Header Ads

Header ADS

কখন কোন পক্ষ তার নিজের সাক্ষীকে জেরা করতে পারে? (খ) সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ অনুযায়ী জেরা সংক্রান্ত বিধানাবলী কতটুকু প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক পদ্ধতির উপর প্রতিষ্ঠিত?

 ১০। (কখন কোন পক্ষ তার নিজের সাক্ষীকে জেরা করতে পারে?

(সাক্ষ্য  আইন১৮৭২ অনুযায়ী জেরা সংক্রান্ত বিধানাবলী কতটুকু প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক পদ্ধতির উপর   প্রতিষ্ঠিত?

কখন কোন পক্ষ তার নিজের সাক্ষীকে জেরা করতে পারে?

 

মূল নিয়ম:

সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী কোনো পক্ষ তার নিজের সাক্ষীকে নিজের দ্বারা cross‑examine (বিপরীত জেরা) করতে পারে না।নিজের সাক্ষীকে Examination-in-Chief (প্রধান জেরা) এর মাধ্যমে প্রশ্ন করা হয়।কারণ নিজের সাক্ষী পক্ষের সমর্থক, তাই তাকে নিজেই পরীক্ষার সুযোগ দিতে হলে আদালত অনুমতি দেয় না।

 

ব্যতিক্রমবৈরী সাক্ষী (Hostile Witness)

যদি নিজের পক্ষের সাক্ষী বৈরী হয়ে যায়, অর্থাৎ আদালতে এসে পক্ষের পক্ষে সাহায্য না করে, বরং বিরোধী বা প্রতিকূল বক্তব্য দেয়, তখন পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে তাকে জেরা (cross-examine) করতে পারে।

পদ্ধতি:

1.      পক্ষ আদালতে আবেদন করে:“এই সাক্ষী আমাদের পক্ষে সহযোগী নয়, তাই তাকে বৈরী ঘোষণা করা হোক।

2.      আদালত অনুমতি দিলে পক্ষ সাক্ষীকে cross-examine করতে পারে।

3.      Cross-examination শেষে প্রয়োজনে re-examination করা যায়, যাতে স্পষ্টতা বা ব্যাখ্যা আনা যায়।

() সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ অনুযায়ী জেরা সংক্রান্ত বিধানাবলী কতটুকু প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক পদ্ধতির উপর প্রতিষ্ঠিত?

 

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ অনুযায়ী জেরা (Examination) প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক প্রক্রিয়া

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ (Indian Evidence Act, 1872 / বাংলাদেশি প্রয়োগ অনুযায়ী) মূলত প্রমাণ এবং সাক্ষী উপস্থাপনের নিয়ম স্থাপন করে। জেরা সংক্রান্ত বিধানগুলো পরোক্ষভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক (adversarial) পদ্ধতির সঙ্গে সম্পর্কিত, তবে সম্পূর্ণভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নয়।

 

১. প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক (Adversarial) উপাদান

প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক পদ্ধতি বলতে বোঝায় আদালতে দুই পক্ষের আইনজীবী স্বাধীনভাবে সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, যাতে সত্য উদঘাটন হয়।

সাক্ষ্য আইন ১৮৭২- এর প্রতিফলন:

1.      প্রধান জেরা (Examination-in-Chief):নিজের পক্ষের আইনজীবী সাক্ষীকে প্রশ্ন করে।উদ্দেশ্য: তথ্য উপস্থাপন করা, মামলার পক্ষে প্রমাণ সংগ্রহ করাএটি প্রায়শই অপরাধ দেওয়ানি মামলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নয়, কারণ নিজের পক্ষের আইনজীবী প্রশ্ন করে এবং আদালত সরাসরি হস্তক্ষেপ কম।

২.বিপরীত জেরা (Cross-Examination)

বিপরীত পক্ষ আদালতের অনুমতিতে সাক্ষীকে প্রশ্ন করে ।উদ্দেশ্য: তথ্য যাচাই, অসঙ্গতি বের করা, প্রমাণ দুর্বল করা।এটি স্পষ্টভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক, কারণ দুই পক্ষের স্বার্থ সংঘর্ষের মধ্য দিয়ে সত্য উদঘাটিত হয়।

2.      পুনঃজেরা (Re-Examination):Cross-examination-এর পরে মূল পক্ষকে সাক্ষীর বক্তব্য ব্যাখ্যা বা স্পষ্ট করার সুযোগ দেয়।এটি আংশিক প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক প্রক্রিয়ায় আসে, কারণ বিপরীত পক্ষের প্রশ্নের প্রভাব সমন্বয় করা হয়।

 

. আইন অনুযায়ী ধারা নিয়ম

Section 135–166 (Indian Evidence Act) সাক্ষ্য গ্রহণ, শপথ, প্রমাণের ধরন, জেরার নিয়ম নির্ধারণ করে।Section 138–141 মূলত cross-examination-এর নিয়ম স্থাপন করে।প্রতিটি ধারা প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক দিককে স্বীকৃতি দেয়, বিশেষ করে cross-examination-এর ক্ষেত্রে।

 

. মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক বৈশিষ্ট্য

1.      বিপরীত পক্ষের প্রশ্ন করার অধিকার: যেকোনো সাক্ষী cross-examine করা যায়।

2.      সাক্ষীর অসঙ্গতি বের করার সুযোগ: পূর্বে দেওয়া বিবৃতি আদালতে দেওয়া সাক্ষ্যের মধ্যে মিল বা ফারাক বের করা।

3.      সতর্কতার নীতি: আদালত বৈরী বা পক্ষপাতপূর্ণ সাক্ষীর বক্তব্যের ওপর সতর্কভাবে সিদ্ধান্ত নেয়।

4.      উভয়পক্ষের সমান সুযোগ: প্রতিটি পক্ষ সাক্ষীর বক্তব্য যাচাই করার অধিকার রাখে।

 

.সীমাবদ্ধতা / অপ্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক দিক

1.      প্রধান জেরা প্রায়শই নন-অ্যাডভারসেরিয়ালনিজের পক্ষের আইনজীবী প্রধান জেরা করে, আদালত বা বিপরীত পক্ষ সরাসরি প্রশ্ন করে না।

2.      সরাসরি আদালতের হস্তক্ষেপ: আদালত কিছু ক্ষেত্রে প্রশ্ন করতে পারে, কিন্তু এটি সাধারণত সীমিত।

 

উপসংহার:
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ পুরোপুরি প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নয়, তবে cross-examination-এর মাধ্যমে মূলত adversarial পদ্ধতির সুযোগ দেয়। প্রধান জেরা এবং re-examination প্রক্রিয়ায় প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাত্রা কম।

 

মূল নিয়ম:

সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী কোনো পক্ষ তার নিজের সাক্ষীকে নিজের দ্বারা cross‑examine (বিপরীত জেরা) করতে পারে না।নিজের সাক্ষীকে Examination-in-Chief (প্রধান জেরা) এর মাধ্যমে প্রশ্ন করা হয়।কারণ নিজের সাক্ষী পক্ষের সমর্থক, তাই তাকে নিজেই পরীক্ষার সুযোগ দিতে হলে আদালত অনুমতি দেয় না।

 

ব্যতিক্রমবৈরী সাক্ষী (Hostile Witness)

যদি নিজের পক্ষের সাক্ষী বৈরী হয়ে যায়, অর্থাৎ আদালতে এসে পক্ষের পক্ষে সাহায্য না করে, বরং বিরোধী বা প্রতিকূল বক্তব্য দেয়, তখন পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে তাকে জেরা (cross-examine) করতে পারে।

পদ্ধতি:

1.      পক্ষ আদালতে আবেদন করে:“এই সাক্ষী আমাদের পক্ষে সহযোগী নয়, তাই তাকে বৈরী ঘোষণা করা হোক।

2.      আদালত অনুমতি দিলে পক্ষ সাক্ষীকে cross-examine করতে পারে।

3.      Cross-examination শেষে প্রয়োজনে re-examination করা যায়, যাতে স্পষ্টতা বা ব্যাখ্যা আনা যায়।

() সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ অনুযায়ী জেরা সংক্রান্ত বিধানাবলী কতটুকু প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক পদ্ধতির উপর প্রতিষ্ঠিত?

 

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ অনুযায়ী জেরা (Examination) প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক প্রক্রিয়া

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ (Indian Evidence Act, 1872 / বাংলাদেশি প্রয়োগ অনুযায়ী) মূলত প্রমাণ এবং সাক্ষী উপস্থাপনের নিয়ম স্থাপন করে। জেরা সংক্রান্ত বিধানগুলো পরোক্ষভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক (adversarial) পদ্ধতির সঙ্গে সম্পর্কিত, তবে সম্পূর্ণভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নয়।

 

১. প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক (Adversarial) উপাদান

প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক পদ্ধতি বলতে বোঝায় আদালতে দুই পক্ষের আইনজীবী স্বাধীনভাবে সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, যাতে সত্য উদঘাটন হয়।

সাক্ষ্য আইন ১৮৭২- এর প্রতিফলন:

1.      প্রধান জেরা (Examination-in-Chief):নিজের পক্ষের আইনজীবী সাক্ষীকে প্রশ্ন করে।উদ্দেশ্য: তথ্য উপস্থাপন করা, মামলার পক্ষে প্রমাণ সংগ্রহ করাএটি প্রায়শই অপরাধ দেওয়ানি মামলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নয়, কারণ নিজের পক্ষের আইনজীবী প্রশ্ন করে এবং আদালত সরাসরি হস্তক্ষেপ কম।

২.বিপরীত জেরা (Cross-Examination)

বিপরীত পক্ষ আদালতের অনুমতিতে সাক্ষীকে প্রশ্ন করে ।উদ্দেশ্য: তথ্য যাচাই, অসঙ্গতি বের করা, প্রমাণ দুর্বল করা।এটি স্পষ্টভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক, কারণ দুই পক্ষের স্বার্থ সংঘর্ষের মধ্য দিয়ে সত্য উদঘাটিত হয়।

2.      পুনঃজেরা (Re-Examination):Cross-examination-এর পরে মূল পক্ষকে সাক্ষীর বক্তব্য ব্যাখ্যা বা স্পষ্ট করার সুযোগ দেয়।এটি আংশিক প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক প্রক্রিয়ায় আসে, কারণ বিপরীত পক্ষের প্রশ্নের প্রভাব সমন্বয় করা হয়।

 

. আইন অনুযায়ী ধারা নিয়ম

Section 135–166 (Indian Evidence Act) সাক্ষ্য গ্রহণ, শপথ, প্রমাণের ধরন, জেরার নিয়ম নির্ধারণ করে।Section 138–141 মূলত cross-examination-এর নিয়ম স্থাপন করে।প্রতিটি ধারা প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক দিককে স্বীকৃতি দেয়, বিশেষ করে cross-examination-এর ক্ষেত্রে।

 

. মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক বৈশিষ্ট্য

1.      বিপরীত পক্ষের প্রশ্ন করার অধিকার: যেকোনো সাক্ষী cross-examine করা যায়।

2.      সাক্ষীর অসঙ্গতি বের করার সুযোগ: পূর্বে দেওয়া বিবৃতি আদালতে দেওয়া সাক্ষ্যের মধ্যে মিল বা ফারাক বের করা।

3.      সতর্কতার নীতি: আদালত বৈরী বা পক্ষপাতপূর্ণ সাক্ষীর বক্তব্যের ওপর সতর্কভাবে সিদ্ধান্ত নেয়।

4.      উভয়পক্ষের সমান সুযোগ: প্রতিটি পক্ষ সাক্ষীর বক্তব্য যাচাই করার অধিকার রাখে।

 

.সীমাবদ্ধতা / অপ্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক দিক

1.      প্রধান জেরা প্রায়শই নন-অ্যাডভারসেরিয়ালনিজের পক্ষের আইনজীবী প্রধান জেরা করে, আদালত বা বিপরীত পক্ষ সরাসরি প্রশ্ন করে না।

2.      সরাসরি আদালতের হস্তক্ষেপ: আদালত কিছু ক্ষেত্রে প্রশ্ন করতে পারে, কিন্তু এটি সাধারণত সীমিত।

 

উপসংহার:
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ পুরোপুরি প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নয়, তবে cross-examination-এর মাধ্যমে মূলত adversarial পদ্ধতির সুযোগ দেয়। প্রধান জেরা এবং re-examination প্রক্রিয়ায় প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাত্রা কম।

No comments

Powered by Blogger.