগ আছে।

() মন্ত্রীর ব্যক্তিগত দায়িত্বে বাস্তবে শাস্তিমূলক ফলাফল আছে কি?

  • বস্তুত: অনেক সময় বাস্তবে শাস্তি হয় না।
  • কারণ:
    1. নীতি থাকলেও রাজনৈতিক চাপ দলীয় প্রভাব থাকে।
    2. দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী পদত্যাগ না করে অন্যভাবে নীতিমালা পরিবর্তন বা ক্ষমতা চালনা করতে পারে।
  • তাই বলা যায় ব্যক্তিগত দায়িত্বের নীতি বাস্তবায়নে সীমাবদ্ধ।

() ক্রাউনের মন্ত্রী (Crown Ministers)

  • সংজ্ঞা: রাজা বা রানীর প্রতি দায়িত্বশীল সরকারী মন্ত্রী।
  • সাধারণত: প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রিসভার সব সদস্য রাজাকে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়বদ্ধ।
  • কার্যত তারা রাজপক্ষে সরকার পরিচালনা করে, কিন্তু বাস্তবে ক্ষমতা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায়।

. ডাইসি আইনের শাসনের ধারণা নতুনভাবে বর্ণনা করা দরকার কি?

হ্যাঁ, নতুনভাবে বর্ণনা করা দরকার। কারণ:

  1. আধুনিক রাষ্ট্রে শুধু আইন থাকলেই যথেষ্ট নয়।
  2. আইন-শৃঙ্খলা কার্যকর করতে স্বাধীন বিচার, শক্তিশালী প্রশাসন, স্বচ্ছতা, এবং নাগরিক সচেতনতা প্রয়োজন।
  3. ডাইসি মূলত ব্রিটিশ প্রেক্ষাপটের উপর নির্ভর করেছিলেন; বর্তমানে গ্লোবালাইজেশন, প্রযুক্তি, মানুষের অধিকারের প্রসার এবং প্রশাসনিক জটিলতা অনুসারে নতুন সংজ্ঞা দরকার।

নতুন সংজ্ঞা (সংক্ষেপে):

আইনের শাসন হলো একটি কার্যকর ন্যায়পরায়ণ ব্যবস্থা যেখানে আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য, শাসকও আইন মানে, বিচার স্বাধীন এবং নাগরিকদের মৌলিক অধিকার রক্ষা হয়।

 4. আইনের অনুশাসন বলতে কী বুঝ? “গণতান্ত্রিক বা সাংবিধানিক সরকার একবার প্রতিষ্ঠিত হলে আইনের শাসনের সুফল আপনা-আপনিই পর্যায়ক্রমে নির্গত হবে”—উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ কর

. আইনের শাসন বা আইনের অনুশাসন (Rule of Law) বলতে কী বুঝ?

সংজ্ঞা:
আইনের শাসন বলতে বোঝায় যে:

1.      সবার জন্য আইন সমানভাবে প্রযোজ্যব্যক্তি, সরকার, সংস্থাসবাই আইন অনুযায়ী চলবে।

2.      শাসকও আইন মানবেক্ষমতাধারী ব্যক্তিও আইন অমান্য করতে পারবে না।

3.      মৌলিক অধিকার রক্ষানাগরিকদের অধিকার সুরক্ষিত থাকবে।

4.      বিচার বিভাগের স্বাধীনতাআদালত স্বাধীনভাবে আইন প্রয়োগ বিচার করবে।

সংক্ষেপে, আইনের শাসন হলো এমন একটি পরিস্থিতি যেখানে আইনই সর্বোচ্চ এবং সব সিদ্ধান্ত কর্মকাণ্ড তার অধীনে হয়।


. উক্তির বিশ্লেষণ

গণতান্ত্রিক বা সাংবিধানিক সরকার একবার প্রতিষ্ঠিত হলে আইনের শাসনের সুফল আপনা-আপনিই পর্যায়ক্রমে নির্গত হবে।

যথার্থতা:

·         গণতান্ত্রিক সরকার সাধারণত আইন সংবিধান মেনে চলে।

·         সরকার নির্বাচিত হওয়ায় জনগণ বিচারব্যবস্থা তার ওপর নজর রাখে।

·         তাত্ত্বিকভাবে, এটি আইনের শাসনের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে।

সমালোচনা:

·         বাস্তবে সুফল স্বয়ংক্রিয়ভাবে আসে না।

o    অনেক দেশে দেখা যায় যে নির্বাচিত সরকার থাকলেও:

§  দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, আদালতের স্বাধীনতা সীমিত।

§  মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন হয়।

·         তাই আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য শুধু গণতান্ত্রিক সরকার যথেষ্ট নয়।

·         প্রয়োজন: স্বচ্ছ প্রশাসন, শক্তিশালী বিচার বিভাগ, কার্যকরী প্রতিষ্ঠান, এবং সচেতন নাগরিক সমাজ।


. উপসংহার

·         উক্তিটি তাত্ত্বিকভাবে কিছুটা যথার্থ, কারণ গণতান্ত্রিক বা সাংবিধানিক সরকার আইনের শাসনের জন্য একটি প্রাথমিক কাঠামো দেয়।

·         বাস্তবায়নে স্বয়ংক্রিয় সুফল আসে না, এটি অর্জন করতে প্রশাসনিক দক্ষতা সামাজিক/নাগরিক সচেতনতা অপরিহার্য।

সংক্ষেপে: আইনের শাসন কেবল সরকারের উপস্থিতি নয়, বরং কার্যকর প্রতিষ্ঠান, বিচার নাগরিক সমাজের সমন্বয়।

No comments

Powered by Blogger.