Header Ads

Header ADS

সমুদ্র সংক্রান্ত বিবাদ নিষ্পত্তির জন্য ১৯৮২ সনের জাতিসংঘ সমুদ্র আইনে নির্দেশিত বিবিধ পদ্ধতিসমূহ কী কী? সংক্ষেপে আলোচনা কর।

 

৪। সমুদ্র সংক্রান্ত বিবাদ নিষ্পত্তির জন্য ১৯৮২ সনের জাতিসংঘ সমুদ্র আইনে নির্দেশিত বিবিধ পদ্ধতিসমূহ কী কী? সংক্ষেপে আলোচনা কর। 

সমুদ্র সংক্রান্ত বিবাদ নিষ্পত্তির জন্য ১৯৮২ সনের জাতিসংঘ সমুদ্র আইনে নির্দেশিত বিবিধ পদ্ধতিসমূহ কী কী? সংক্ষেপে আলোচনা কর।

ভূমিকা

সমুদ্র সংক্রান্ত বিবাদে শান্তিপূর্ণ সমাধান নিশ্চিত করা আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন রাষ্ট্রদ্বয়িক সম্পর্কের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। UNCLOS, Part XV, “Settlement of Disputes”– বিবাদ সমাধানের জন্য বিভিন্ন পদ্ধতির সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেয়। এগুলো মূলত দুই ভাগে বিভক্ত

  1. কূটনৈতিক/অবাধ পদ্ধতি (Non-binding, Diplomatic Methods)
  2. বাধ্যতামূলক বিচারিক পদ্ধতি (Binding, Compulsory Procedures)

 

 কূটনৈতিক/অবাধ পদ্ধতি

আলোচনা (Negotiation)

রাষ্ট্রদ্বয় বা পক্ষসমূহের মধ্যে সরাসরি আলোচনা বিবাদের শিরোনাম, সময়সীমা এবং প্রাথমিক অবস্থান নির্ধারণ করা হয়।এটি সবচেয়ে সাধারণ প্রথম ধাপ

মধ্যস্থতা (Mediation)

এক বা একাধিক নিরপেক্ষ পক্ষ (তৃতীয় রাষ্ট্র বা আন্তর্জাতিক সংস্থা) দ্বারা সমাধানের চেষ্টামধ্যস্থকারী সমাধান প্রস্তাব করে, কিন্তু বাধ্যতামূলক নয়

সমঝোতা (Conciliation)

Conciliation Commission বা সমঝোতা কমিশন গঠনকমিশন সমস্যা পর্যবেক্ষণ করে রিপোর্ট বা সুপারিশ প্রণয়ন করে রাষ্ট্রসমূহ এই সুপারিশ মানার বাধ্যবাধকতা নেই

তদন্ত (Inquiry)

নিরপেক্ষ কমিশন বা বিশেষজ্ঞ দল দ্বারা ঘটনার সত্যতা আইনগত প্রেক্ষাপট নির্ধারণ রাষ্ট্রসমূহ এই রিপোর্টের আলোকে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে পারে

সালিশ (Arbitration, Voluntary)

পূর্বনির্ধারিত বা সম্মতি অনুযায়ী বিচারক বা সালিশকর্তা মনোনীত সিদ্ধান্ত সাধারণত বাধ্যতামূলক নয়, শুধুমাত্র সুপারিশমূলক।  কূটনৈতিক পদ্ধতিগুলো প্রধানত স্বেচ্ছাশাসিত, আলোচনামূলক এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানের দিকে কেন্দ্রিত।

 

বাধ্যতামূলক বিচারিক পদ্ধতি

যদি কূটনৈতিক পদ্ধতি ব্যর্থ হয়, UNCLOS রাষ্ট্রসমূহকে বাধ্যতামূলক পদ্ধতিতে বিবাদ সমাধান করার সুযোগ দেয়।

International Tribunal for the Law of the Sea (ITLOS)

  • 1996 সালে স্থাপিত আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন ট্রাইব্যুনাল
  • UNCLOS অনুযায়ী Part XV- উল্লেখিত বিবাদ নিষ্পত্তি করতে সক্ষম
  • বিশেষজ্ঞ বিচারকরা আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত প্রদান করেন
  • উদাহরণ: Deep Seabed mining বা EEZ বিরোধ

 

International Court of Justice (ICJ)

  • আন্তর্জাতিক সাধারণ আইনের ভিত্তিতে বিবাদ সমাধান
  • রাষ্ট্র সমঝোতার বাইরে গেলে ITLOS এর বিকল্প
  • বড় রাষ্ট্র বা রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল বিবাদে বেশি ব্যবহৃত

 সাধারণ সালিশ/Arbitration (Annex VII)

Annex VII–এর আওতায় স্বাধীন বা ad hoc arbitration tribunal গঠন। সাধারণত 5 জন বা 7 জন সদস্যের বিচারক দ্বারা পরিচালিত। সিদ্ধান্ত বাধ্যতামূলক

বিশেষ সালিশ/Arbitration (Annex VIII)

বিশেষ বিষয়ভিত্তিক arbitration, যেমনবিশেষ ধরনের EEZ, মৎস্য বা সমুদ্র সীমান্ত বিরোধ। Annex VIII– তিনটি ধারাবদ্ধ প্রক্রিয়া উল্লেখ রয়েছে

 

. বিবাদ নিষ্পত্তিতে রাষ্ট্রের পছন্দ

UNCLOS রাষ্ট্রকে নির্ধারণের স্বাধীনতা দেয়, তবে বাধ্যতামূলক পদ্ধতিতে যাওয়ার জন্য একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা মেনে চলতে হয়।

উদাহরণ: ITLOS, Annex VII Arbitration বা ICJ– মামলা দায়ের করার আগে কূটনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়া বাধ্যতামূলক

 

. বিশেষ বৈশিষ্ট্য

  1. শান্তিপূর্ণ সমাধান নিশ্চিত করা
  2. বাধ্যতামূলক অবাধ পদ্ধতির সমন্বয়
  3. বিধিবদ্ধ সময়সীমা অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ
  4. সব ধরনের সমুদ্রবিষয়ক বিবাদ (EEZ, Maritime Boundary, High Seas, The Area, Fisheries, Submarine Cables) প্রযোজ্য
  5. রাষ্ট্রসমূহের স্বাধীনতা মানবজাতির স্বার্থএর মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা

এরিয়া বলতে কী বুঝ? এরিয়া নিয়ন্ত্রণকারী নীতিসমূহ আলোচনা কর

এরিয়া (Area) বলতে সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট স্থান বা ভূমি বোঝায়। এটি বিভিন্ন প্রসঙ্গে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করা যায়:

1.      ভৌত/জ্যামিতিক অর্থে: -মাত্রিক কোনো স্থান বা আয়তন। উদাহরণ: বর্গক্ষেত্র, আয়তক্ষেত্র, ত্রিভুজ, বৃত্তের ভিতরের স্থান। পরিমাপের একক: বর্গমিটার (m²), বর্গকিলোমিটার (km²) ইত্যাদি।

2.      পরিকল্পনা প্রশাসনিক অর্থে:

o    কোনো এলাকা ব্যবহারের উদ্দেশ্য অনুযায়ী ভাগ করা হয়।

o    উদাহরণ:

§  আবাসিক এরিয়া: মানুষ বসবাসের জন্য।

§  শিল্প এরিয়া: কলকারখানা বা উৎপাদন কেন্দ্রে ব্যবহৃত।

§  বাণিজ্যিক এরিয়া: দোকান, অফিস, মার্কেট ইত্যাদি।

§  প্রাকৃতিক সংরক্ষণ এরিয়া: বন, নদী, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ।

সহজভাবে বলা যায়, এরিয়া হলোকোনো নির্দিষ্ট স্থান যেখানে পরিমাণ, কার্যক্রম বা ব্যবহার পরিমাপ নিয়ন্ত্রণ করা যায়

এরিয়া নিয়ন্ত্রণকারী নীতিসমূহ আলোচনা কর

 

 এরিয়া নিয়ন্ত্রণের ধারণা

এরিয়া নিয়ন্ত্রণ বলতে বোঝায় নির্দিষ্ট ভূমি বা এলাকা ব্যবহারের জন্য আইন, নীতি পরিকল্পনা প্রয়োগ করা, যাতে স্থানটি পরিকল্পিত, সুশৃঙ্খল এবং পরিবেশবান্ধবভাবে ব্যবহার করা যায়।

উদাহরণ: শহরের আবাসিক, শিল্প, বাণিজ্যিক এলাকা নির্ধারণ বা বনাঞ্চল সংরক্ষণ।

এর মূল উদ্দেশ্য হলো -উন্নয়ন নিয়ন্ত্রিত সুশৃঙ্খল করা। জনস্বাস্থ্য, পরিবেশ প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ। সংঘর্ষ অনিয়মিত ব্যবহার কমানো।

 

 প্রধান নীতিসমূহ

() জমি ব্যবহার নীতি (Land Use Policy)

  • ভূমি বা এলাকা কোন উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হবে তা নির্ধারণ করা।
  • ধরন:
    1. আবাসিক এলাকা: মানুষ বসবাসের জন্য।
    2. শিল্প এলাকা: কলকারখানা, উৎপাদন কেন্দ্র।
    3. বাণিজ্যিক এলাকা: মার্কেট, দোকান, অফিস।
    4. কৃষিজমি: ফসল, পশুপালন ইত্যাদি।
    5. সংরক্ষিত এলাকা: বন, নদী, প্রাকৃতিক সংরক্ষণ।

উদ্দেশ্য: এলাকা ব্যবহারে বিশৃঙ্খলা দ্বন্দ্ব কমানো।

 

() ঘনত্ব জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ (Density Regulation)

নির্দিষ্ট এলাকার জন্য জনসংখ্যা ভবনের ঘনত্ব সীমিত করা শহরের আবাসিক ব্লকে এক একটিমিটার²-তে সর্বাধিক বাড়ি সংখ্যা নির্ধারণ।

সুবিধা: নাগরিক জীবন মান উন্নয়ন। যানজট, দূষণ স্বাস্থ্য ঝুঁকি কমানো।

 

() উচ্চতা নিয়ন্ত্রণ (Height Regulation)

নির্দিষ্ট এলাকার ভবনের সর্বাধিক উচ্চতা নির্ধারণ। আবাসিক এলাকা: - তলা পর্যন্ত। বাণিজ্যিক এলাকা: ২০ তলা পর্যন্ত।

উদ্দেশ্য: সূর্যপ্রকাশ, বাতাস চলাচল দৃষ্টি সংরক্ষণ। নগর দৃশ্য নিরাপত্তা বজায় রাখা।

 

 

() পরিবেশ সংরক্ষণ নীতি (Environmental Protection)

নদী, জলাশয়, বন, সাগর উপকূল সংরক্ষণ। দূষণ নিয়ন্ত্রণ, বৃক্ষরোপণ, পানি বায়ু মান নিয়ন্ত্রণ।

উদাহরণ:

১.নদীর তীরবর্তী এলাকায় শিল্প কার্যক্রম সীমিত করা।

২.বনাঞ্চলে ভবন নির্মাণ নিষিদ্ধ।

 

() জোনিং উন্নয়ন পরিকল্পনা (Zoning & Development Plan)

নগর বা গ্রামীণ এলাকাকে কার্যক্রম অনুসারে ভাগ করা। নিয়ন্ত্রিত নকশা অনুযায়ী রাস্তা, বিদ্যালয়, হাসপাতাল, মার্কেট স্থাপন।

সুবিধা:

১.স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বজায় রাখা।

২.অপরিকল্পিত অবকাঠামো জমি হস্তান্তর প্রতিরোধ।

 

() অন্যান্য বিশেষ নীতি

  1. পর্যায়ক্রমিক উন্নয়ন নীতি: বড় এলাকার উন্নয়ন ধাপে ধাপে করা।
  2. সমন্বিত ব্যবস্থাপনা নীতি: নগর গ্রাম, শিল্প কৃষি এলাকা সমন্বয়।
  3. স্মার্ট ব্যবহার নীতি: স্থান সম্পদের সর্বোচ্চ কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা।

 

 সংক্ষেপে উদ্দেশ্য

১.পরিকল্পিত নগরায়ন গ্রামীণ উন্নয়ন

২.পরিবেশ প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ

৩.জনস্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত

৪.অপরিকল্পিত জমি ব্যবহার, দ্বন্দ্ব বিশৃঙ্খলা কমানো

 

দ্রুত পশ্চাদ্ধাবন কী? ১৯৮২ সনের সমুদ্র আইনের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো আলোচনা কর।

 

দ্রুত পশ্চাদ্ধাবন বলতে বোঝায় কোনো প্রক্রিয়া, অগ্রগতি বা উন্নয়ন যা পূর্বে অর্জিত অবস্থান থেকে হঠাৎ বা দ্রুত বিপরীত দিকে চলে যায়, অর্থাৎ দ্রুত পিছিয়ে যায় বা ক্ষয় ঘটে। এটি সাধারণভাবে ব্যবহৃত হয় অর্থনীতি, পরিবেশ, কৃষি, নগরায়ন, সামাজিক প্রযুক্তিগত অগ্রগতির ক্ষেত্রে


 

১৯৮২ সনের সমুদ্র আইনের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো আলোচনা কর।

 

১৯৮২ সালের সমুদ্র আইনের প্রধান বৈশিষ্ট্য

.সমুদ্র সীমা অঞ্চল নির্ধারণ

UNCLOS-1982 আন্তর্জাতিকভাবে সমুদ্র ব্যবহার সীমা নির্ধারণের জন্য কাঠামো প্রদান করে। প্রধান অঞ্চলগুলো:

  1. টেরিটোরিয়াল সী (Territorial Sea)

উপকূল থেকে ১২ নটিক্যাল মাইল (প্রায় ২২. কিমি) পর্যন্ত। উপকূলীয় রাষ্ট্রের পূর্ণ সার্বভৌমত্ব থাকে। অন্য রাষ্ট্রের জাহাজ নির্দিষ্ট শর্তে প্রবেশ করতে পারে।

  1. সুনির্দিষ্ট জলসীমা (Contiguous Zone):২৪ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত। আইন প্রয়োগ, সীমানা নিরাপত্তা সীমান্ত পরিদর্শনের জন্য ব্যবহৃত।
  2. সর্বাধিক Economic জোন (Exclusive Economic Zone – EEZ): ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত। উপকূলীয় রাষ্ট্র সম্পদের আহরণ, মৎস্য খনিজ সম্পদ ব্যবহারের অধিকার রাখে। অন্যান্য রাষ্ট্র নৌপরিবহন বৈজ্ঞানিক গবেষণা করতে পারে।
  3. কন্টিনেন্টাল শেলফ (Continental Shelf): সমুদ্রের তলদেশে ২০০ নটিক্যাল মাইল বা প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে ৩৫০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত। তেল, গ্যাস খনিজ আহরণের অধিকার উপকূলীয় রাষ্ট্রের।

২. সমুদ্র সম্পদ ব্যবস্থাপনা

প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণ, মৎস্যসম্পদ খনিজ সম্পদ নিয়ন্ত্রণ। EEZ- উপকূলীয় রাষ্ট্রের বিশেষ অধিকার রয়েছে।পরিবেশ সংরক্ষণ এবং স্থায়ী ব্যবহার নিশ্চিত করতে ব্যবস্থাপনা।

উদাহরণ: কোনো উপকূলীয় দেশ EEZ- মাছ ধরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। তেল গ্যাস অনুসন্ধান উত্তোলন শুধু উপকূলীয় রাষ্ট্রের অধিকার।

 

. সমুদ্র সংক্রান্ত বিবাদ নিষ্পত্তি

শান্তিপূর্ণ পদ্ধতি নিশ্চিত করা:

  1. আলোচনা সমঝোতা (Negotiation / Consultation)
  2. মধ্যস্থতা (Mediation / Conciliation)
  3. আর্কিট্রেশন (Arbitration)
  4. আন্তর্জাতিক আদালত (Judicial Settlement)
    • ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস (ICJ)
    • ট্রাইবুনাল ফর দ্য অব দা সি (ITLOS)

মূল নীতি: বিবাদ সমাধান হতে হবে শান্তিপূর্ণ, নিয়মভিত্তিক আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী।

 

. পরিবেশ সংরক্ষণ

সমুদ্র দূষণ প্রতিরোধ। উপকূলীয় সমুদ্র পারিপার্শ্বিক পরিবেশ রক্ষা। সমুদ্রের জীববৈচিত্র্য প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ।

উদাহরণ:

শিল্প কারখানার বর্জ্য সরাসরি সমুদ্রে নিষিদ্ধ। সংরক্ষিত সমুদ্র এলাকা তৈরি করা।

 

৫.নৌপরিবহন নিরাপত্তাআন্তর্জাতিক জলপথে অবাধ চলাচল নিশ্চিত জাহাজ, বাণিজ্য নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ। pirating বা অবৈধ কার্যক্রম রোধ।

উদাহরণ: আন্তর্জাতিক বাণিজ্য জাহাজ সমুদ্রপথে মুক্তভাবে চলতে পারে। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে কন্ট্রোল নৌ নিরাপত্তা।

 

 ৬.বৈজ্ঞানিক গবেষণা আন্তর্জাতিক সহযোগিতা

সমুদ্র গবেষণা তথ্য বিনিময়।বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা, সমুদ্র তলের গবেষণা। আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় নতুন প্রযুক্তি জ্ঞান উন্নয়ন।

উদাহরণ:সমুদ্র তলের নতুন খনিজ সম্পদ গবেষণা আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানী দল দ্বারা।

 

প্রশাসনিক আইনগত কাঠামো

সমুদ্র ব্যবহার সম্পদের জন্য আইনগত কাঠামো প্রদান।উপকূলীয় রাষ্ট্রের অধিকার আন্তর্জাতিক মান রক্ষা নিশ্চিত।সাম্প্রতিক বিবাদে প্রয়োগযোগ্য আইনগত প্রক্রিয়া সংজ্ঞায়িত।

No comments

Powered by Blogger.